বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্যারিস্টার মাহাবুবুর রহমান
প্রকাশ : ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩৪ পিএম
আপডেট : ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫৫ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

সরকারি ব্যানারে ছবি সরানোর পেছনের রহস্য ও তারেক রহমানের ব্র্যান্ডিং!

ব্যারিস্টার মাহাবুবুর রহমান। ছবি : সংগৃহীত
ব্যারিস্টার মাহাবুবুর রহমান। ছবি : সংগৃহীত

নতুন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অনেক আশা নিয়ে জাতি তাকে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করেছে। দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসন ও লুটপাটে জীর্ণ অর্থনীতি। শিক্ষা-সংস্কৃতি নিম্নমুখী। সবখানেই হাহাকার। রাষ্ট্র, প্রতিষ্ঠান ও সরকারের সব কাঠামোতেই অবিশ্বাসে ভরপুর। ফ্যাসিবাদের দোসর ও গুপ্ত-সুপ্ত কিংবা লুটপাটে প্রশাসন বিপর্যস্ত। প্রধানমন্ত্রীর অফিস, সচিবালয় থেকে শুরু করে উপজেলা প্রশাসনে মানুষের আস্থা ফেরানোর সব চেষ্টাতেই কোনো কোনো মহল থেকে তুমুল সমালোচনার সূত্রপাত হয়।

মোদ্দাকথা, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি এমন এক সময় সরকার গঠন করেছে, যখন দেশের সবকিছুই যেন এলোমেলো। ফ্যাসিবাদ শক্তি রাষ্ট্র কাঠামোকে দুর্বল করে দিয়ে গেছে। শৃঙ্খলা বা জনআস্থা ফেরানোর সব চেষ্টাতেই যেন সফল হওয়া অসম্ভব প্রায়। এরপর ২০ বছর পর ক্ষমতায় আসা বিএনপির দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের ক্লান্তি ও রাষ্ট্র পরিচালনার অনভিজ্ঞতার বিষয়টিও প্রণিধানযোগ্য।

এমন একটি পরিস্থিতিতে মূলত বাংলাদেশের মানুষ আস্থা রেখেছে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উত্তরসূরি তারেক রহমানের ওপর। প্রশ্ন উঠতে পারে- শুধু দুই রাষ্ট্রনায়কের সন্তান হওয়ার কারণেই কি তারেক রহমানের ওপর মানুষ আস্থা রেখেছে গত ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে। এক কথায় এর উত্তর দেওয়া যাবে না। তবে ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ দর্শনের প্রতিষ্ঠাতা ও ধারকের সন্তান হিসেবে তারেক রহমান নিজেকে তাদের যোগ্য উত্তরসূীর হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছেন বলেই তিনি আজ প্রধানমন্ত্রী।

সহজভাবে বলতে গেলে তৃণমূল থেকে রাজনীতিতে যোগদান, তৃণমূলের রাজনীতিকে ঢেলে সাজানো, জুলুম-নিপীড়নের শিকার হওয়া এবং দীর্ঘ নির্বাসিত জীবনে বাংলাদেশের মানুষের মুক্তির আন্দোলনে সফল নেতৃত্ব প্রদানের কারণেই তারেক রহমানের ওপর বাংলাদেশের মানুষ আস্থা রেখেছে।

এবার লেখার শিরোনামে আসি। রোববার (৫ জুলাই) বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিপরিষদ থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকারি সব কাজের ব্যানার-ফেস্টুনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এ নিষেধাজ্ঞাটি মূলত তারেক রহমান নিজেই জরুরি ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত দিয়ে বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন।

ঘটনাটি এরকম- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুলশানের বাসা থেকে বেরিয়ে রাস্তা দিয়ে চলছেন, তখন তিনি দেখতে পান বিভিন্ন ব্যানার-ফেস্টুন-পোস্টারে সরকারি প্রকল্পের স্লোগান লেখা এবং বড় করে প্রধানমন্ত্রীর ছবি দেওয়া। প্রচারণার বিষয়ের চেয়ে তার ছবিগুলো বড় করে ছাপা হয়েছে। তিনি বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রিপরিষদের সভায় সিদ্ধান্ত নিয়ে তার ছবির বদলে প্রচারণার বিষয়কে বড় করে লেখার নির্দেশনা দিলেন।

প্রশ্ন হলো - প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞার পেছনের কারণ কী? এর মাধ্যমে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতিকে বা সরকারের সব কর্তাব্যক্তিদের কী বোঝাতে চেয়েছেন। প্রাসঙ্গিকভাবে এ বিষয়ে আলোকপাতের আগে আমি ২০১৫ সালে গণমাধ্যমে প্রকাশিত আমার একটি লেখার রেফারেন্স দিতে চাই। ‘তারেক রহমান কী রাষ্ট্রনায়ক হতে পারবেন?’ এই শিরোনামের লেখাটি পরবর্তী সময় আমার লেখা বই ‘তারেক রহমান ও বাংলাদেশ’-এ ২০১৭ সালে প্রকাশিত হয়। বইটির প্রকাশনা অনুষ্ঠান হয়েছিল লন্ডনের বিখ্যাত ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন (ইউসিএল)-এ। যেখানে তারেক রহমান এবং তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান উপস্থিত ছিলেন। ওই বই প্রকাশের পর শুধু এই একটি আর্টিকেলের শিরোনাম নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তুলেছিলেন।

কেন তারেক রহমানের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তোলা হলো- এমন সমালোচনা করেছিলেন কেউ কেউ। মূলত আর্টিকেলটি না পড়েই শুধু শিরোনাম দেখেই তারা ভুল মতামত দিয়েছিলেন। যাই হোক, মূলত ওই আর্টিকেলে তুলে ধরা বিষয়গুলোর ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ হিসেবেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘এই ছবি ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞাসহ নানাবিধ জনমুখী’ উদ্যোগ নিচ্ছেন।

ওই আর্টিকেলে মহামনীষী অ্যারিস্টটলের একটি উক্তি রেফার করা হয়েছিল। যেখানে অ্যারিস্টটল বলেন, ‘রাষ্ট্রনায়ক তার সহনাগরিকদের (সহকর্মী) নির্দিষ্ট নৈতিক চরিত্র বিকাশে উদ্বিগ্ন থাকেন, বিশেষ করে উন্নত বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন কর্মের গুণ ও কর্মক্ষমতার বিন্যাস ঘটাতে।’

প্রকৃতপক্ষে, বাংলাদেশে চলমান রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিশৃঙ্খলার সোজাসাপ্টা কোনো সমাধান নেই। এখানে সমাজে মৌলিক মানবিক গুণসংবলিত মানুষ (নাগরিক ও নেতৃত্ব) গড়ে তোলা জরুরি। আর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মূলত সবার জন্য খাবার মেনুতে কৃচ্ছ্রসাধন, সংসদ সদস্যদের সরকারি প্লট ও গাড়ি না নেওয়া, পোস্টার-ব্যানার-ফেস্টুনে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা, প্রতিশোধের রাজনীতির পরিবর্তে সমন্বিত উদ্যোগে দেশ গঠনের আহ্বান জানানোর মতো অগণিত পদক্ষেপ এমন টার্গেট নিয়েই বাস্তবায়ন করছেন, যাতে সমাজে মানুষের মানসিক একটি পরিবর্তন ঘটে।

তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো- আমাদের দেশের স্টেকহোল্ডাররা এসব সিদ্ধান্ত অনুসরণ করার জন্য প্রস্তুত কি না? অথবা, অন্যভাবে বললে সরকারের প্রশাসন ব্যবস্থা, রাজনৈতিক দল (সরকারি দলসহ সব রাজনৈতিক দল) এবং সাধারণ মানুষ প্রধানমন্ত্রীর ইতিবাচক মানসিকতাকে ধারণ করতে পারছে কি না? প্রথমত, প্রশাসনব্যবস্থা বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনামলে দলীয়করণের কারণে ভঙ্গুর পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

এই প্রশাসনিক কাঠামোকে পুনর্নির্মাণ অত্যন্ত দুরূহ কাজ। নানা সীমাবদ্ধতা থাকার পরও সরকারের নির্বাহী ও বিচার বিভাগের প্রতি মানুষের আস্থা ফেরানোর জন্য নানামুখী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু, বিদ্যমান রাজনৈতিক কাঠামোয় ইতিবাচক ইনটেনশনকে কিছুটা দুর্বলতা বলেই গণ্য করা হয়।

যেহেতু ফ্যাসিবাদের দোসর বাদ দিলে প্রশাসনব্যবস্থা পরিচালনা করার মতো লোকবল থাকবে না, সেহেতু অপেক্ষাকৃত দক্ষদের (ফ্যাসিবাদের অপেক্ষাকৃত ছোট দোসর) দিয়ে প্রশাসন ব্যবস্থা চালানোর চেষ্টা করছে সরকার। কিন্তু এমন সফট্আ চরণকে দুর্বলতা ভেবে আবার নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নানাভাবে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছে। একইভাবে, এমন উদ্যোগে সরকারকে সহযোগিতা প্রদানে বিরোধী দল জামায়াত ও এনসিপির কোনো দায়িত্বশীল ভূমিকা দেখা যায় না।

সবচেয়ে বড় সমস্যা এখন বিদ্যমান ২০ বছর পর ক্ষমতায় আসা সরকারি দল বিএনপির কার্যক্রমে। স্থানীয় সরকারে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া এবং সংসদ সদস্যদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের যথেষ্ট অভাব দৃশ্যমান হওয়ায় দল হিসেবে বিএনপিকে খুঁজে পাওয়া কঠিন হচ্ছে। দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গৃহীত জনমুখী পদক্ষেপগুলো নিয়ে জনগণের দুয়ারে যাওয়ার সংবাদ মিডিয়ায় দৃশ্যমান নেই।

সোশ্যাল মিডিয়ায় সরকারি দলের নেতাকর্মীদের না পাওয়ার বেদনা ও দীর্ঘশ্বাস স্পষ্ট। এই জায়গা থেকে দল হিসেবে বিএনপিকে আরেও সুসংগঠিত কর্মসূচি গ্রহণ জরুরি। অন্যদিকে, বিএনপির তৃণমূলকে মনে রাখতে হবে, ২০ বছর পর বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে- এমন এক সময়ে যখন দেশের সার্বিক পরিস্থিতি ভঙ্গুর দশায় নিমজ্জিত। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আপনাদের সময় দিতে হবে। তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার পাশাপাশি তার গৃহীত ইতিবাচক কাজগুলোকে মানুষের কাছে পৌঁছাতে হবে।

খুবই লক্ষণীয় যে, সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন বিরোধী দল জামায়াত ও এনসিপি এবং নিষিদ্ধ দল আওয়ামী লীগের প্রতাপ বিরাজমান। এমন সময় অভিমান না করে স্থানীয় নেতা এবং সংসদ সদস্যদের জবাবদিহির মধ্যে এনে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পাশে দাঁড়ানো জরুরি। মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশ রাষ্ট্র এমন এক সময়ের মধ্য দিয়ে আবর্তিত হচ্ছে – এ সময় তারেক রহমান ব্যর্থ হলে বাংলাদেশ রাষ্ট্র ব্যর্থ হবে।

বিশিষ্ট রাষ্ট্র দার্শনিক জাতীয় অধ্যাপক ড. তালুকদার মনিরুজ্জামান এক-এগারো সরকারের পরবর্তী সময়ে এক সাক্ষাৎকারে আমাকে বলেছিলেন, ‘বাংলাদেশি রাষ্ট্র রক্ষার জন্য জিয়াউর রহমানের জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক দর্শন রক্ষা করা জরুরি। আর এজন্যই তারেক রহমানকে আমাদের সেভ করতে হবে।’ আমি বলবো, আজকের বাংলাদেশ রাষ্ট্র রক্ষা করতে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানকে সফল হতে হবে। তারেক রহমান ব্যর্থ হলে বাংলাদেশ রাষ্ট্র ব্যর্থ হবে।

তাহলে প্রশ্ন উঠতে পারে- কোন পথে তারেক রহমান সফল হতে পারেন? কত বছর ক্ষমতায় থাকলে তিনি সফল হবেন? মূলত ক্ষমতায় স্থায়িত্ব দিয়ে সফলতা বিচার করা যায় না। চলমান ঝুঁকিপূর্ণ বাংলাদেশ রাষ্ট্রকে একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসতে পারলে তারেক রহমান সফল হতে পারেন। আর এজন্য দরকার একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিপ্লব। একটি মৌলিক সামাজিক বিপ্লবের লক্ষ্য নিয়েই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিহিংসার রাজনীতি সম্পূর্ণভাবে বাতিল ঘোষণা করেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর পদকে ‘ক্ষমতা’ না ভেবে তিনি ‘রেসপনসিবিলিটি’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন। ঈদের ছুটিতে নিজে গিয়ে সিটি করপোরেশনের ময়লা পরিষ্কার কার্যক্রম তদারকি করেন। প্রটোকলের গাড়িবহর কমিয়ে ও ট্রাফিক আইন মেনে সড়কে চলছেন গণমানুষের সারিতে। এমনভাবে মানুষের নৈতিক ও মানবিক পরিবর্তন করতে চান তারেক রহমান। ১৭ বছর তিনি যুক্তরাজ্যে নির্বাসনে ছিলেন। উন্নত বিশ্বের নাগরিকদের নৈতিক মান ও নেতৃত্বের মানবিক গুণাবলি তিনি অবলোকন করেছেন। এজন্যই উন্নত মানসিকতার একটি জাতি গড়ে তুলতে তিনি দিন-রাত ছুটে চলছেন।

আবার অর্থনৈতিকভাবে ঘুরে দাঁড়াতে তারেক রহমান নিজস্ব উৎপাদন ব্যবস্থা ও শিল্প-কলকারখানায় সরকারি প্রণোদনার উদ্যোগ নিয়েছেন। ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিতে উন্নয়ন সহযোগিতার আহ্বান নিয়ে প্রধানমন্ত্রী সফর করেছেন মালয়েশিয়া ও চীন। এই দুদেশের সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক বিপ্লবের প্রভাব কীভাবে আমাদের অর্থনীতিতে নিশ্চিত করা যায়, তা নিয়ে তিনি মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ও চীনের রাষ্ট্রপতিসহ শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বেশকিছু চুক্তি করেছেন। উল্লেখ করা জরুরি যে, চীন, ভারত বা যুক্তরাষ্ট্রমুখিতা নয়; সবার সঙ্গেই কাজ করার আগ্রহ নিয়ে ‘সবার আগে বাংলাদেশের’ স্বার্থ নিশ্চিত করতে ছুটে চলবেন তারেক রহমান, এমনই পরিকল্পনা তার।

বাংলাদেশ রাষ্ট্রকে স্থিতিশীল ও অর্থনৈতিকভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নচারী প্রতিটি নাগরিককে প্রধানমন্ত্রী মি. রহমানের পাশে থাকা জরুরি। আসুন, আমরা তারেক রহমানের ভালো কাজের ব্র্যান্ডিং করি। নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে তার সহযাত্রী হই।

লেখক: যুক্তরাজ্যের সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও রয়টার্সের সাবেক সংবাদিক।

[ নিবন্ধ, সাক্ষাৎকার, প্রতিক্রিয়া প্রভৃতিতে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। দৈনিক কালবেলার সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে নিবন্ধ ও সাক্ষাৎকারে প্রকাশিত মত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে। প্রকাশিত লেখাটির ব্যাখ্যা বা বিশ্লেষণ, তথ্য-উপাত্ত, রাজনৈতিক, আইনগতসহ যাবতীয় বিষয়ের দায়ভার লেখকের, দৈনিক কালবেলা কর্তৃপক্ষের নয়। ]
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ভারী বর্ষণে ঘরের দেয়াল ধসে শিশুর মৃত্যু

পাকিস্তানে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নিহত ৩০

মায়ের মৃত্যুর ১২ বছর পর পিতৃপরিচয় পেল সন্তান

হঠাৎ কেন রক্তচাপ মাপার ছবি পোস্ট করলেন মার্টিনেজ?

অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের বেতন ফ্রি করার পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর

আবারও অভিনয়ে ফিরতে চান ডিজে সুমী

এবারের বিশ্বকাপে গোলের বন্যা, বাড়ছে কার্ডের ঝড়ও

বৃহস্পতিবার টানা ২৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না এক জেলায়

রাস্তায় পড়েছিল বিদ্যুতের তার, সরাতে গিয়ে প্রাণ গেল গৃহবধূর

যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক ও দামি ড্রোন ভূপাতিত করল ইরান

১০

সংসদে তথ্যমন্ত্রী / গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নামে ১৩৭ ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত

১১

মেসির দিকে কেন তেড়ে গিয়েছিলেন মিশরের গোলকিপিং কোচ

১২

সরকারি স্কুলের এক কোটি ২০ লাখ শিক্ষার্থীকে সুখবর দিলেন প্রধানমন্ত্রী

১৩

মিশর কোচের হাতের ‘এক্স’ আকৃতি কীসের ইঙ্গিত?

১৪

দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে সবার আগে বাংলাদেশকে প্রাধান্য দিতে হবে: ডা. জাহেদ উর রহমান

১৫

ইরান ইস্যুতে স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

১৬

মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম / সংসদ ভবনে আমেরিকার স্বাধীনতা দিবস উদযাপন দেশের বিরুদ্ধে গভীর চক্রান্ত

১৭

স্টেশন পরিষ্কার করে জমানো টাকা নিতেই হামলা, কেড়ে নিল প্রাণ

১৮

আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচ ঘিরে শিক্ষার্থীকে মারধর

১৯

ছেলেকে নিয়ে একসঙ্গে বিষপান, মায়ের মৃত্যু

২০
X