

সারাজীবন আয় করা অর্থ কোথায় বিনিয়োগ করবেন তা নিয়ে চিন্তায় থাকেন অনেকেই। কেউ বিনিয়োগ করেন স্থায়ী সম্পদে, কেউ সঞ্চয়পত্র বা নানা ব্যবসায়। তবে মধ্যবিত্তদের সঞ্চয়ের অন্যতম স্মার্ট মাধ্যম প্রাইজবন্ড (Prize Bond)।
সমাজের সব শ্রেণির মানুষের মধ্যে সঞ্চয় প্রবণতা বৃদ্ধির জন্য ‘বাংলাদেশ প্রাইজবন্ড’ নামে এই বন্ড চালু করে সরকার। এটি যে কোনো সময় কেনা ও ভাঙানো যায়।
প্রাইজবন্ডের বহুপ্রতীক্ষিত ১২২তম ‘ড্র’ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে রোববার (১ ফেব্রুয়ারি)।
ঢাকার বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিতব্য এই ড্র-তে প্রথম পুরস্কার বিজয়ী পাবেন এককালীন ৬ লাখ টাকা। দ্বিতীয় পুরস্কার বিজয়ীকে দেওয়া হবে তিন লাখ ২৫ হাজার টাকা করে। তৃতীয় পুরস্কার বিজয়ী এক লাখ টাকা করে এবং চতুর্থ পুরস্কার বিজয়ী ৫০ হাজার টাকা করে পান। পঞ্চম পুরস্কার বিজয়ী প্রত্যেককে দেওয়া হয় ১০ হাজার টাকা করে। প্রাইজবন্ডের পুরস্কারের জন্য ঘোষিত সংখ্যার প্রতিটি সিরিজের সেই সংখ্যার বন্ড একই পুরস্কারের যোগ্য বলে বিবেচিত হয়।
প্রতি তিন মাস পরপর অনুষ্ঠিত হওয়া এই লটারিতে মোট ৪৬টি পুরস্কার জেতার সুযোগ রয়েছে।
ড্রয়ের নির্ধারিত তারিখ থেকে ৬০ দিন আগে (বিক্রির তারিখ ধরে ও ড্রয়ের তারিখ বাদ দিয়ে) যেসব প্রাইজবন্ড বিক্রি হয়েছে, সেগুলো এ ড্রয়ের আওতাভুক্ত। আয়কর আইন ২০২৩-এর ১১৮ ধারার নির্দেশনা অনুযায়ী প্রাইজবন্ডে পুরস্কারের অর্থ থেকে ২০ শতাংশ হারে উৎসে কর কাটার বিধান রয়েছে।
প্রসঙ্গত, বছরের ৩১ জানুয়ারি, ৩০ এপ্রিল, ৩১ জুলাই ও ৩১ অক্টোবর তারিখে ড্র অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ নির্ধারিত আছে। নির্ধারিত তারিখে সাপ্তাহিক বা কোনো সরকারি ছুটি থাকলে পরবর্তী কার্যদিবসে ড্র অনুষ্ঠিত হয়।
ফল দেখার সহজ পদ্ধতি :
প্রাইজবন্ডের ফলাফল এখন অনলাইনে এবং মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে খুব সহজেই জানা যায় :
১. সফটওয়্যার/ওয়েবসাইট : অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের (IRD) নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট prizebond.ird.gov.bd থেকে নম্বর লিখে বা এক্সেল ফাইল আপলোড করে ফল জানা যাবে।
২. মোবাইল অ্যাপ : গুগল প্লে স্টোর থেকে 'PBRIS' অ্যাপটি ডাউনলোড করে সহজেই প্রাইজবন্ডের নম্বর মিলিয়ে নেওয়া সম্ভব।
৩. বিগত ড্র চেক : বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, ড্র হওয়ার তারিখ থেকে বিগত ২ বছরের (শেষ ৮টি ড্র) যে কোনো পুরস্কার দাবি করা যায়।
মন্তব্য করুন