বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩
ডেভিড রুদ্র রাফসান
প্রকাশ : ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪১ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

এআই যুগ: তাকাতে হবে অন্য দিগন্তে

প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

সময় এখন এআই প্রযুক্তির। চিকিৎসা, শিক্ষা ও ব্যবসায় প্রতিনিয়ত বিপ্লব ঘটাচ্ছে এই প্রযুক্তি। মানুষের কাজকে সহজ, দ্রুত ও নিখুঁত করে উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে। দৈনন্দিন জীবনকে করে তুলছে আরও আধুনিক। একই সঙ্গে এটি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছে বিভিন্ন নিরাপত্তাজনিত ইস্যুতে। ব্যবহৃত হচ্ছে যুদ্ধ-বিগ্রহসহ গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে। ধীরে ধীরে এর প্রভাব বাড়ছে সর্বক্ষেত্রে। ফলে আঞ্চলিক ও ভূরাজনৈতিক ইস্যুতেও এআই প্রযুক্তিকেন্দ্রিক উদ্যোগগুলো বিশেষভাবে ভাবার সময় এসেছে।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সফর নয়াদিল্লিতে হতে পারে বলে গুঞ্জন রয়েছে। এই গুঞ্জন বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে স্বভাবতই কিছু পরিচিত ও আলোচিত বিষয়ের ওপর মনোযোগ বাড়ছে। এর মধ্যে বাণিজ্য, সীমান্ত, সংযোগ, জ্বালানি, পানি এবং নিরাপত্তা অন্যতম। দিল্লী সফর হলে এ বিষয়গুলো অপরিহার্যভাবেই গুরুত্ব পাবে। তবে এখানে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি। সেটা হচ্ছে, যে কূটনীতি শুধু বর্তমানের এজেন্ডাকেই গুরুত্ব দেয়, তা কখনো কখনো ভবিষ্যৎ বাস্তবতা বুঝতে ব্যর্থ হতে পারে কিংবা ভবিষ্যতে সেই বাস্তবতার কাছে পৌঁছাতে অনেক বিলম্ব হতে পারে—এ বিষয়টি উপলব্ধি করা।

প্রধানমন্ত্রীর দিল্লী সফর ঘিরে আলোচিত এজেন্ডায় বেশকিছু বিষয় থাকলেও এখনও অনুপস্থিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি। যেটি দিল্লী সফরে আলোচনার টেবিলে স্থান পাওয়া অত্যন্ত জরুরি ও সময়োপযোগী।

সম্প্রতি এআই প্রযুক্তিবিষয়ক জাপান-ভারত অংশীদারত্বর কথা ভাবা যেতে পারে। এটি শুধু একটি প্রযুক্তি চুক্তি নয়। নিঃসন্দেহে এরচেয়ে বেশি কিছু। চুক্তিটি দুদেশের মধ্যকার কৌশলগত প্রভাব ও সম্পর্ককে নতুনভাবে বোঝাপড়ার আভাস দেয়। অবকাঠামো এখন আর শুধু বন্দর, রেলপথ বা বিদ্যুৎ গ্রিডের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। আজকের দিনে দ্রুত সে দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তিত হচ্ছে। আজকাল অবকাঠামো বলতে বোঝানো হয় ডেটা, কম্পিউটিং শক্তি, নির্ভরযোগ্য ডিজিটাল নেটওয়ার্ক এবং অন্যদের আগে প্রযুক্তিগত নিয়মকানুন ও কাঠামো তৈরির সক্ষমতাকেও। এ পরিবর্তনকে এড়িয়ে যাওয়ার কোনো উপায় নেই। ফলে বাংলাদেশের এ বিষয়টি বোঝা উচিৎ।

ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল জুড়ে ধীরে ধীরে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, শিল্প প্রতিযোগিতা এবং ভূ-রাজনৈতিক প্রভাবের একটি হাতিয়ারে পরিণত হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। ফলে যে দেশগুলো এই ইকোসিস্টেম তৈরিতে সাহায্য করবে এবং যুক্ত থাকবে, তারাই সম্ভবত এর মানদণ্ড নির্ধারণ করবে বা এই প্রক্রিয়ায় প্রভাব রাখতে পারবে। আর যারা শুধু এই সুবিধা ব্যবহার করবে, তারা হয়তো ভবিষ্যতে অন্যের ওপর নির্ভরতা ছাড়া কিছু দেখবে না। ফলে এ বিষয়ে বাংলাদেশের মনোযোগ বাড়ানোর ক্ষেত্রে যথেষ্ট বাস্তবতা রয়েছে।

বলা বাহুল্য, ডিজিটাল রূপান্তরের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অনেক এগিয়েছে। ডিজিটাল ফিন্যান্স, ই-গভর্নেন্স, সম্প্রসারণশীল আইসিটি খাত এবং ক্রমবর্ধমান উদ্যোক্তা প্রযুক্তি কমিউনিটি বাংলাদেশকে একটি মজবুত ভিত্তি প্রদান করেছে। বলার অপেক্ষা রাখে না, স্মার্ট বাংলাদেশের রূপকল্প এই অগ্রযাত্রাকেই প্রতিফলিত করে। তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাটি একটি ভিন্ন শ্রেণীর অন্তর্গত। এর জন্য প্রয়োজন কম্পিউটিং সক্ষমতা, ডেটা অবকাঠামো, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বিশেষায়িত প্রতিভা এবং শাসন কাঠামোতে ধারাবাহিক বিনিয়োগ। আর এই সম্পদগুলো একা একা একত্রিত করা কঠিন। কারণ এগুলো গড়ে ওঠে পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা এবং দীর্ঘমেয়াদী কৌশলগত অংশীদারত্বের নেটওয়ার্কের মাধ্যমে।

এখানেই ক্রমশ বিকশিত হওয়া জাপান-ভারত অংশীদারত্ব প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে। এ অংশীদারত্ব শুধুমাত্র বাহ্যিক কোনো বিষয় নয়। এটিকে বাহ্যিকভাবে পুরোটা বোঝাও সম্ভব নয়। ফলে এটি এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পরিণত হচ্ছে, যেখানে বাংলাদেশের সম্পৃক্ত হওয়ার আন্তরিক প্রচেষ্টা থাকা উচিত।

বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক দিক হচ্ছে জাপান ও ভারত উভয় দেশের সঙ্গেই তার গভীর সম্পর্ক রয়েছে। জাপান বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন অংশীদার। এদিকে ভারত তার নিকটতম প্রতিবেশী এবং একটি ক্রমবর্ধমান গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও কৌশলগত মধ্যস্থতাকারী দেশ। সম্পর্কগুলোর মধ্যে এ অগ্রগতি বেশ কিছু সম্ভাবনা তৈরি করে, যা প্রচলিত উন্নয়ন সহযোগিতার গণ্ডি ছাড়িয়ে যায়।

এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপায়টি হচ্ছে ভাষা। জাপান-ভারত উদ্যোগটি বহুভাষিক এআই প্রযুক্তির ওপর যথেষ্ট গুরুত্ব দেয়। ফলে বাংলাদেশের জন্য এর একটি বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। একথা ভুললে চলবে না যে, বাংলা বিশ্বের অন্যতম বহুল প্রচলিত ভাষা হওয়া সত্ত্বেও ডিজিটাল মাধ্যমে এর প্রতিনিধিত্ব এবং এর পথ এখনও মসৃণ নয়। এআই সিস্টেমে যেসব ভাষার উপস্থিতি অপর্যাপ্ত থাকবে, সেসব ভাষা জ্ঞান, বাণিজ্য এবং জনসেবার মতো ক্রমবর্ধমান প্রযুক্তিগুলোতে প্রান্তিক হয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে।

এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও ভারতের বিশ্ববিদ্যালয় এবং গবেষণা কেন্দ্র ও প্রযুক্তি সংস্থাগুলোর মধ্যে সহযোগিতা সম্পর্ক খুব জরুরি। কারণ সহযোগিতাপূর্ণ এ সম্পর্ক বাংলা ভাষার ডেটাসেট, স্পিচ রিকগনিশন, অনুবাদ সরঞ্জাম এবং সরকারি খাতের অ্যাপ্লিকেশনগুলোকে শক্তিশালী করতে পারে। এ ধরনের পারস্পরিক সহযোগিতা শুধু ভাষাগত অন্তর্ভুক্তিকেই নিশ্চিত করবে না। এটি একটি দেশের ডিজিটাল প্রতিনিধিত্ব এবং স্বায়ত্তশাসনও প্রসারিত করবে।

বাংলাদেশের জন্য আর একটি সুযোগ ও সম্ভাবনার নাম দেশটির মানব সম্পদ। ভারত এরইমধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিভার এক বৈশ্বিক ভান্ডার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তার ওপর জাপান উন্নত ডিজিটাল দক্ষতার ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে ভারতের সঙ্গে অংশীদারত্ব আরও গভীর করে চলেছে। এদিকে বাংলাদেশে তরুণ প্রকৌশল ও কম্পিউটার বিজ্ঞান স্নাতকদের একটি বিরাট সংখ্যা রয়েছে। গবেষণা বিনিময়, যৌথ গবেষণাগার, স্টার্টআপ অংশীদারত্ব এবং পেশাগত গতিশীলতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এ শক্তিগুলোকে সংযুক্ত করা জরুরি। এটা করা গেলে অকল্পনীয় সুফল পাওয়া সম্ভব।

একইভাবে গুরুত্বপূর্ণ সুশাসন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ন্ত্রণের কাঠামো এখনও তৈরির পর্যায়ে রয়েছে। স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, নিরাপত্তা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা সম্পর্কিত প্রশ্নগুলো বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং ডিজিটাল পরিষেবাগুলোকে ক্রমবর্ধমানভাবে প্রভাবিত করবে। এই আলোচনায় অংশগ্রহণকারী দেশগুলো এই কাঠামো নির্মাণের ক্ষেত্রে নিয়মকানুন নির্ধারণে সহায়তা করবে। আর যারা অংশগ্রহণ করবে না, খুব স্বাভাবিকভাবেই তারা শুধু এর ভোক্তা হবে। এআই কাঠামো যেভাবে তৈরি হবে, তা মেনে নিতে বাধ্য হবে তারা।

বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন থেকে শুরু করে টেকসই উন্নয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ন্যায়সঙ্গত বৈশ্বিক শাসনের পক্ষে ধারাবাহিকভাবে ভূমিকা রেখে চলেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জন্যও হয়তো দেশটির জন্য শীঘ্রই অনুরূপ একটি দূরদর্শী কূটনৈতিক অবস্থানের প্রয়োজন হতে পারে।

এদিকে এআই প্রযুক্তির সম্ভাব্য অর্থনৈতিক প্রভাবগুলোও কোনোভাবেই উপেক্ষা করার মতো নয়। বাংলাদেশ গতানুগতিক উৎপাদন খাতের বাইরে বৈচিত্র্য আনার চেষ্টা করছে। এদিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাও (এআই) কৃষি, লজিস্টিকস, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং আর্থিক পরিষেবা খাতে সুযোগ তৈরি করছে। ফলে এই সুযোগ কাজে লাগানো জরুরি। তবে মনে রাখতে হবে, এই সুবিধাগুলো বিনিময়ের মাধ্যমে অর্জনের চেয়ে এই ইকোসিস্টেমে যুক্ত হওয়া বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আর এর জন্য চাই গবেষণা, বিনিয়োগ এবং নির্ভরযোগ্য ডিজিটাল অবকাঠামোর বৃহত্তর ইকোসিস্টেমে দেশকে অন্তর্ভুক্ত করা।

একইভাবে আঞ্চলিক প্ল্যাটফর্মগুলোও আরও বেশি মনোযোগের দাবি রাখে। বিমসটেক দীর্ঘদিন ধরে বঙ্গোপসাগর অঞ্চল জুড়ে সংযোগ স্থাপনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছে। সামনের দিনগুলোতে আঞ্চলিক একত্রীকরণের ধাপগুলো হয়তো ততটা দৃশ্যমান হবে না। কিন্তু এর গুরুত্ব কোনো অংশে কম থাকবে না। কেননা সাইবার নিরাপত্তা, ডিজিটাল মান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং উদ্ভাবনী নেটওয়ার্কগুলোই হবে আঞ্চলিক একটি প্লাটফর্মে যুক্ত হওয়ার নানা ধাপ।

এসবের কোনোটিই দীর্ঘস্থায়ী দ্বিপাক্ষিক অগ্রাধিকারগুলোর গুরুত্বকে কমাবে না বা ক্ষতিগ্রস্ত করবে না। সাধারণত বাণিজ্য সুবিধা, পানি বণ্টন, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং জ্বালানি সহযোগিতা বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক বোঝার ভিত্তি বলে মনে করা হয়। কিন্তু সফল বা দূরদর্শী কূটনীতির পরিমাপ সর্বদা শুধু উত্তরাধিকারসূত্রে কিংবা ঐতিহাসিকভাবে প্রাপ্ত প্রশ্নগুলোর সমাধান দিয়েই হয় না। কখনো কখনো সমসাময়িকতার গর্ভ থেকে উঠে আসা প্রশ্নগুলো উপলব্ধি করতে হয়। আর এই উপলব্ধির ক্ষেত্রে স্বদিচ্ছা ও আন্তরিকতা একান্ত দরকার।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পরবর্তী সফর যদি সত্যিকারই নয়াদিল্লি হয়, তবে নিঃসন্দেহে এ সফরটি এসব আলোচনাকে আরও বিস্তৃত করার একটি সুযোগ এনে দেবে। মহাসড়ক ও সঞ্চালন লাইন, কম্পিউটিং পরিকাঠামো, অ্যালগরিদম, গবেষণা সহযোগিতা এবং পরবর্তী প্রজন্মের অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতাকে বাস্তবে রূপ দেবে এমন প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়েও আলোচনার অবকাশ রয়েছে।

স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক ভৌগলিক ও ঐতিহাসিকভাবে এগিয়েছে। কিন্তু সম্পর্কের পরবর্তী অধ্যায়টি হয়তো একই ধারায় এগোবে না। বরং এ সম্পর্ক রচিত হবে ক্রমশ প্রযুক্তির মাধ্যমেই। ফলে আগামীতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাই আঞ্চলিক কৌশলের অংশ হবে কি না, এটা এখন প্রশ্নের পর্যায়ে নেই। এরইমধ্যে এর পাটাতন তৈরি হয়ে গেছে। বর্তমানের প্রাসঙ্গিক প্রশ্ন হলো, বাংলাদেশ কি এটি গড়ে তোলার কাজে অংশগ্রহণ করতে চায়?

[ নিবন্ধ, সাক্ষাৎকার, প্রতিক্রিয়া প্রভৃতিতে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। দৈনিক কালবেলার সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে নিবন্ধ ও সাক্ষাৎকারে প্রকাশিত মত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে। প্রকাশিত লেখাটির ব্যাখ্যা বা বিশ্লেষণ, তথ্য-উপাত্ত, রাজনৈতিক, আইনগতসহ যাবতীয় বিষয়ের দায়ভার লেখকের, দৈনিক কালবেলা কর্তৃপক্ষের নয়। ]
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মায়ের মৃত্যুর ১২ বছর পর পিতৃপরিচয় পেল সন্তান

হঠাৎ কেন রক্তচাপ মাপার ছবি পোস্ট করলেন মার্টিনেজ?

অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের বেতন ফ্রি করার পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর

আবারও অভিনয়ে ফিরতে চান ডিজে সুমী

এবারের বিশ্বকাপে গোলের বন্যা, বাড়ছে কার্ডের ঝড়ও

বৃহস্পতিবার টানা ২৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না এক জেলায়

রাস্তায় পড়েছিল বিদ্যুতের তার, সরাতে গিয়ে প্রাণ গেল গৃহবধূর

যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক ও দামি ড্রোন ভূপাতিত করল ইরান

সংসদে তথ্যমন্ত্রী / গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নামে ১৩৭ ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত

মেসির দিকে কেন তেড়ে গিয়েছিলেন মিশরের গোলকিপিং কোচ

১০

সরকারি স্কুলের এক কোটি ২০ লাখ শিক্ষার্থীকে সুখবর দিলেন প্রধানমন্ত্রী

১১

মিশর কোচের হাতের ‘এক্স’ আকৃতি কীসের ইঙ্গিত?

১২

দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে সবার আগে বাংলাদেশকে প্রাধান্য দিতে হবে: ডা. জাহেদ উর রহমান

১৩

ইরান ইস্যুতে স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

১৪

মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম / সংসদ ভবনে আমেরিকার স্বাধীনতা দিবস উদযাপন দেশের বিরুদ্ধে গভীর চক্রান্ত

১৫

স্টেশন পরিষ্কার করে জমানো টাকা নিতেই হামলা, কেড়ে নিল প্রাণ

১৬

আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচ ঘিরে শিক্ষার্থীকে মারধর

১৭

ছেলেকে নিয়ে একসঙ্গে বিষপান, মায়ের মৃত্যু

১৮

উগ্রবাদী সন্দেহে দুই সদস্য ফের রিমান্ডে, চারজন কারাগারে

১৯

ইতিহাসে প্রথমবার সিনেমার নায়িকা এআই অভিনেত্রী

২০
X