

কিউবার প্রেসিডেন্ট দিয়াস-কানেল, তার পরিবারের কয়েকজন সদস্য ও রাউল কাস্ত্রোর পরিবারের সদস্যদের ওপর নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের ঘোষণায় কিউবার সামরিক ও সরকারি সংশ্লিষ্ট কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকেও কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
শুক্রবার (৫ জুন) দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (৪ জুন) মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ বিজ্ঞপ্তি জারি করে। নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছেন প্রেসিডেন্ট দিয়াস-কানেলের স্ত্রী ও সন্তান, পাশাপাশি রাউল কাস্ত্রোর ছেলে আলেহান্দ্রো কাস্ত্রো এসপিন ও নাতি। এছাড়া কিউবার সশস্ত্র বাহিনী মন্ত্রণালয়, কমিটিজ ফর দ্য ডিফেন্স অব দ্য রেভল্যুশন এবং আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানও এই পদক্ষেপের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো কিউবার সরকারকে অর্থায়ন ও সহায়তা দেওয়া নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া। তিনি সতর্ক করে বলেন, যেসব বিদেশি ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠান নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত সংস্থাগুলোর সঙ্গে ব্যবসা চালিয়ে যাবে, তারাও মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন সাম্প্রতিক মাসগুলোতে কিউবার ওপর চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে। এর আগে কিউবার সামরিক নিয়ন্ত্রিত ব্যবসায়ী গোষ্ঠী এবং অন্যান্য অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও কঠোর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল।
অন্যদিকে, কিউবা দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক অবরোধের মুখে রয়েছে। সাম্প্রতিক মার্কিন পদক্ষেপগুলো দেশটির জ্বালানি সংকট ও অর্থনৈতিক দুরবস্থা আরও গভীর করে তুলেছে।
কিউবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এই নিষেধাজ্ঞাকে ‘হস্তক্ষেপমূলক ও নিন্দনীয়’ বলে আখ্যা দিয়েছে। পাশাপাশি কিউবার সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা করেছে দেশটি।