কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৭ জুলাই ২০২৬, ০১:৩৬ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

পশ্চিম তীরে একাধিক শহর ও গ্রামে ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযান

অভিযানে ইসরায়েলি বাহিনী। পুরোনো ছবি
অভিযানে ইসরায়েলি বাহিনী। পুরোনো ছবি

ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে সামরিক অভিযান আরও জোরদার করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। সোমবার নাবলুস, রামাল্লাহ ও আল-বিরেহসহ বিভিন্ন শহর ও গ্রামে অভিযান চালিয়েছে তারা। এর পরও সেসব স্থান থেকে সরে না এসে সেনা মোতায়েন করা হয়। মঙ্গলবার আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

স্থানীয় সূত্রের বরাতে আনাদোলু এজেন্সি জানায়, নাবলুসের দক্ষিণে মাদামা শহরে অভিযান চালিয়ে একটি সামরিক বুলডোজারের মাধ্যমে ফিলিস্তিনিদের জমিতে থাকা কয়েক ডজন জলপাই গাছ উপড়ে ফেলা হয়। এ গাছগুলো ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের ব্যবহৃত একটি বাইপাস সড়কের পাশের এলাকায় ছিল।

রামাল্লাহর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বেইত রিমা ও কাফর আইন শহরে ইসরায়েলি বাহিনীর সঙ্গে ফিলিস্তিনি যুবকদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় সেনারা টিয়ার গ্যাস ও রাবার-আবৃত বুলেট নিক্ষেপ করে।

এ ছাড়া রামাল্লাহর পূর্বে আল-মুগাইয়ির গ্রাম এবং আল-বিরেহ শহরের সাতেহ মারহাবা এলাকায়ও অভিযান চালানো হয়। আল-বিরেহে একটি আবাসিক ভবনের ছাদ দখলে নেয় ইসরায়েলি সেনারা, যা ফিলিস্তিনি ভূমিতে নির্মিত অবৈধ পসাগোট বসতির দিকে নজরদারির জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। এসব অভিযানে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহত বা গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি।

এদিকে, চলতি মাসের শুরুতে ফিলিস্তিনের ওয়াল অ্যান্ড সেটেলমেন্ট রেজিস্ট্যান্স কমিশন জানায়, ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বাহিনী ও বসতি স্থাপনকারীদের ১১ হাজার ৭৪টি লঙ্ঘনের ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঘটনা ঘটেছে হেবরনে, এরপর রয়েছে রামাল্লাহ ও আল-বিরেহ, নাবলুস এবং বেথলেহেম।

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি সামরিক অভিযান ও বসতি স্থাপনকারীদের হামলায় এখন পর্যন্ত ১ হাজার ১৭৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত, ১২ হাজার ৯১৯ জন আহত এবং প্রায় ২৪ হাজার মানুষ গ্রেপ্তার হয়েছেন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বর্তমান সংসদকে বাংলাদেশের ইতিহাসের সেরা হিসেবে দেখতে চাই: চিফ হুইপ

নদ-নদীর পানি বেড়ে ১৮ জেলায় বন্যার শঙ্কা

বিগত সরকারের ভঙ্গুর অর্থনীতি মোকাবিলা বড় চ্যালেঞ্জ: তথ্যমন্ত্রী

২০২৭ সালের হজের খরচ আরও বাড়বে কি? যা জানা গেল

মুক্তিপণ দাবি  / বিএনপি ও যুবদলের নেতাসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা

কাবাঘর ধোয়ার কাজে যে ৮ উপকরণ ব্যবহার করা হয়

বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল গ্যাস ও তেলের দাম

গাজীপুর সিটি করপোরেশনে ডেঙ্গুসহ অন্য মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে সমন্বয় সভা

সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত পরিচালক এফ আই মানিক

পাঁচ বছরে ১ কোটি বৈদেশিক কর্মসংস্থানের লক্ষ্য সরকারের

১০

ক্ষেপণাস্ত্র রপ্তানিতে আরও এক ধাপ এগোচ্ছে ভারত

১১

'সবাইকে নিয়েই কাজ করতে চাই', পলির অভিযোগেও ইতিবাচক শিবা সানু

১২

পরীক্ষার উত্তরপত্রে নম্বর চেয়ে শিক্ষককে ‘বাবা’ ডাকল ছাত্রী

১৩

সরকারি হাসপাতালে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু পরীক্ষা ফ্রি

১৪

আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচে কে জিতবে, জানাল এআই

১৫

মিশরকে ‘ভয়’ পাচ্ছে আর্জেন্টিনা!

১৬

ঘুষ নেওয়ার দায়ে চীনের সাবেক সরকারি কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

১৭

যে ৫ ভুল নীরবে জীবনের বরকত কেড়ে নেয়

১৮

আর্জেন্টিনা নাকি মিশর কে যাবে কোয়ার্টার ফাইনালে, জানাল সুপারকম্পিউটার

১৯

সৌদি ‘প্যাকেজ ভিসা’: ট্যুর প্যাকেজের সঙ্গেই মিলবে ভিসা

২০
X