রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ : ১২ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১৫ পিএম
আপডেট : ১২ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১৮ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

আশার মৃত্যুতে ভারতীয় সংগীতশিল্পীদের শোক

আশা ভোঁসলে, এ আর রহমান, শ্রেয়া ঘোষাল, সেলিম মার্চেন্ট ও শঙ্কর মহাদেবন । ছবি : সংগৃহীত
আশা ভোঁসলে, এ আর রহমান, শ্রেয়া ঘোষাল, সেলিম মার্চেন্ট ও শঙ্কর মহাদেবন । ছবি : সংগৃহীত

আকাশভাঙা বিষাদ আর সুরের ভুবনে এক গভীর শূন্যতা তৈরি করে বিদায় নিলেন সুরসম্রাজ্ঞী আশা ভোঁসলে। দীর্ঘ আট দশক ধরে যার কণ্ঠের জাদুতে বুঁদ হয়েছিল গোটা বিশ্ব, সেই কিংবদন্তি আজ চিরশান্তির দেশে। রোববার (১২ এপ্রিল) মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ৯২ বছর বয়সী এই সুর-জাদুকরী।

কখনও চঞ্চল কিশোরীর খিলখিল হাসি, কখনও বিরহী হৃদয়ের গুমরে মরা হাহাকার, তার কণ্ঠের বৈচিত্র্য ছিল স্রষ্টার এক বিস্ময়কর আশীর্বাদ। তার প্রয়াণে ভারতীয় সংগীতের একটি স্বর্ণযুগের অবসান ঘটলো। প্রিয় 'আশা ভোঁসলে’ তাই তার বিদায়ে শোকস্তব্ধ গোটা বিনোদন দুনিয়া। এ আর রহমান, শ্রেয়া ঘোষাল, সেলিম মার্চেন্ট এবং শঙ্কর মহাদেবনসহ অগণিত শিল্পী ও অনুরাগী জানিয়েছেন তাদের অশ্রুসিক্ত শ্রদ্ধা।

আশা ভোঁসলেকে স্মরণ করে শ্রেয়া তার নিজের সোশ্যাল হ্যান্ডেল ফেসবুকে লিখেছেন, ‘আজ আমরা এমন এক কণ্ঠস্বরকে হারালাম যা কয়েক প্রজন্মকে পথ দেখিয়েছে। আশা ভোঁসলে শুধু কিংবদন্তি ছিলেন না, তিনি ছিলেন অসীম। তাঁর বহুমুখী প্রতিভা আমাদের সংগীতের আত্মার অংশ। আমরা সত্যিই ভাগ্যবান যে তাঁর মতো এক প্রতিভাকে চোখের সামনে দেখার সুযোগ পেয়েছি।‘

সুরকার এ আর রহমান একটি ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, ‘তিনি নিজের কণ্ঠস্বর নিয়ে চিরকাল আমাদের মধ্যে বেঁচে থাকবেন। কী অসাধারণ একজন শিল্পী!’

অন্যদিকে, সুরকার শঙ্কর মহাদেবন বলেছেন, ‘তিনি আমাদের হৃদয়ে অমর হয়ে রইলেন।‘

সুরকার সেলিম মার্চেন্ট তাঁর বার্তায় লিখেছেন, ‘একটি যুগের শেষ হয় না, তা প্রতিধ্বনিত হতে থাকে। প্রতিটি সুরে প্রাণ দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ আশা জি।‘

এছাড়া প্রথম ইন্ডিয়ান আইডল অভিজিৎ সাওয়ান্ত বলেন, ‘কিংবদন্তিরা কখনও সত্যিই চলে যান না। আজীবন সুর উপহার দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। ওম শান্তি।‘

উল্লেখ্য, ১৯৩৩ সালের ৮ সেপ্টেম্বর জন্ম গ্রহণ করেন আশা ভোঁসলে। মাত্র ১০ বছর বয়সে গাছের তলায় দাঁড়িয়ে ট্রেনের আওয়াজের মধ্যে প্রথম গান রেকর্ড করেছিলেন তিনি। সেই শুরু, তারপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।

২০টিরও বেশি ভাষায় ১২ হাজারেরও বেশি গান গেয়ে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম তুলেছিলেন তিনি। ‘দম মারো দম’ থেকে ‘চুরা লিয়া হ্যায় তুমনে’, কিংবা ‘দিল চিজ কেয়া হ্যায়’ কিশোর কুমার, মান্না দে বা মহম্মত রফিদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে গান গেয়েছেন তিনি।

ভারত সরকার তাকে ‘দাদাসাহেব ফালকে’ এবং ‘পদ্মবিভূষণ’ সম্মানে ভূষিত করেছিল। সুরের আকাশ আজ ম্লান, কিন্তু তার রেখে যাওয়া কয়েক হাজার গান অমর হয়ে থাকবে প্রতিটি সংগীতপ্রেমীদের হৃদয়ে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাজনীতিতেই থাকতে চাই, চাকরি নয় : ছাত্রদল নেতার আবেগঘন স্ট্যাটাস

কালবেলায় সংবাদ প্রকাশ / জিম্মায় নেওয়া চুরির মালামাল থানায় ফেরত দিলেন কর্মকর্তা

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারদলীয় এমপিদের সভা অনুষ্ঠিত

সকাল ৯টার মধ্যে ১৮ জেলায় ঝড়ের আভাস

পদ্মায় ডুবে যাওয়া সেই বাসের চালকসহ গ্রেপ্তার ৩ জনের জামিন

৩৫.৩ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড / সিলেটে তীব্র গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে নাহিদ ইসলামের বৈঠক

মধ্যরাতে দেশে পৌঁছাবে লেবাননে নিহত ২ বাংলাদেশির মরদেহ

শেষ মুহূর্তে বড় ধাক্কা, আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডারের বিশ্বকাপ শেষ

বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল ৩ অটোরিকশা যাত্রীর

১০

রোগীকে আটকে ইনজেকশন পুশের টাকা দাবি, নার্সকে শোকজ  

১১

গৃহকর্মী থেকে মন্ত্রী : কলিতা মাঝির উত্থানের গল্প

১২

নিউমার্কেট এলাকায় ফুটপাত দখলমুক্ত করল চসিক

১৩

এসএসসি পরীক্ষার্থীকে বলাৎকার, আ.লীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ২

১৪

তুরস্কের প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর

১৫

ব্রাজিলের সামনে এবার মিসর

১৬

আগামী পাঁচ দিন কেমন থাকবে আবহাওয়া, জানাল অধিদপ্তর

১৭

ফ্ল্যাটে মিলল গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ, শরীরে আঘাতের চিহ্ন

১৮

সিলেটের কৃষিপণ্য বিদেশে রপ্তানির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে : সিসিক প্রশাসক

১৯

আসছে পূর্ণ সূর্যগ্রহণ, দিনে-দুপুরে নেমে আসবে অন্ধকার

২০
X