

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারী বর্ষণের ফলে বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে যমুনা নদীর পানি বেড়েই চলেছে। এতে করে নিম্নাঞ্চলের ফসল পানির নিচে তলিয়ে গেছে। কৃষকের কষ্টার্জিত ফসল তলিয়ে যাওয়ায় কপালে চিন্তার ভাজ পড়েছে।
রোববার (১৯ জুলাই) যমুনায় পানি বেড়েছে ৯ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ৯০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, গত চারদিনে (১৫, ১৬, ১৭, ১৮ জুলাই) জেলার সারিয়াকান্দি স্টেশনে ৯১ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।
বগুড়া জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী হুমায়ুন কবির বলেন, উজানে ভারী বর্ষণের কারণে যমুনা নদীর পানি বাড়ছে। পানি কিছুদিন বাড়বে ও কমবে। গত চারদিনে ৯১ সেন্টিমিটার পানি বেড়েছে। পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে নিচু এলাকার ফসল ডুবে গেছে।
এদিকে সোনাতলায় অবিরাম বর্ষণে নদ-নদীতে আকস্মিক পানি বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নাঞ্চলের ফসল পানির নীচে তলিয়ে গেছে। উপজেলার নদীকূলীয় এলাকার শত শত একর জমির বিভিন্ন ধরনের ফসল বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। উপজেলার তেকানী চুকাইনগর, পাকুল্যা ও সোনাতলা সদর ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি চরের শত শত কৃষকের স্বপ্ন ধুলিস্যাত হয়েছে।
দক্ষিণ আটকরিয়া গ্রামের নুর আলম সরকার সাবিরুল, কামারপাড়া গ্রামের গোলাম সোবাহানি বলেন, এই এলাকার কৃষক প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই সংগ্রাম করে টিকে থাকতে হয়। আকস্মিক বন্যায় ফসল নষ্ট হয়।
এ বিষয়ে স্থানীয় কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তাদের উৎপাদিত অর্থকরী ফসল আর ১০/১৫ দিনের মধ্যে কাটার উপযোগী হতো। সেই সময় বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় তারা এখন চোখে অন্ধকার দেখছেন।
সারিয়াকান্দি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, যমুনা নদীর আকস্মিক পানি বৃদ্ধিতে ফসলের বেশ ক্ষতি হয়েছে।