সিলেট ব্যুরো
প্রকাশ : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:০০ পিএম
আপডেট : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:২১ এএম
অনলাইন সংস্করণ

সিলেটে বিএনপির বহিষ্কৃত ৫ নেতার ভরাডুবি

সিলেটে বিএনপির বহিষ্কৃত ৫ নেতা। ছবি : সংগৃহীত
সিলেটে বিএনপির বহিষ্কৃত ৫ নেতা। ছবি : সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট বিভাগের ১৮ আসনে ভূমিধস জয় পেলেও স্বস্তিতে নেই বিএনপির ৫ বহিস্কৃতরা। বিভাগের পাঁচটি আসনে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া নেতারা শেষ পর্যন্ত কেউই জয়ের মুখ দেখেননি। একটি আসনে তাদের প্রার্থী হওয়াই জোটের পরাজয়ের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে কিংবা জোটগত সমঝোতা উপেক্ষা করে প্রার্থী হওয়ায় নির্বাচনের আগেই তাদের দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। তবুও ভোটের মাঠ ছাড়েননি তারা। প্রচারে সরব উপস্থিতি থাকলেও ফলাফলে মেলেনি প্রত্যাশা।

সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ-কানাইঘাট) আসনটি বিএনপি জোটের শরিক বাংলাদেশ জমিয়তে উলামায়ে ইসলামকে ছেড়ে দেওয়া হয়। জোটের প্রার্থী ছিলেন উবায়দুল্লাহ ফারুক। কিন্তু জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি মামুনুর রশীদ (চাকসু মামুন) স্বতন্ত্র প্রার্থী হন। বিদ্রোহী হওয়ায় দল থেকে বহিষ্কার করা হলেও তিনি মাঠে থাকেন।

ফলাফলে দেখা যায়, ১১ দলীয় জোটের শরিক বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস প্রার্থী মুফতি আবুল হাসান ৭৯ হাজার ৩৫৫ ভোট পেয়ে জয়ী হন। উবায়দুল্লাহ ফারুক পান ৬৯ হাজার ৭৭৪ ভোট। আর বিদ্রোহী মামুনুর রশীদ পান ৫৭ হাজার ২৫১ ভোট। বিশ্লেষকদের মতে, বিদ্রোহী প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট জোটের প্রার্থীর পরাজয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে।

সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর-শান্তিগঞ্জ) আসনে জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হন। তিনি পান ৪২ হাজার ২২৬ ভোট।

এ আসনে বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ কয়ছর আহমদ ৯৭ হাজার ৩১৩ ভোট পেয়ে জয়ী হন। খেলাফত মজলিসের প্রার্থী পান ১৪ হাজার ২০৩ ভোট।

সুনামগঞ্জ-৪ (সদর-বিশম্ভরপুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হন দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন। ভোটে তিনি পান ২৬ হাজার ৩০৭ ভোট। এ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী নুরুল ইসলাম নুরুল ৯৮ হাজার ৯২ ভোট পেয়ে জয়ী হন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী পান ৭৫ হাজার ৭৩৫ ভোট।

মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসনে বিএনপি নেতা মো. মহসিন মিয়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হন। তিনি পান ৩৪ হাজার ১৪৭ ভোট। এ আসনে বিএনপির দলীয় প্রার্থী মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী ১ লাখ ৭০ হাজার ৮৭৭ ভোট পেয়ে জয়ী হন। খেলাফত মজলিসের প্রার্থী শেখ নূরে আলম হামিদী পান ৫০ হাজার ২০৪ ভোট।

হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য শেখ সুজাত মিয়া। তিনি পান ২৪ হাজার ৬৩৭ ভোট। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী ড. রেজা কিবরিয়া ১ লাখ ১১ হাজার ৯৯৯ ভোট পেয়ে জয়ী হন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী পান ৫৬ হাজার ১৩২ ভোট।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কুয়েত ও বাহরাইনের দিকে ৭টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান : যুক্তরাষ্ট্র

আ.লীগের চুরি ও পাচারের কারণেই বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতে চাপ : তথ্যমন্ত্রী

মাছবাহী পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ২

ঢাকার সড়কে যাত্রীবাহী বাস উল্টে প্রাণ গেল হেলপারের

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে আরও কোটি মানুষ খাদ্য সংকটে পড়তে পারে : জাতিসংঘ

যাত্রীবাহী বাসের পেছনে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, নিহত ২

৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারে দাম বাড়বে না : তথ্য উপদেষ্টা

সুপ্রিম কোর্ট ও অ্যাটর্নি জেনারেলের বিভিন্ন শাখা শনিবার খোলা 

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১৮ কিলোমিটার যানজট

তেল-গ্যাস-বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি ও সীমান্তে পুশইনের প্রতিবাদে ঢাকায় বিক্ষোভের ডাক

১০

শান্তিরক্ষায় আত্মত্যাগের স্বীকৃতি, জাতিসংঘ পদকে ভূষিত ৬ বাংলাদেশি

১১

১০ লাখ টাকায় ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ আপসের দাবি

১২

শূন্য রেখায় থাকা সেই ১৭ জনকে ফিরিয়ে নিল বিএসএফ

১৩

প্রতিশ্রুতি বনাম বাস্তবতা : নবম পে-স্কেল নিয়ে বড় দুঃসংবাদ

১৪

দেশে স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরি কত

১৫

ইরানের রাডার স্থাপনায় মার্কিন হামলা

১৬

সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ

১৭

মধ্যরাতে শাকিব-বুবলীকে নিয়ে মিষ্টি জান্নাতের রহস্যময় পোস্ট

১৮

পরিস্থিতি সামলাতে আমি খুব দ্রুত এগোচ্ছি : ট্রাম্প

১৯

স্বামীর সঙ্গে অভিমানের জেরে অন্তঃসত্ত্বা কলেজছাত্রীর আত্মহত্যা

২০
X