

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দুই দশক পর রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরল বিএনপি। প্রথমবার সরকার পরিচালনার দায়িত্বে এসে বেশিরভাগ নতুনদের নিয়ে পথ চলার পরিকল্পনা করেছেন তিনি, যা দৃশ্যমান তার মন্ত্রিসভার তালিকাতে। তবে অভিজ্ঞদেরও সঙ্গী হিসেবে রেখেছেন। নতুন-পুরোনোদের মিশেলে কেমন হলো তারেক রহমানের মন্ত্রিসভা, তা নিয়ে আলোচনা এখন সর্বত্র। নতুন সরকারের ৪১ জন কখনো কোনো মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেননি। বাকি ৯ জনের বিভিন্ন সংসদে মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা রয়েছে। আর প্রথমবার এমপি হয়েই মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন ৩৩ জন।
তারেক রহমানের নেতৃত্বে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ নেয় নতুন সরকার। মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন ২৫ জন; ২৪ জন আছেন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে। ২৫ মন্ত্রীর মধ্যে ১৬ জনই নতুন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও এর আগে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী কিংবা সংসদ সদস্যের দায়িত্বে ছিলেন না।
এ তালিকায় আছেন—এ জেড এম জাহিদ হোসেন, ড. খলিলুর রহমান, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, মিজানুর রহমান মিনু, খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, আরিফুল হক চৌধুরী, জহির উদ্দিন স্বপন, মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন, আফরোজা খানম রিতা, মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, মো. আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের, দীপেন দেওয়ান, সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল, ফকির মাহবুব আনাম ও শেখ রবিউল আলম।
এদের বাইরে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, হাফিজ উদ্দিন আহমদ, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, নিতাই রায় চৌধুরী, আসাদুল হাবিব দুলু ও আ ন ম এহছানুল হকের মন্ত্রিপরিষদে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা রয়েছে।
প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়া ২৪ জনের কেউই এর আগে মন্ত্রিপরিষদে দায়িত্ব পালন করেননি। এবার প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন—এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, মো. শরীফুল আলম, শামা ওবায়েদ ইসলাম, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, কায়সার কামাল, ফরহাদ হোসেন আজাদ, মো. আমিনুল হক, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশিদ, মো. রাজীব আহসান, মো. আব্দুল বারী, মীর শাহে আলম, মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি (জোনায়েদ সাকি), ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন, শেখ ফরিদুল ইসলাম, মো. নুরুল হক নুর, ইয়াসের খান চৌধুরী, এম ইকবাল হোসেইন, এম এ মুহিত, আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর, ববি হাজ্জাজ ও আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম।
মায়ের মন্ত্রীদের মধ্যে যাদের নিজের সরকারে নিলেন তারেক: নতুন সরকারে ২৫ জন মন্ত্রীর মধ্যে ৯ জন এর আগের বিএনপির তিন সরকারের আমলে মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে তার মা খালেদা জিয়ার সরকারে দায়িত্ব পালন করেছেন।
পুরোনো মন্ত্রীদের মধ্যে রয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, হাফিজ উদ্দিন আহমদ, ভাইস চেয়ারম্যান কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, নিতাই রায় চৌধুরী, আসাদুল হাবিব দুলু এবং আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
এরা সবাই তারেক রহমানের মা খালেদা জিয়ার আগের সরকারে মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মির্জা ফখরুল ২০০১ সালে প্রথম ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একই বছর খালেদা জিয়ার দ্বিতীয় মন্ত্রিসভায় প্রথমে কৃষি প্রতিমন্ত্রী এবং পরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
আরেক জ্যেষ্ঠ নেতা আমীর খসরু ২০০১ সালে চট্টগ্রাম-৮ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ওই বছর খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভায় বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
এবার মন্ত্রী হওয়ার আগে সালাহউদ্দিন আহমদ ২০০১ সালে যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। পরে তিনি মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন একই দপ্তরে। কক্সবাজার-১ আসন থেকে ২০০১ সালে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়।
এবার পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়া সিরাজগঞ্জ থেকে নির্বাচিত তিনবারের সংসদ সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভায় বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সালে সিরাজগঞ্জ-২ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হয়ে জয়ী হয়েছিলেন।
সেনাবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণের পর হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম রাজনীতিতে সক্রিয় হন। তিনি ভোলা-৩ আসন থেকে এ পর্যন্ত সাতবার জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। এর আগে তিনি সরকারে পানিসম্পদ, বাণিজ্য ও পাটমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের মধ্যে কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ এর আগে এরশাদ ও খালেদা জিয়ার সরকারে প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। জাতীয় পার্টির মনোনয়ন নিয়ে ১৯৮৬ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯০ সালের ২ মে থেকে ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সালে তিনি বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে ২০০২ থেকে এক বছর ফের ধর্ম প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
পুরোনো মন্ত্রীদের মধ্যে নিতাই রায় চৌধুরী ১৯৮৮ সালে মাগুরা-২ আসন থেকে জাতীয় পার্টির মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দায়িত্ব পালন করেন মন্ত্রীর মর্যাদায় মাগুরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে। এরপর তিনি ১৯৯০ সালের ২ মে থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এবং এরপর থেকে ওই বছর ৬ ডিসেম্বর এরশাদ সরকার পতনের আগ পর্যন্ত যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
খালেদা জিয়া সরকারের আরেক মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবার তারেকের মন্ত্রিসভাতেও জায়গা পেয়েছেন। চাঁদপুর-১ আসন থেকে মোট তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারে তিনি শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সেই সময়ে তিনি পরীক্ষার হলে নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে দেশব্যাপী ব্যাপক অভিযান শুরু করেন। এতে সফল হলে আলোচনায় আসেন তিনি।
আসাদুল হাবিব দুলু যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপমন্ত্রী এবং লালমনিরহাট সদরের প্রাক্তন সংসদ সদস্য। তিনি ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা উপমন্ত্রী ছিলেন।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ২৯৭ আসনের ফল গেজেট আকারে ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে বিএনপি আসন পেয়েছে ২০৯টি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পেয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী; ৬৮টি। বাকি আসনগুলোতে বিভিন্ন জোট, দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন। এবারের নির্বাচনে বিজয়ীদের মধ্যে প্রায় ১৫০ জন এর আগে কখনো সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হননি।
প্রথমবার এমপি হয়েই মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ৩৩ জন: এবারের নির্বাচনে বিজয়ীদের মধ্যে প্রায় ১৫০ জন এর আগে কখনো সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হননি। তাদের মধ্যে ৩৩ জন পেয়েছেন নতুন মন্ত্রিপরিষদের দায়িত্ব পালনের সুযোগ। এর মধ্যে ১০ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ২২ জন প্রতিমন্ত্রীর হিসেবে শপথ নিয়েছেন। এ ছাড়া নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও প্রথমবারের মতো মন্ত্রিসভায় যুক্ত হলেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও পালন করবেন।
দিনাজপুর-৬ আসন থেকে এবারই প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে মন্ত্রী হয়েছেন ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, ফেনী-৩ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য আব্দুল আউয়াল মিন্টু, সিলেট-১ আসন থেকে নির্বাচিত খন্দকার আব্দুল মোক্তাদির, সিলেট-৪ আসনের আরিফুল হক চৌধুরী, মানিকগঞ্জ-৩ আসনের আফরোজা খানম রিতা, ঝিনাইদহ-১ আসনের মো. আসাদুজ্জামান। এ ছাড়া প্রথমবার এমপি হয়েই মন্ত্রী হয়েছেন পার্বত্য রাঙামাটির দীপেন দেওয়ান, ফকির মাহবুব আনাম স্বপন ও শেখ রবিউল আলম।
আগে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও প্রথমবার মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়াদের মধ্যে রয়েছেন মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, মিজানুর রহমান মিনু, জহির উদ্দিন স্বপন, মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন (টেকনোক্র্যাট), জাকারিয়া তাহের সুমন, সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল ও ফকির মাহবুব আনাম। এ ছাড়া টেকনোক্র্যাট হিসেবে প্রথমবার মন্ত্রী হয়েছেন ড. খলিলুর রহমান।
প্রথমবার নির্বাচিত হয়েই প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন জোনায়েদ সাকি, ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন পুতুল, শেখ ফরিদুল ইসলাম, নুরুল হক নুর, ইয়াসের খান চৌধুরী, এম ইকবাল হোসেইন, শামা ওবায়েদ ইসলাম, কায়সার কামাল, এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, মো. শরীফুল আলম, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ফরহাদ হোসেন আজাদ, ডা. এম এ মুহিত ও আহমদ সোহেল মঞ্জুর।
এ ছাড়া প্রথমবার সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েই প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন ববি হাজ্জাজ, মীর মুহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, হাবিবুর রশিদ হাবিব, রাজিব আহসান, মুহাম্মদ আব্দুল বারী ও মীর শাহে আলম। এর বাইরে আগে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হলেও প্রথমবার প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, আর টেকনোক্র্যাট হিসেবে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন মো. আমিনুল হক।
কে কোন মন্ত্রণালয় পেলেন:
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভার ৪৯ জন সদস্য শপথ নিয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৫ জন মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। শপথের পরপরই মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন করা হয়।
মন্ত্রীদের দপ্তর: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমদ পেয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়; আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়; মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়; ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়; ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়; ড. খলিলুর রহমান (টেকনোক্র্যাট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়; আব্দুল আওয়াল মিন্টু পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়; মিজানুর রহমান মিনু ভূমি মন্ত্রণালয়; নিতাই রায় চৌধুরী সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়; মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়; আরিফুল হক চৌধুরী শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়; খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়; জহির উদ্দিন স্বপন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়; শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়; এহসানুল হক মিলন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়; আমিন উর রশিদ (টেকনোক্র্যাট) কৃষি মন্ত্রণালয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়; আফরোজা খানম বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়; আসাদুল হাবীব দুলু দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়; জাকারিয়া তাহের গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়; দীপেন দেওয়ান পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়; সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়; ফকির মাহবুব আনাম ডাক ও টেলিযোগাযোগ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। ঢাকা-১০ আসনের শেখ রবিউল আলম সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।
প্রতিমন্ত্রীদের দপ্তর: এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়; অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়; মো. শরিফুল আলম বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয় এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়; শামা ওবায়েদ ইসলাম পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়; সুলতান সালাউদ্দিন টুকু কৃষি মন্ত্রণালয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়; ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ভূমি মন্ত্রণালয়; ফরহাদ হোসেন আজাদ পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়; মো. আমিনুল হক যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় (টেকনোক্র্যাট); নুরুল হক নুর শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়; ইয়াসের খান চৌধুরী তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়; এম ইকবাল হোসেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়; এম এ মুহিত স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়; আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, ববি হাজ্জাজ শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়; আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়; মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়; হাবিবুর রশিদ সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়; মো. রাজীব আহসান রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়; মো. আব্দুল বারী জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়; মীর শাহে আলম স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়; জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি অর্থ মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়; ইশরাক হোসেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়; ফারজানা শারমীন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়; শেখ ফরিদুল ইসলাম পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।