

ইরানের ছোড়া দুটি ড্রোন কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আঘাত হানে। একটি জ্বালানি ট্যাংকে আঘাত করলে সেখানে আগুন ধরে যায়। হামলার প্রায় ২৪ ঘণ্টা পরেও সেখানে আগুন জ্বলছে।
আজ বৃহস্পতিবার আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, কর্তৃপক্ষ সেই আগুন নেভানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল। তবে পরিস্থিতি খুব একটা ভালো নয়।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ফাঁকি দিয়ে যখন মাত্র একটি বা দুটি ড্রোনও লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম হয়, তখন ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হয় ভয়াবহ।
এদিকে, গত কয়েক ঘণ্টায় বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ (ইউএই) জিসিসিভুক্ত দেশগুলোতেও ইরানের হামলা চালানোর খবর পাওয়া গেছে।
বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মুহাররাক এলাকার একটি স্থাপনায় লাগা আগুন সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা নিভিয়ে ফেলেছেন। সেখানে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন নিশানা করে উপকূলীয় অঞ্চল থেকে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান। দেশটির সেনাবাহিনী বুধবার (২৫ মার্চ) এমন দাবি করেছে।
ইরানের প্রেস টিভি একটি ভিডিও প্রকাশ করে জানিয়েছে, সশস্ত্র বাহিনী মার্কিন এই রণতরী লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। অন্যদিকে, রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা নৌবাহিনীর কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে এই অভিযানের কথা নিশ্চিত করেছে।