

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে মার্কিন সেনাদের হতাহতের তথ্য সংশোধন করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর (পেন্টাগন)। নতুন হিসাবে আরও ১৪০ জনের বেশি আহত সেনার তথ্য যুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে গত সপ্তাহে নিহত চার মার্কিন সেনার নামও আবার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। খবর সিএনএনের।
পেন্টাগনের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’-তে এখন পর্যন্ত ১৮ জন মার্কিন সেনা নিহত এবং ৬২৪ জন আহত হয়েছেন। ফলে মোট হতাহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৪২ জনে।
এর আগে পেন্টাগনের ডিফেন্স ক্যাজুয়ালটি অ্যানালাইসিস সিস্টেমে (ডিসিএএস) আহতের সংখ্যা ৪৮২ দেখানো হয়েছিল। গত সপ্তাহে নতুন করে ইরানের হামলা হলেও ওয়েবসাইটে হতাহত কমে যাওয়ায় পেন্টাগনের তথ্যের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
এ ঘটনায় মার্কিন সিনেটের সশস্ত্র বাহিনী বিষয়ক কমিটির ১২ জন ডেমোক্র্যাট সদস্য প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের কাছে ব্যাখ্যা চান।
পেন্টাগনের ভারপ্রাপ্ত প্রেস সচিব জোয়েল ভালদেজ দাবি করেন, ডিসিএএস ওয়েবসাইটে সাময়িক কারিগরি ত্রুটির কারণে এ অসামঞ্জস্য তৈরি হয়েছিল।
এদিকে ডিসিএএসে ‘ওভারসিজ অপারেশনস’ নামে নতুন একটি বিভাগ যুক্ত করা হয়েছে। এতে জর্ডানে ইরানের হামলায় নিহত তিন মার্কিন সেনা এবং উত্তর ইরাকে ইরানি ড্রোনের বিস্ফোরণে নিহত আরও এক সেনার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
তবে নতুন এই বিভাগে কোন সময়ের সংঘাতের তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, সে বিষয়ে পেন্টাগন বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
এদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করেছে, এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির পর ১ মে থেকে যুদ্ধ পরিচালনার ৬০ দিনের আইনি সময়সীমা নতুন করে গণনা শুরু হয়েছে। কিন্তু ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান উভয় দলের বেশ কয়েকজন আইনপ্রণেতা এই ব্যাখ্যার বিরোধিতা করেছেন।
তাদের অভিযোগ, যুদ্ধবিরতির সময়কে ভিত্তি করে নতুন সময়সীমা নির্ধারণের মাধ্যমে কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া সামরিক অভিযান চালানোর সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে প্রশাসন।