

যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ সত্ত্বেও দেশে জ্বালানি সরবরাহ ও বিতরণ নিয়ে কোনো উদ্বেগ নেই বলে জানিয়েছে ইরান। দেশটির তেলমন্ত্রী মোহসেন পাকনেজাদ এ দাবি করেছেন।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) মিডল ইস্ট আইয়ের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মোহসেন পাকনেজাদ জানান, ইরান দক্ষতার সঙ্গে জ্বালানি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়েছে। যুদ্ধকালীন সময়ে অনেক দেশই এ ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে।
তিনি অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই অবরোধ আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করছে এবং এটি সফল হবে না।
এদিকে ট্রাম্প বলেছেন, তেহরানের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ইরানের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ অব্যাহত রাখবে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে ‘বাস্তব পদক্ষেপ’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ট্রাম্প জানান, ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত অবরোধ তুলে নেওয়ার কোনো ইচ্ছা তার নেই। এর ফলে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার সম্ভাবনাও কমে গেছে। এটিকে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে ধরা হচ্ছিল।
ট্রাম্প বলেন, বোমা হামলার চেয়েও এই অবরোধ বেশি কার্যকর। তারা দমবন্ধ অবস্থায় আছে। পরিস্থিতি তাদের জন্য আরও খারাপ হবে। তারা কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র পেতে পারবে না।
অন্যদিকে ইরান জানিয়েছে, আলোচনায় ফেরার আগে অবরোধ প্রত্যাহার তাদের প্রধান শর্ত। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান চলতি সপ্তাহে একটি সীমিত প্রস্তাব দিয়েছে। এতে তারা হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের অবরোধ তুলে নেওয়ার বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ প্রত্যাহারের কথা বলেছে।
ট্রাম্প জানান, বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েই তিনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন এবং দ্রুত কোনো সমঝোতায় পৌঁছানোর তাড়া নেই।