

তাওহীদ হৃদয় যেন জাফনা কিংসের লাকি চার্ম। তিনি দলে যেতেই জয়ের ধারায় ফিরল জাফনা। এলপিএলে প্রতিপক্ষ ক্যান্ডি রয়্যালসকে রীতিমতো গুঁড়িয়ে দিয়েছে জাফনা কিংস, জিতেছে ৯৩ রানে। ব্যাট হাতে হৃদয়ের অবদানের পর বল হাতে বড় অবদান রেখেছেন আরেক বাংলাদেশি সাকিব আল হাসানও।
ডাম্বুলায় টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন জাফনার অধিনায়ক ভানুকা রাজাপক্ষে। সাকিব আল হাসান ছাড়াও এদিন জাফনার একাদশে জায়গা হয় আরেক বাংলাদেশি তারকা তাওহীদ হৃদয়ের, যিনি টুর্নামেন্টের মাঝপথে জাফনায় দলভুক্ত হন।
ওয়ান ডাউনে নামার আগে হৃদয়কে অবশ্য দীর্ঘক্ষণ প্যাড-গ্লাভস নিয়ে বসে থাকতে হয়েছে। কারণ জাফনার উদ্বোধনী দুই ব্যাটারই খেলেন ১২.৫ ওভার। ১২৯ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে মাত্র ৩৬ বলে ৬৬ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে অভিষকা ফার্নান্দো বিদায় নিলে। তার ইনিংসে ছিল ১০টি চার ও ২টি ছক্কা।
এরপর হৃদয়ের সাথে ৩১ রানের জুটি গড়ে ক্ষান্ত হন আরেক ওপেনার কামিল মিশারা। ৫৩ বল মোকাবেলায় ছয়টি চার ও চারটি ছক্কার সাহায্যে ৭৮ রান করেন তিনি।
ত্রয়োদশ ওভারে নেমে শেষ ওভার পর্যন্ত ক্রিজে ছিলেন হৃদয়। যদিও শুরুর দিকের রান রেট ধরে রাখা কঠিন ছিল শাহীন-হাসারাঙ্গাদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে। তা সত্ত্বেও দারুণ ফিনিশিংয়ে দলকে এনে দেন বিশাল পুঁজি। তার ব্যাটে ভর করে শেষ ওভারে ১৯ রান নেয় জাফনা। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে পুঁজি দাঁড়ায় ১৯৯ রান। মাত্র ২১ বলে দুটি চার ও একটি ছক্কায় ৩৫ রান করে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন হৃদয়।
জবাব দিতে নেমে এদিন শুরু থেকেই নড়বড়ে ছিল ক্যান্ডি। সাকিব দ্বিতীয় ওভারেই বল পান, শুরু থেকেই ছিলেন ভীষণ মিতব্যয়ী। ইনিংসের ত্রয়োদশ ওভারে উইকেটেরও দেখা পান। সাজঘরে ফেরান আরেক অলরাউন্ডার মঈন আলীকে। ক্যান্ডিকে খোলসবন্দী করে রাখতে বড় ভূমিকা ছিল তার আঁটসাঁট বোলিংয়ের।
৩ ওভার বল করে মাত্র ১৮ রান খরচ করে একটি উইকেট বাগিয়ে নেন সাকিব। যদিও চতুর্থ ওভার করার সুযোগ হয়নি। এর আগেই ক্যান্ডি অলআউট হয়ে যায় ১০৬ রানে। শেষপর্যন্ত দাপুটে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে জাফনা। ৫ ম্যাচ খেলে এটি দলটির তৃতীয় জয়।