কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১২ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৯ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

প্রাণী অধিকার রক্ষায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীর আইনি নোটিশ

খন্দকার হাসান শাহরিয়ার
খন্দকার হাসান শাহরিয়ার

জনস্বার্থে প্রাণী অধিকার রক্ষায় আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। রবিবার (১২ এপ্রিল) ডাকযোগে ও ইমেইলে এই নোটিশ দিয়েছেন অ্যাডভোকেট হাসান অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটসের সত্ত্বাধিকারী ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী খন্দকার হাসান শাহরিয়ার।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সচিব, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দপ্তরের প্রধান নিয়ন্ত্রকের ঠিকানায় এই নোটিশ পাঠানো হয়।

নোটিশে আগামী ৩ দিনের মধ্যে বাগেরহাটের কুকুর হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করার পাশাপাশি আগামী ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে আইনি নোটিশের ৯নং প্যারায় উল্লিখিত ২১টি বিষয় বাস্তবায়ন করার জন্য সকল প্রকার পদক্ষেপ বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। অন্যথায় জনস্বার্থে প্রাণী অধিকার রক্ষায় উচ্চ আদালতে রিট দায়ের করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়, বর্তমানে বাংলাদেশে প্রাণীর উপর নৃশংসতা ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। বিড়াল, কুকুর, গরু, ছাগল কিংবা ঘোড়ার মতো মানুষের সহচর প্রাণীগুলো প্রতিনিয়ত নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। আবার মানুষের নির্যাতন হত্যার শিকার থেকে রক্ষা পাচ্ছে না বন্যপ্রাণীও। সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক মাধ্যমে প্রায়ই পোষা প্রাণীর উপর নিষ্ঠুর নির্যাতনের দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। আইন থাকলেও তা কার্যকর প্রয়োগের অভাবে প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুর নির্যাতন যেন নিঃশব্দে ঘটেই চলেছে। সমাজের অধিকাংশ মানুষ প্রাণীর প্রতি নির্যাতনকে ‘তুচ্ছ’ বিষয় হিসেবে মনে করেন। আর এতেই সমাজে প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুরতা বাড়ছে।

আমাদের সমাজে প্রাণীকে এখনও ‘বস্তু’ হিসেবে দেখা হয়, জীব হিসেবে নয়। এমন সামাজিক মানসিকতা প্রাণী নির্যাতনকে স্বাভাবিক করে তুলছে। যেসব শিশু ছোটবেলা থেকে প্রাণীর প্রতি সহানুভূতি শেখে না, বড় হয়ে তারাই এই নিষ্ঠুরতার ধারক হয়ে ওঠে। এই মানসিকতা না বদলালে আইনের কার্যকারিতা সীমিতই থেকে যাবে। প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ কেবল নৈতিক নয়, মনোবৈজ্ঞানিক সমস্যাও তৈরি করে।

গবেষণায় দেখা গেছে, যারা প্রাণীকে নির্যাতন করে, পরবর্তী সময়ে তাদের মধ্যে সহিংসতা ও অপরাধ প্রবণতা বাড়ে। হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন- যে ব্যক্তি কোনো প্রাণীকে (পাখি বা অন্য জীবন্ত সত্তা) লক্ষ্য বানায় বা খেলার বস্তু হিসেবে ব্যবহার করে, তার ওপর লানত করা হয়েছে (সহীহ মুসলিম হাদিস নম্বর: ১৯৫৮, সহীহ বুখারি হাদিস নম্বর: ৫৫১৫, ৫৫১৬)। সুতরাং ধর্মীয়, সামাজিক এবং পারিবারিক মূল্যবোধ অনুযায়ী কোনো প্রাণীর সঙ্গে নির্দয় আচরণ করা যাবে না। পশ্চিমা বিশ্বে যারা বিড়াল, কুকুর পোষে তাদের ভদ্রলোক হিসেবে দেখা হয়। কিন্তু আমাদের বাংলাদেশে সেই দৃষ্টিভঙ্গির চরম ঘাটতি রয়েছে। প্রাণীর সুরক্ষা মানে শুধু মানবিকতা নয়, এটি পরিবেশ রক্ষারও অংশ। কুকুর-বিড়ালের মতো প্রাণী ময়লা পরিষ্কারে প্রাকৃতিক ভূমিকা রাখে। অনেক সময় মানুষের সঙ্গে মানুষের দ্বন্দ্বের কারণে অবলা প্রাণী নিষ্ঠুরতার শিকার হচ্ছে।

আবার সোশ্যাল মিডিয়ায় কনটেন্ট ভাইরাল করতেও প্রাণীর ওপর নির্যাতন করে সেই ভিডিও ছাড়া হচ্ছে। কিন্তু যারা নির্যাতন করছে তারা সবসময় জবাবদিহিতার বাইরে থেকে যাচ্ছে। ফলে নিষ্ঠুর আচরণ কমছে না। আইন থাকলেও আইনের যথাযথ প্রয়োগ হচ্ছে না। রাষ্ট্র এই ব্যাপারে এগিয়ে আসছে না। একটু খাবার খেতে অনেক সময় রাস্তার পাশের চায়ের দোকানের সামনে কুকুর অপেক্ষা করে। কিন্তু তাদের গরম পানি দিয়ে ঝলসে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। যারা প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ করছে তারা একসময় মানুষের সঙ্গেও একই আচরণ করবে। অনেক সিরিয়াল কিলারের হিস্টোরিতে এই ধরনের তথ্য রয়েছে।

ইতিপূর্বে বগুড়াতে ঘরে ঢুকে মাছ খাওয়ায় বঁটি দিয়ে গলা কেটে একটি বিড়াল হত্যার ঘটনায় অপরাধী ধরা পড়লেও রাজধানীর ধানমন্ডি তাকওয়া মসজিদের লেকের পাড়ে চোখ উপড়ে ফেলা ৪টি বিড়ালের লাশ, ময়মনসিংহের ত্রিশালে বৈলর নামাপাড়া এলাকায় গাভীর জিহ্বা কেটে দেওয়া, রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের কোর্চাডাঙ্গী গ্রামে একটি ছাগলের মাথা কেটে হত্যার ঘটনা কে, কারা, কেন করলো তা আজও জানা যায়নি। অনেক বাংলাদেশি পরিবারে পথের বিড়াল-কুকুরকে বাড়তি উপদ্রব হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এমনকি অনেক বাবা-মা আছেন যারা রাস্তার কুকুর বিড়ালদের লাঠি বা পাথর দিয়ে আঘাত করে তাড়িয়ে দিতে সন্তানদের উৎসাহ দেন। যার ফলে এই শিশুরা পশুদের বিষয়ে যত্নশীল না হয়েই বেড়ে ওঠে এবং নিষ্ঠুরতা তাদের চরিত্রের মধ্যে গেঁথে যাচ্ছে। ২০২১ সালে করোনা লকডাউন শুরুর পর রাজধানী ঢাকার কাঁটাবনে বৃহত্তম পোষা প্রাণীর মার্কেটে প্রায় চারশ পাখি এবং কয়েক ডজন কুকুর, বিড়াল, খরগোশ, ইঁদুর এবং গিনিপিগ মারা যায়। এছাড়া প্রচণ্ড গরমে, খাবারের অভাবে দয়ামায়াহীন অবস্থায় অস্বাস্থ্যকর ও ভয়াবহ পরিবেশে কাঁটাবনে থাকা পশু-পাখিগুলো নিয়মিত মারা গেলেও রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আজ পর্যন্ত এই ব্যাপারে কোনো আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় নাই। যার দায়ভার ১, ২, ৩, ৪ এবং ৬ নং নোটিশ গ্রহীতার উপরই বর্তায় বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

লিগ্যাল নোটিশে বলা হয়েছে, গত ৮ এপ্রিল বাগেরহাটে খান জাহান আলীর (রহ) মাজারে সম্প্রতি একটি জীবন্ত কুকুরকে কুমিরের মুখে ছেড়ে দেওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। ভিডিওতে কিন্তু একবারও মনে হয়নি কুকুরটি পাগল। বরং মনে হয়েছে তাকে ইচ্ছাকৃতভাবে পা ভেঙে ফেলে দেওয়া হয়েছে। কুকুরটি যদি পাগলও হয়ে থাকে, তাহলেও তো তাকে কুমিরের মুখে ফেলে দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এটি বাংলাদেশের প্রচলিত আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। বাগেরহাটের এই ঘটনা আজকে ফেসবুকে আসাতে সবাই জানতে পারছে। কিন্তু প্রকৃত সত্য হলো এমন ঘটনা ওখানে বহুবছর ধরেই ঘটে চলেছে। ওই মাজারে শত শত বছর ধরে ধলা পাহাড় ও কালা পাহাড় নামে কুমির পোষা হয়। প্রাকৃতিকভাবে একটি কুমির মারা গেলে আবার অন্য কুমির নিয়ে আসা হয়। সেই কুমিরের খাদ্য হিসেবে জীবন্ত মুরগি ও ছাগল ছুঁড়ে দেওয়ার রীতিও বহু বছর ধরেই চলছে। কুমিরকে বাজার থেকে কিনে আনা মাংস খাওয়ানো এক কথা, আর জীবন্ত প্রাণী তার মুখে ছুঁড়ে দেওয়া আরেক কথা। প্রবল ক্ষমতাধর মাজার কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে এসব নিয়ে আজ পর্যন্ত কথা বলার সাহস কেউ দেখাতে পারে নাই। অথচ এই বিষয়ে ১, ২, ৩, ৪ এবং ৬ নং নোটিশ গ্রহীতারা আজ পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেন নাই।

বাংলাদেশে প্রচলিত প্রাণীকল্যাণ আইন ২০১৯ এর ধারা ৬ প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুরতার অপরাধ এবং ধারা ৭ অনুসারে যন্ত্রণাদায়কভাবে হত্যা বা অঙ্গহানি নিষিদ্ধ। কেউ যদি এই ধরনের কর্মকাণ্ড করে তাহলে প্রাণিকল্যাণ আইন ২০১৯ এর ধারা ১৬ অনুসারে অনধিক ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান আছে। এছাড়া দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ধারা ৪২৯ অনুসারে কেউ গৃহপালিত প্রাণী হত্যা বা পঙ্গু করলে সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান আছে। বাংলাদেশের সংবিধান (অনুচ্ছেদ ১৮ ও ৩২) অনুসারে জীবনের সুরক্ষা ও পরিবেশ সংরক্ষণ করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। রাষ্ট্রের পক্ষে ১, ২, ৩, ৪ এবং ৬ নং নোটিশ গ্রহীতাদের এই দায়িত্ব এড়িয়ে যাবার তাই কোনো সুযোগ নাই। এছাড়া জাতিসংঘের প্রাণী কল্যাণ নীতিমালা (Universal Declaration on Animal Welfare - UDAW) অনুসারেও প্রাণীদের প্রতি মানবিক আচরণ নিশ্চিত করা বাংলাদেশের কর্তব্য।

লিগ্যাল নোটিশে আইনজীবী খন্দকার হাসান শাহরিয়ার আরও বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একজন প্রাণীপ্রেমী মানুষ। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশের প্রাণীদের কল্যাণে ও জীবন রক্ষার্থে সময় উপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করা একান্তভাবে জরুরি। সেজন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার তথা ১-৭ নং নোটিশ গ্রহীতাদের নিম্নলিখিত ২১টি পদক্ষেপসমূহ গ্রহণ করার জন্য অত্র লিগ্যাল নোটিশের মাধ্যমে অনুরোধ করছি। যথা- প্রাণী নির্যাতন বন্ধে কঠোর আইন প্রয়োগের পাশাপাশি প্রাণিকল্যাণ আইন ২০১৯ সংশোধন করে শাস্তির পরিমাণ বৃদ্ধি করা এবং অপরাধীর দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা, প্রাণী খাদ্য আমদানি এবং বিদেশে পোষা প্রাণী নিয়ে যাবার ক্ষেত্রে সকল প্রকার ভ্যাট, ট্যাক্স ও কাস্টমস ফি প্রত্যাহার করা। প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশনে প্রাণীদের নির্দিষ্ট কবরস্থানের ব্যবস্থা করা। সরকারি পশু হাসপাতালগুলোতে সপ্তাহে ৭ দিন বিনামূল্যে জলাতঙ্ক ও ফ্লু এর টিকা প্রদান এবং প্রাণীদের জন্য ২৪ ঘণ্টা জরুরি চিকিৎসা সেবা বিভাগ চালু করা। জাতীয় অ্যানিমাল ওয়েলফেয়ার অথরিটি নামক স্বতন্ত্র নিয়ন্ত্রক সংস্থা গঠন করা যাতে মনিটরিং, লাইসেন্স, শাস্তি সব এক জায়গা থেকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় এবং প্রাণী নির্যাতন বন্ধে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করা।

নোটিশে বলা হয়েছে, প্রাণী বিক্রয় দোকান, বাজার ও শেল্টার হোমের লাইসেন্স প্রদান ও মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করতে হবে। পেটশপ, ব্রিডার, শেল্টার হোম সবকিছুর জন্য লাইসেন্স এবং পেট শপ, ব্রিডার, শেল্টার হোমে লাইভ মনিটরিং সিস্টেমসহ সিসিটিভি থাকা বাধ্যতামূলক করতে হবে। বিশেষ প্রাণী রক্ষা ইউনিট বা প্রাণী পুলিশ সেলের মাধ্যমে প্রাণী বিষয়ক অভিযোগ দ্রুত গ্রহণ করে অভিযান পরিচালনা এবং ২৪/৭ হটলাইন ও রেসকিউ টিম সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে প্রদানের ব্যবস্থা করা নিশ্চিত করতে হবে। প্রাণী নির্যাতনকে কগনিজেবল অফেন্স ঘোষণা করা যাতে পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়াই মামলা নিতে পারে। প্রতি উপজেলায় সরকারি প্রাণী হাসপাতাল ও মোবাইল ভেট ইউনিট স্থাপন করতে হবে।

আইনি নোটিশে আইনজীবী খন্দকার হাসান শাহরিয়ার আরও বলেছেন, পোষা প্রাণীর ডিজিটাল আইডি তথা মাইক্রোচিপ/রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম চালু করা যাতে হারানো/চুরি/নির্যাতন ট্র্যাক করা সহজ হবে। স্কুল, কলেজের পাঠ্যবইয়ে প্রাণী কল্যাণ শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। ধর্মীয় ও সামাজিক সচেতনতা কর্মসূচির অংশ হিসাবে প্রাণী নির্যাতন বন্ধে ইমাম, শিক্ষক, মিডিয়াকে যুক্ত করতে হবে। পাবলিক স্থান (বাজার, রেস্টুরেন্ট, সুপার শপ, হোটেল) এ প্রাণী-বান্ধব নীতি প্রণয়ন করে পোষা প্রাণী নিয়ে প্রবেশ, চলাচল এবং হোটেলে প্রাণী নিয়ে থাকার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে যথাযথ আইন প্রণয়ন করতে হবে।

পোষা প্রাণী লালনকারীদের জন্য নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে বিনামূল্যে সরকারি নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা ও বিশেষ পরিচয়পত্র প্রদানের পাশাপাশি সরকারিভাবে পোষা প্রাণীদের নির্দিষ্ট কিছুদিন রাখার জন্য বিনামূল্যে অ্যানিমাল হোটেল চালু করা, বিদেশে পোষা প্রাণী নিয়ে গেলে ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টারের মাধ্যমে বিনামূল্যে সকল সরকারি অনুমোদন প্রদান, বিশ্ব প্রাণী স্বাস্থ্য সংস্থা স্ট্যান্ডার্ড মান অনুসরণ করে অবৈধ বন্যপ্রাণী, কচ্ছপ, বানর, পাখি ইত্যাদির অবৈধ বিক্রি বন্ধ ও মাংস বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করা এবং সকল পোষা প্রাণী, গৃহপালিত প্রাণী ও পথপ্রাণীদের জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বাধ্যতামূলক টিকাদান ও স্প্রে করার ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথাও বলা হয়েছে আইনি নোটিশে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সীমান্তে মাইকিং করে বিজিবির বিশেষ সতর্কবার্তা

হরমুজে চাপ সৃষ্টি করে যুক্তরাষ্ট্রকে পিছু হটিয়েছে ইরান : খামেনির উপদেষ্টা

ভারতের পুশ-ইন নিয়ে সীমান্তে বিজিবির বিশেষ সতর্কবার্তা

বাজার সংস্কারে কঠিন পথ পাড়ি দিতে হবে : বিএসইসি চেয়ারম্যান

নেসলে বাংলাদেশ পরিদর্শনে সুইজারল্যান্ড পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদল

নেসকো ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন

ঢাকাকে আর বাসযোগ্য মনে হয় না মির্জা ফখরুলের

মীমাংসিত জমি ফের দখলের চেষ্টা, সাংবাদিকের পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি

বিরিয়ানির বিনিময়ে বিক্রি হচ্ছে বিবেক, শিক্ষার্থীদের নিয়ে রাশেদ খাঁনের ক্ষোভ

শূন্যরেখায় থাকা ২৮ জনকে ফিরিয়ে নিল বিএসএফ

১০

মার্কিন হামলার জবাবে ‘শত্রু ঘাঁটিতে’ আঘাত ইরানের

১১

রাজধানীতে গ্যাস লিকেজের আগুনে পুড়ল তিনজন, আশঙ্কাজনক দুই

১২

কুয়েত ও বাহরাইনের দিকে ৭টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান : যুক্তরাষ্ট্র

১৩

আ.লীগের চুরি ও পাচারের কারণেই বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতে চাপ : তথ্যমন্ত্রী

১৪

মাছবাহী পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ২

১৫

ঢাকার সড়কে যাত্রীবাহী বাস উল্টে প্রাণ গেল হেলপারের

১৬

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে আরও কোটি মানুষ খাদ্য সংকটে পড়তে পারে : জাতিসংঘ

১৭

যাত্রীবাহী বাসের পেছনে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, নিহত ২

১৮

৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারে দাম বাড়বে না : তথ্য উপদেষ্টা

১৯

সুপ্রিম কোর্ট ও অ্যাটর্নি জেনারেলের বিভিন্ন শাখা শনিবার খোলা 

২০
X