কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:৪০ এএম
অনলাইন সংস্করণ

২০ হাজার বৈধ অস্ত্র জমা পড়েনি

গ্রাফিক্স : কালবেলা
গ্রাফিক্স : কালবেলা

সরকারের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে ২০ হাজার ২৮৮টি বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র জমা পড়েনি। এসব অস্ত্র জমা দেওয়ার জন্য ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছিল। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করার লক্ষ্যে এমন উদ্যোগ নিয়েছিল সরকার।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মো. ফারুক হোসেন বলেন, সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যেসব বৈধ অস্ত্র ডিএমপির বিভিন্ন থানায় জমা পড়েনি, সেগুলো এখন অবৈধ অস্ত্র। এসব অস্ত্রের মালিকদের তালিকা করে তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে অস্ত্রসহ তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে।

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম মঙ্গলবার রাতে বলেন, যারা বৈধ অস্ত্র জমা দেয়নি, তারা এ নিয়ে ভোটে সহিংসতা করতে চাইলে তাদের গ্রেপ্তার করা হবে।

পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলেছেন, ভোটের মাঠে এসব আগ্নেয়াস্ত্র যাতে সহিংসতায় ব্যবহার না হয়, সেজন্য গোয়েন্দা নজরদারির পাশাপাশি অস্ত্রের মালিকদের গ্রেপ্তারেও অভিযান চালানো হচ্ছে।

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানায়, সারা দেশে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নামে ৫৩ হাজার ৭০২টি আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ব্যক্তির নামে ৪৮ হাজার ২৮৩টি, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নামে ৪ হাজার ৮৫৪টি এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে ৫৬৫টি। এর মধ্যে শুধু ব্যক্তির নামে লাইসেন্স করা অস্ত্র জমা দিতে বলা হয়েছিল।

তবে সরকারের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে (৩১ জানুয়ারি) দেশের বিভিন্ন থানায় ২৭ হাজার ৯৯৫টি বৈধ বা লাইসেন্স করা অস্ত্র জমা পড়ে। ২০ হাজার ২৮৮টি অস্ত্র এখনো জমা পড়েনি। আদেশ লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইন ১৮৭৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে।

জমা না হওয়া আগ্নেয়াস্ত্রের মধ্যে আওয়ামী লীগের মেয়াদে লাইসেন্স পাওয়া অস্ত্রই বেশি বলে জানা গেছে। এসব অস্ত্রের মালিকদের অনেকেই বিদেশে পালিয়ে গেছেন। দেশের ভেতরে অনেকে গা ঢাকা দিয়ে আছেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় আন্দোলন দমাতে অনেককে বৈধ অস্ত্র ব্যবহার করতে দেখা গেছে।

উল্লেখ্য, গত ১৮ জানুয়ারি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ঘোষিত তফসিল অনুসারে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আগ্নেয়াস্ত্রের বহন-প্রদর্শন নিষিদ্ধ থাকবে। তবে ‘রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ ও জাতীয় সংসদ সদস্য পদ প্রার্থীদের অনুকূলে নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী বৈধ অস্ত্রের ক্ষেত্রে এ নির্দেশনা প্রযোজ্য হবে না। সূত্র : প্রথম আলো

কালবেলা/এমএসকেএম
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

গাজীপুরে গারদখানা থেকে পালানো আসামি ময়মনসিংহে গ্রেপ্তার

নিকারাগুয়ার প্রেসিডেন্ট ওর্তেগা / দুই দশক ক্ষমতায় থাকায় পর ঘোষণা দিলেন ‘আর কোনো নির্বাচন হবে না’

জিয়াউর রহমানের হত্যাকারী মোজাফফরের আশ্রয়দাতা নিয়ে রিজভীর প্রশ্ন 

ষড়যন্ত্রে হতাশ নয় ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: রিজভী

বিশ্বকাপ ফাইনাল নিয়ে তর্কাতর্কির জেরে সংঘর্ষ, আহত মা-মেয়ে

এআই দিয়ে তৈরি ভিডিও চেনার ৩ উপায়

৮ ঘণ্টা পর স্বাভাবিক রাজশাহীর রেল যোগাযোগ

আরব আমিরাতের উপকূলে জাহাজে হামলা

বায়োডাটায় এখনো ‘অবিবাহিত’ সেই মরিয়ম

দিল্লির আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সংহতি

১০

টেকনাফে অনুপ্রবেশ, মিয়ানমারের জান্তা বাহিনীর ৩ সদস্য আটক

১১

জামায়াত এমপির ভিডিওকাণ্ডে এবার আরেক নেত্রীর যোগসূত্র 

১২

খেলতে বের হয় ২ বোন, পুকুরে মিলল মরদেহ

১৩

আফগানিস্তানে আকস্মিক বন্যায় নিহত ২০, নিখোঁজ শতাধিক

১৪

হোটেলকক্ষে গোপন ক্যামেরা? মোবাইল দিয়ে শনাক্ত করবেন যেভাবে

১৫

অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেশন প্রতিষ্ঠার ১২৫ বছরপূর্তি / তরুণ নেতৃত্বে গুরুত্ব ও নাগরিক শিক্ষা জোরদারের আহ্বান

১৬

ইরানের সাম্প্রতিক হামলায় মার্কিন সেনা হতাহতের সংখ্যা জানাল পেন্টাগন

১৭

সেই জামায়াত এমপির দ্বিতীয় বিয়ের তারিখ নিয়ে বিভ্রান্তি

১৮

জুলাই আন্দোলনে শহীদ মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ‘পূর্ণাঙ্গ তালিকা’ প্রকাশ করল সাআস

১৯

যুক্তরাজ্যে বেকারত্ব বেড়ে ৪.৯ শতাংশ

২০
X