

চলতি বছরের (১৪৪৭ হিজরি/২০২৬) জাকাত এবং ফিতরার নেসাব ও পরিমাণ ঘোষণা করেছে রাজধানী ঢাকার জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়ার ফতোয়া বিভাগ।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ বছরের জাকাত ও ফিতরার নেসাব ঘোষণা করে প্রতিষ্ঠানটি।
প্রতিষ্ঠানটির দারুল ইফতা জানায়, ইসলামি শরিয়তের মানদণ্ড অনুযায়ী ৫২.৫ ভরি রূপার মূল্য ধরে এ বছর জাকাত-ফিতরার নেসাব দাঁড়ায় ২,৩০,০০০ টাকা।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়েশনের ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের ঘোষিত মূল্য তালিকা অনুযায়ী স্বর্ণালংকারের জাকাত আদায়ের হিসাব (রাহমানিয়া)
| স্বর্ণ | বাজারমূল্য (প্রতি ভরি) | ১৫% বাদে জাকাতযোগ্য মূল্য (প্রতি ভরি) |
| ২২ ক্যারেট | ২৫৮৮২৫টাকা | ২২০০০০ টাকা |
| ২১ ক্যারেট | ২৪৭১০০ টাকা | ২১০০০০ টাকা |
| ১৮ ক্যারেট | ২১১৭৬০ টাকা | ১৮০০০ টাকা |
| সনাতন | ১৭৩৩৩০ টাকা | ১৫০০০০ টাকা |
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, উপরিউক্ত জাকাতযোগ্য মূল্যের ভিত্তিতে মোট স্বর্ণমূল্যের ওপর ২.৫% হারে জাকাত দিতে হবে।
সদকায়ে ফিতরের হিসাব (রাহমানিয়া আরাবিয়া)
| খাদ্যদ্রব্য | পরিমাণ | প্রতি কেজি দর | ১টি ফিতরা |
| কিশমিশ | ৩.৩ কেজি | ৮৫০/= | ২৮০০/= |
| পনির | ৩.৩ কেজি | ৮০৩/= | ২৬৫০/= |
| খেজুর | ৩.৩ কেজি | ৬০৬/= | ২০০০/= |
| যব | ৩.৩ কেজি | ১৩৬/= | ৪৫০/= |
| গম/ আটা | ১.৬৫ কেজি | ৬০/= | ১০০/= |
দারুল ইফতার প্রধান মুফতি মনসূরুল হক স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রুপার দরে স্থানীয়ভাবে তারতম্য হতে পারে; তাই প্রত্যেকে নিজ এলাকায় বাজারদর যাচাই করে জাকাত পরিশোধ করবেন।
উল্লেখ্য, জাকাত ফরজ হওয়ার জন্য বছরের শুরু ও শেষে পূর্ণ নিসাব মালিকানায় থাকা শর্ত (বছরের মাঝখানে নিসাবের মালিক থাকুক বা না থাকুক)। তবে ফিতরা ওয়াজিব হওয়ার জন্য কেবল ঈদুল ফিতরের দিন সুবহে সাদিকের সময় নিসাবের মালিক হওয়াই যথেষ্ট।