কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৭ মার্চ ২০২৬, ০৮:০৯ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

গ্রাম্য সালিসি বৈঠকে হামলার শিকার উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি

ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে গ্রাম্য সালিসি বৈঠকে উপজেলা মহিলা দলের সভানেত্রী কুলসুমা বেগম খেলনার ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে উপজেলার মগধরা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সাবেক ইউপি সদস্য সোলাইমান ও কুলসুমা বেগম খেলনার অনুসারীদের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়। দিনে দিনে এই বিরোধ আরও প্রকট আকার ধারণ করে।

সর্বশেষ ঈদুল ফিতরের দিন খেলনার ব্যক্তিগত চরিত্র হনন করে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে লাইভ করে লাল চান নামে সোলাইমানের অনুসারী একজন। এই ঘটনায় মহিলা দলনেত্রী খেলনা স্থানীয় সংসদ সদস্য মোস্তফা কামাল পাশা, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলমগীর হোসেন ঠাকুরসহ সিনিয়র নেতাদের কাছে নালিশ করেন। সেই প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকালে উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলমগীর হোসেন ঠাকুর, রহমতপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান স্থানীয় সাংসদ এর ভাতিজা হাসানুজ্জামান মামুনসহ সালিসি বৈঠকের আয়োজন করা হয়।

সালিসি বৈঠকের একপর্যায়ে বাকবিতণ্ডা শুরু হলে সোলাইমান ও তার অনুসারী লাল চান, সুজনের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রসহ খেলনা ও তার অনুসারীদের ওপর হামলা করে। এতে খেলনা, তার ছেলে সাদ্দাম, উপজেলা তাঁতী দলের সাধারণ সম্পাদক তাজুল ইসলামসহ অনেকেই আহত হন। ঘটনায় হতবিহ্বল হয়ে নেতৃবৃন্দ দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

এই বিষয়ে কুলসুমা বেগম খেলনা বলেন, ‘সোলাইমান একজন স্বীকৃত সন্ত্রাস ও চোরের সর্দার। ২০০১ সালে বিএনপি সরকার আমলে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল। বিগত দিনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে বিদেশে পালিয়ে যায়। অথচ আমি মহিলা দলের সভানেত্রী হিসেবে সকল আন্দোলন সংগ্রামে মাঠে ছিলাম। ২৪ সালে হাসিনার পতন হলে এই সোলাইমান আবার দেশে ফিরে এসে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে, আমি এই সকল অন্যায়ের প্রতিবাদ করলে আমার উপর ক্ষিপ্ত হয় সোলাইমান ও তার অনুসারী লাল চান গং। আজ (বৃহস্পতিবার) সিনিয়র নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে আমাদের উপর এই ন্যাক্কারজনক হামলা করে ও নিরীহ লোকজনকে হামলা করে।’

এই ঘটনায় এখনও থানায় কোনো মামলা হয়নি বলেও জানান মহিলা দলের এ নেত্রী।

উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলমগীর হোসেন ঠাকুরকে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। তবে সন্দ্বীপ থানার ওসি জায়েদ নূর মারামারির ঘটনা সঠিক বলে কালবেলাকে জানান।

তিনি বলেন, ‘আমি ঘটনা জানার ৩০ মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। উভয় পক্ষের সঙ্গেই কথা বলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করেছি। যতদূর জেনেছি, মারামারিতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এ বিষয়ে স্থানীয় সিনিয়র নেতারাও তৎপর রয়েছেন। তবে থানায় কেউ অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিকাশে ভুল নম্বরে পাঠানো টাকা ফেরত আনতে গিয়ে প্রাণ গেল যুবকের

দুপুরের মধ্যে যেসব অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড় হতে পারে

লাম্পি রোগে বাড়ছে গরুর মৃত্যু, ডিমলায় আতঙ্কে খামারিরা

গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত ৮

কী ঘটেছিল ইতিহাসের এই দিনে

বৃহস্পতিবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ

কালবেলায় সংবাদ প্রকাশের পর বাঁকখালী নদী পরিদর্শনে ইউএনও

ইউএনজিএর সভাপতি হিসেবে কী দায়িত্ব ও মর্যাদা পাবেন খলিলুর রহমান

‘সম্পাদক পরিষদ’ গঠন হয় কীভাবে, জানালেন সাবেক এক সদস্য

মির্জা ফখরুলকে সারজিসের প্রশ্ন

১০

৩০ বছর পর দখলমুক্ত সরকারি রাস্তা

১১

হাদি হত্যায় তার বড় ভাইয়ের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে : ফারুক হাসান

১২

সরকারকে ধন্যবাদ দিয়ে ‘সব নিরপরাধ মায়ের’ মুক্তি চাইলেন আইভী

১৩

ওসির নেতৃত্বে থানায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পিটিয়ে রক্তাক্ত 

১৪

নিঃসঙ্গ মায়ের মৃত্যু ঘিরে ‘মিথ্যা তথ্য’ ছড়ানোর অভিযোগ ছেলের

১৫

রিজার্ভ আরও বাড়ল

১৬

মায়ানমারে পাচারের পথে বিপুল সিমেন্ট জব্দ, আটক ৯

১৭

কারামুক্ত আইভী লড়বেন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে

১৮

পদত্যাগের দুদিন পর পার্বত্য চট্টগ্রামবাসীর প্রতি দীপেন দেওয়ানের বার্তা

১৯

এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ

২০
X