বাসস
প্রকাশ : ১৪ মার্চ ২০২৬, ০৫:৩৬ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং বিভিন্ন ধর্মের ধর্মীয় নেতাদের সরকারি সম্মানি প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান | ছবি : সংগৃহীত
রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং বিভিন্ন ধর্মের ধর্মীয় নেতাদের সরকারি সম্মানি প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান | ছবি : সংগৃহীত

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার জন্য শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, আমরা আজ সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে বসেছি। এক কাতারে রয়েছি। এটিই আমাদের আবহমানকালের ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশ। কেউ যেন আমাদের মধ্যে বিভেদ-বিরোধ সৃষ্টি করতে না পারে।

শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল সোয়া ১১টার দিকে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবায়েত ও বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষদের সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বগুড়ার বায়তুল রহমান সেন্ট্রাল মসজিদের ইমাম হোসাইন আহমেদ আবদুল্লাহর হাতে সম্মানীর চেক তুলে দিয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। পরে আইবাস (iBAS) সিস্টেমে ‘সেন্ড’ বাটন চাপ দিয়ে নির্ধারিত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সম্মানীর অর্থ পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন ধর্মের ধর্মীয় নেতাদের জন্য আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সারাদেশে যাদের প্রয়োজন তাদের সবাইকে এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।

মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ কিংবা খ্রিস্টান—বিশ্বাসী-অবিশ্বাসী সবাই মিলেই ভালো থাকব উল্লেখ করে তিনি বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। নাগরিকদেরও রাষ্ট্র ও সমাজের প্রতি দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করলে আগামী ১০ বছরে বাংলাদেশ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে আরও স্বনির্ভর হয়ে উঠবে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, কর্মসূচির প্রথম ধাপে পাইলটিং স্কিমের আওতায় দেশের ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদ, ৯৯০টি মন্দির এবং ১৪৪টি বৌদ্ধ বিহারের মোট ১৬ হাজার ৯৯২ জন ধর্মীয় নেতা মাসিক সম্মানী পাচ্ছেন। পর্যায়ক্রমে আরও অনেককে এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।

তিনি বলেন, নাগরিকদের দুর্বল রেখে কোনো রাষ্ট্র শক্তিশালী হতে পারে না। দেশের প্রতিটি নাগরিকের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করেই একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র গড়ে তোলা সম্ভব।

ধর্মীয়, সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিহিংসা ও সহিংসতামুক্ত একটি নিরাপদ সমাজ গঠনে ধর্মের উদারনৈতিক শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এজন্য সমাজে মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় ধর্মীয় নেতাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শুরুতেই ধাক্কা, হেক্সা মিশন সফল করতে পারবে ব্রাজিল?

জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

চাকরির ইন্টারভিউতে বেতনের প্রশ্নের উত্তর দেবেন যেভাবে

বিশ্বকাপে ৯২ বছরের রেকর্ড অক্ষুণ্ন রাখল ব্রাজিল

মাস শেষে টাকা থাকে না? মধ্যবিত্তের ৭ সাধারণ ভুল

হাইভোল্টেজ ম্যাচে ব্রাজিলকে জিততে দিল না মরক্কো

ছুটির আবেদন মঞ্জুর করানোর বিশেষ ৮ কৌশল

শেষ পর্যন্ত ‘পল্টি’ই মারলেন সাকিব

আজকের নামাজের সময়সূচি

জার্সি পরে নামাজ পড়া কি বৈধ?

১০

ব্রাজিল-মরক্কোর শেয়ানে শেয়ানে টক্কর

১১

ব্রাজিলকে সমতায় ফেরালেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র

১২

ব্রাজিলের জালে গোল মরক্কোর

১৩

মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলের শুরুর একাদশে আছেন যারা

১৪

শেষ মুহূর্তের গোলে সুইসদের জয় বঞ্চিত করে কাতারের ইতিহাস

১৫

এখনো বিয়েই করিনি, গণঅধিকারের কিছু নেতা গুজব ছড়াচ্ছেন : মনিরা শারমিন

১৬

এমবোলোর সফল স্পট-কিকে এগিয়ে সুইজারল্যান্ড

১৭

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জয়ে ২ কোটি বোনাস পাচ্ছেন মিরাজরা

১৮

‘এগিয়ে চলো ব্রাজিল’, হুঙ্কার ছুড়লেন নেইমার

১৯

ভারতের বোলারদের পিটিয়ে গুরবাজের ৪৮ বলে সেঞ্চুরি

২০
X