

ছোট পর্দার অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী আফরা ইবনাত খান ইকরার আত্মহত্যা নতুন রহস্যের জন্ম দিয়েছে। তার ঘনিষ্ঠরা বলছেন, ইকরা মোটেও আত্মহত্যা করার মতো মানুষ ছিলেন না। শেষ সময় ফোনে আলভীর কিছু কথাই ইকরার জন্য সহ্য করা কঠিন হয়ে গিয়েছিল। আমরা সবাই নিশ্চিত না, তবে এটি জানা জরুরি।
রোববার (১ মার্চ) ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ইকরার ময়নাতদন্ত হওয়ার কথা রয়েছে। এদিকে রোববার শুটিংয়ের কাজে নেপালে থাকা জাহের আলভীর দেশে ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে আজ।
এর আগে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে ১২টায় রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসায় ইকরার মৃত্যু ঘটে।প্রাথমিকভাবে পুলিশ ঘটনার বিষয়টি আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করে।
অন্যদিকে ইকরার ঘনিষ্ঠ বান্ধবী সামিয়া আলম অভিযোগ করেছেন, ঘটনার সময় ইকরার সঙ্গে ফোনে আলভী কথা বলছিলেন। সামিয়া বলেন, ইকরা মোটেও আত্মহত্যা করার মতো মানুষ ছিলেন না। ওই সময় ফোনে আলভীর কিছু কথাই ইকরার জন্য সহ্য করা কঠিন হয়ে গিয়েছিল। আমরা সবাই নিশ্চিত না, তবে এটি জানা জরুরি।
জানা গেছে, ইকরা, সামিয়া আলম ও খাদিজা লুপিন—তিনজনের বন্ধুত্ব প্রায় ১১ বছরের। তারা একটি ফেসবুক গ্রুপে নিয়মিত যোগাযোগ করতেন। ঘটনার দিন সকালে সেখানে কথোপকথনও হয়েছিল।
সামিয়া আলম বলেন, “আমরা ২৪ ঘণ্টাই গ্রুপে কানেক্টেড থাকি। সকাল ১০টা ৪৬ মিনিটে ইকরা লিখেছিল, সে নেপাল যাবে। আমরা ভেবেছিলাম, তখন ওর মাথা গরম আছে। তাই বললাম, ঠিক আছে, তুই যাইস। এরপর সে আর কিছু লেখেনি। দুপুর ১টা ২৭ মিনিটে লুপিন নক করে জিজ্ঞেস করলে, ‘তুই কোথায়?’—এ সময় পর্যন্ত যা হওয়ার তা হয়ে গেছে।”
ঘটনার সময় ইকরার সন্তান রিজিক বাসায় ছিলেন। সামিয়া জানান, ইকরা আলভীর দেশে ফেরার পর তারা এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর কথা বলছিলেন। ইকরা বলছিলেন, আমি আলভীকে ডিভোর্স দিয়ে দেব। এছাড়াও ব্যবসা, সন্তান রিজিককে কার কাছে রাখবে—সবই তাদের আলোচনার বিষয় ছিল।