

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাতে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয় প্রভাস নামের ওই অভিযুক্তের।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘটনার পুনর্নির্মাণে প্রভাসকে মঙ্গলবার রাতে ঘটনাস্থলে নিয়ে গিয়েছিল পুলিশ। সেই সময় পুলিশের কাছ থেকে অস্ত্র ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন তিনি। পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালান। পুলিশের পাল্টা গুলিতে গুরুতর আহত হন। হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। বারুইপুর ধর্ষণকাণ্ডে প্রথম গ্রেপ্তার হয়েছিলেন প্রভাসই।
বারুইপুর ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনায় একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছিল। সেখানে দেখা গেছে, এক ব্যক্তি একটি পুকুরে নেমে আঙুল দিয়ে দেখাচ্ছেন ভুক্তভোগীর মৃতদেহটি কোথায় রয়েছে। তার দেখানো জায়গা থেকে বস্তাবন্দি নাবালিকার দেহ উদ্ধার হতেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এলাকাবাসী। মারধর শুরু হয় ওই ব্যক্তিকে। ঘটনাচক্রে দেখা গেছে, ওই ব্যক্তিই এই ধর্ষণ এবং খুনকাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত। নাম প্রভাস মণ্ডল।
গত শনিবার বন্ধুর জন্মদিনে যাবে বলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল ভুক্তভোগী কিশোরী। তারপর থেকে তার আর খোঁজ মেলেনি। তার খোঁজ করার সময় এলাকার কয়েকটি সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে পুলিশ। সেই সময় ওই নাবালিকাকে এক যুবকের সঙ্গে দেখতে পাওয়া যায়। নীল টি-শার্ট এবং লাল টুপি পরা ওই যুবকের খোঁজ শুরু হয়। সেই সূত্র ধরে পুলিশ ওই যুবককে শনাক্ত করে। তার পরই গ্রেপ্তার হন প্রভাস। তাকে জেরা করে আরও তিন অভিযুক্ত আনন্দ সর্দার, দিবাকর সর্দারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মঙ্গলবার গ্রেপ্তার করা হয় কবীর মোল্লা নামে আরও এক যুবককে।
পুলিশ বলছে, নিহত প্রভাসের ময়নাতদন্ত করা হবে। এ ব্যাপারে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে পুলিশ।