

দেশজুড়ে তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে এয়ার কন্ডিশনার (এসি) ব্যবহারের প্রবণতা। যদিও অনেকেই অভিযোগ করেন, এসি চালালেই বিদ্যুৎ বিল বেড়ে যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিছু সহজ কৌশল মেনে চললে কম খরচে ঘর ঠাণ্ডা রাখা সম্ভব।
প্রথমত, এসির তাপমাত্রা ২৪-২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সেট রাখা সবচেয়ে কার্যকর। এতে বিদ্যুৎ খরচ কম হয় এবং শরীরের জন্যও আরামদায়ক থাকে। অনেকেই দ্রুত ঠাণ্ডা পেতে তাপমাত্রা খুব কমিয়ে দেন, যা অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ অপচয় বাড়ায়।
দ্বিতীয়ত, ঘরের দরজা-জানালা ভালোভাবে বন্ধ রাখা জরুরি। ঠাণ্ডা বাতাস বাইরে বের হয়ে গেলে এসিকে বেশি পরিশ্রম করতে হয়, ফলে বিদ্যুৎ বিলও বেড়ে যায়।
তৃতীয়ত, এসির সঙ্গে সিলিং ফ্যান ব্যবহার করলে ঠাণ্ডা বাতাস দ্রুত পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। এতে এসিকে দীর্ঘ সময় চালানোর প্রয়োজন হয় না।
এছাড়া নিয়মিত এসির ফিল্টার পরিষ্কার রাখাও গুরুত্বপূর্ণ। ময়লা জমে থাকলে এসির কার্যকারিতা কমে যায় এবং বেশি বিদ্যুৎ খরচ হয়।
বিশেষজ্ঞরা আরও পরামর্শ দেন, সরাসরি রোদ পড়ে এমন ঘরে পর্দা ব্যবহার করা উচিত। এতে ঘরের ভেতরের তাপমাত্রা কম থাকে এবং এসির ওপর চাপ কম পড়ে।
রাতে ঘুমানোর সময় টাইমার বা স্লিপ মোড ব্যবহার করাও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের ভালো উপায়। এতে নির্দিষ্ট সময় পর এসি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
সব মিলিয়ে, সচেতন ব্যবহার ও কিছু সহজ অভ্যাসের মাধ্যমে তীব্র গরমেও কম খরচে ঘর ঠাণ্ডা রাখা সম্ভব বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।