কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৪ মার্চ ২০২৬, ০৪:০৯ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ইরানে হামলার পর অস্ত্র উৎপাদন বাড়াতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

ইরানে সাম্প্রতিক হামলার পর অস্ত্রের মজুত কমে যাওয়ায় অস্ত্র উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ৬ মার্চ হোয়াইট হাউসে শীর্ষ প্রতিরক্ষা কোম্পানিগুলোর কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

খবরে বলা হয়েছে, লকহিড মার্টিন ও আরটিএক্সসহ (রেথিয়নের মূল কোম্পানি) বড় কয়েকটি প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানের নির্বাহীরা আমন্ত্রণ পেয়েছেন। পেন্টাগন দ্রুত অস্ত্রের মজুত পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এবং গাজায় ইসরায়েলের অভিযানের সময় যুক্তরাষ্ট্র ব্যাপক পরিমাণে কামান ব্যবস্থা, গোলাবারুদ ও অ্যান্টি-ট্যাংক ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করেছে। ইরানে হামলায় ইউক্রেনে পাঠানো অস্ত্রের চেয়ে দীর্ঘপাল্লার গোলাবারুদ ব্যবহার করতে হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বৈঠকে প্রতিরক্ষা কোম্পানিগুলোকে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো এবং সরবরাহের সময় কমানোর আহ্বান জানানো হতে পারে। তবে লকহিড মার্টিন, পেন্টাগন ও হোয়াইট হাউস এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। আরটিএক্সও মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

এর আগে ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ‘অসীম’ অস্ত্র মজুত রয়েছে এবং দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা আছে।

এদিকে উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী স্টিভ ফাইনবার্গ প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলারের অতিরিক্ত পেন্টাগন বাজেট অনুমোদনের চেষ্টা চালাচ্ছেন। এই অর্থ সাম্প্রতিক সংঘাতে ব্যবহৃত অস্ত্র প্রতিস্থাপনে ব্যয় হতে পারে।

বিশেষ করে টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, এফ-৩৫ স্টেলথ যুদ্ধবিমান ও ড্রোন ব্যবহারের পর চাপ বেড়েছে। টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাতা রেথিয়ন উৎপাদন ধীরে ধীরে বাড়িয়ে বছরে প্রায় এক হাজার ইউনিটে নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। ২০২৬ সালে ৫৭টি ক্ষেপণাস্ত্র কেনার পরিকল্পনা রয়েছে, প্রতিটির গড় মূল্য প্রায় ১৩ লাখ ডলার।

প্রতিরক্ষা কোম্পানিগুলোকে শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশের চেয়ে উৎপাদন বাড়াতে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বানও জানিয়েছে প্রশাসন। নির্দেশনা না মানলে চুক্তি বাতিলসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

কালবেলা/পিআর
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিচারক না হলে প্রতিযোগী হিসেবেই অংশ নিতাম : ফাহমিদা নবী

গ্যাস সরবরাহ নিয়ে সুখবর দিল মন্ত্রণালয়

সৌদি আরবের ওপর হুতিদের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে পাকিস্তানের প্রতিক্রিয়া

শাপলা চত্বর থেকেই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল: সানাউল্লাহ খান

কঠোর হলো ভারতীয় বোর্ড, আনল ৫ নতুন নিয়ম

বুয়েটের নতুন প্রোভিসি হলেন ড. মুহাম্মদ শরীফুল ইসলাম

হাদিস অনুযায়ী যে সময় শিশুদের বাইরে রাখা উচিত নয়

বেসরকারি খাতে বিদ্যুৎ বিতরণ ছেড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা সরকারের: জ্বালানিমন্ত্রী

স্টোর রুমে নিয়ে শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ, প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার

যশোরে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার

১০

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হত্যাযজ্ঞ / সাবেক এমপি মনিরুলসহ চারজনকে ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ

১১

পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনে কোনো পারমাণবিক কার্যক্রম নেই: ইরান

১২

মেসিকে বিশ্বকাপের সেরা ফুটবলার ঘোষণা আইএফএফএইচএসের

১৩

নিউইয়র্কে একক কনসার্টে গান শোনাবেন অভিনেতা অপূর্ব

১৪

এনআরবি ব্যাংক-নগদের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারত্বের চুক্তি

১৫

দল থেকে বহিষ্কার, গাজী নজরুলের এমপি পদ কি থাকবে?

১৬

সাঁতার জানতেন না কাউসার, সহকর্মীকে উদ্ধারে গিয়ে হারালেন প্রাণ

১৭

রাত ১টার মধ্যে বজ্রবৃষ্টি হতে পারে যেসব অঞ্চলে

১৮

অস্ত্র মামলায় আনিসুল হকের বিরুদ্ধে চার্জগঠন পেছাল

১৯

আইইউবিএটি ও লে মেরিডিয়ান ঢাকার মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

২০
X