কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:৪৩ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

সিরিয়া থেকে হাজার হাজার বন্দিকে নতুন গন্তব্যে পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

সিরিয়ায় সংঘাতপূর্ণ এলাকা। ছবি : সংগৃহীত
সিরিয়ায় সংঘাতপূর্ণ এলাকা। ছবি : সংগৃহীত

সিরিয়া থেকে হাজার হাজার বন্দিকে নতুন গন্তব্যে পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটি জানিয়েছে, সিরিয়ার কারাগারগুলোতে আটক থাকা ইসলামিক স্টেটের (আইএস) প্রায় ৭ হাজার সদস্যকে ইরাকে স্থানান্তর করা হচ্ছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা জানান, প্রতিদিন শত শত আইএস বন্দিকে সিরিয়া-ইরাক সীমান্ত পেরিয়ে ইরাকে পাঠানো হচ্ছে। স্থানান্তরের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বিপজ্জনক আইএস যোদ্ধাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) বুধবার জানায়, ইতোমধ্যে সিরিয়ার হাসাকা প্রদেশের একটি আটক কেন্দ্র থেকে ১৫০ আইএস বন্দিকে ইরাকে স্থানান্তর করা হয়েছে। সম্ভাব্য কারাগার ভাঙার ঝুঁকি এড়াতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

রয়টার্স জানিয়েছে, মূলত উত্তর-পূর্ব সিরিয়ায় কুর্দি নেতৃত্বাধীন বাহিনীর দ্রুত ভেঙে পড়ার পর কারাগারগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মঙ্গলবার সিরিয়ার শাদ্দাদি কারাগার থেকে প্রায় ২০০ নিম্নস্তরের আইএস যোদ্ধা পালিয়ে যায়। পরে সিরীয় সরকারি বাহিনী তাদের অনেককেই পুনরায় আটক করতে সক্ষম হয়।

মার্কিন কর্মকর্তা জানান, স্থানান্তরিত বন্দিদের মধ্যে বিভিন্ন দেশের নাগরিক রয়েছেন। তাদের মধ্যে ইউরোপের একাধিক দেশের নাগরিকও রয়েছেন।

ইরাকি আইনগত সূত্রগুলো জানিয়েছে, সিরিয়া থেকে পাঠানো আইএস বন্দিদের মধ্যে ইরাকিরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ। এছাড়া অন্যান্য আরব দেশের যোদ্ধা ও যুক্তরাজ্য, বেলজিয়াম, ফ্রান্স, জার্মানি এবং সুইডেনের নাগরিকরাও রয়েছেন।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই উদ্যোগের জন্য ইরাকের প্রশংসা করেছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “অ-ইরাকি সন্ত্রাসীরা সাময়িকভাবে ইরাকে থাকবে। যুক্তরাষ্ট্র সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে আহ্বান জানাচ্ছে— তারা যেন নিজ নিজ নাগরিকদের ফিরিয়ে নিয়ে গিয়ে বিচারের মুখোমুখি করে।”

উল্লেখ্য, ইসলামিক স্টেট গোষ্ঠীর উত্থান ঘটে ইরাক ও সিরিয়ায়। ২০১৪ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত সংগঠনটি দুই দেশের বিস্তীর্ণ এলাকা দখল করে লক্ষাধিক মানুষের ওপর শাসন চালায়। পরে আঞ্চলিক বাহিনী ও যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন জোটের অভিযানে তাদের তথাকথিত ‘খেলাফত’ ভেঙে পড়ে।

কালবেলা/এমএসকেএম
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিচার না পেয়ে সিলেট থেকে পায়ে হেঁটে প্রধানমন্ত্রীর দ্বারে বৃদ্ধ ফুকন মিয়া

বেড়ায় স্কুল ফিডিংয়ে ভয়াবহ অনিয়মের অভিযোগ

দখল-লিজে বিলীন চকরিয়া-সুন্দরবন

ফকিরহাটে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ

কর্মস্থল ঢাকায়, বেতন শান্তিগঞ্জে: ‘কর্তৃপক্ষের’ কলমের খোঁচায় সেবা বঞ্চিত রোগীরা

ভাইরাসের আক্রমণে ক্ষেতেই পচছে আখ, লোকসানের শঙ্কায় টাঙ্গাইলের কৃষক

অনিয়মের অভিযোগে সড়ক নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দিলেন এলাকাবাসী

বাবার অসুস্থতার কথা বলে ৭ বছরের শিশুকে অপহরণ, চাচাসহ গ্রেপ্তার ৩

আমরা চলছিলাম মদিনার দিকে, হঠাৎ দেখি কাফেলা যাচ্ছে আমেরিকার দিকে: মুফতি ফয়জুল করিম

হাতিয়ায় অস্বাভাবিক জোয়ারে ক্ষতিগ্রস্ত ৮০০ মিটার বেড়িবাঁধ, আতঙ্কে উপকূলবাসী

১০

নির্মাণের এক মাস না যেতেই সড়কে গর্ত, নিম্নমানের কাজের অভিযোগ

১১

নাচোলে টিসিবির গুদামে আগুন, নেভাতে গিয়ে ভ্যানচালকের মৃত্যু

১২

মসজিদে নামাজরত ছোট ভাইকে কুপিয়ে হত্যা: এক মাস পর নোয়াখালী থেকে গ্রেপ্তার বড় ভাই

১৩

প্রবাসীরা চাইলে বাড়ি পাহারায় মিলবে আনসার সদস্য: সিলেটের ডিসি

১৪

সিলেটে অভিযানে তিন হাসপাতালে জরিমানা, একটি সিলগালা

১৫

শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার

১৬

হবিগঞ্জে র‍্যাবের অভিযানে আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের মূলহোতাসহ ৭ জন গ্রেফতার

১৭

কাহারোলে মাদকবিরোধী অভিযানে ৭ জনের জেল-জরিমানা

১৮

জোয়ার-বর্ষণে বিপর্যস্ত দক্ষিণাঞ্চল, বড় ক্ষতির মুখে কৃষি ও মৎস্য খাত

১৯

গাজীপুরে আবাসিক হোটেলের কক্ষে নারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার, সঙ্গী পলাতক

২০
X