

বিএনপি চেয়ারপারসন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ। দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে তার অবস্থা সংকটাপন্ন। এমন অবস্থায় সারা দেশের মানুষ উদ্বিগ্ন। সবারই প্রত্যাশা—খালেদা জিয়া সুস্থ হয়ে দ্রুত বাসায় ফিরবেন এবং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার রূপান্তরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন। নব্বইয়ের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে খালেদা জিয়ার ভূমিকা ছিল আপসহীন। দীর্ঘ ৯ বছরের আপসহীন আন্দোলন এবং স্বৈরাচারী এরশাদের পতনের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি হয়ে ওঠেন সারা দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষের নেত্রী, অর্থাৎ, দেশনেত্রী।
সামরিক স্বৈরাচারী হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের পতনের প্রাক্কালে নব্বইয়ের এই দিন (৩০ নভেম্বর) দেশনেত্রী খালেদা জিয়া আত্মগোপন থেকে দেশবাসীর উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বার্তা দেন। ‘আমি খালেদা জিয়া বলছি’ শীর্ষক রেকর্ডকৃত ওই বাণী ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে ভয়েস অব আমেরিকা থেকে সম্প্রচারিত হয়। খালেদা জিয়ার ওই বার্তা নব্বইয়ের গণআন্দোলনে নতুন মাত্রা যুক্ত করে এবং এরশাদের পতনকে নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কেননা ওইদিন জাতিকে নির্দেশনা দেওয়ার মতো তেমন কেউ ছিল না। ১৫ দলীয় জোটের নেত্রী, আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ছিলেন গৃহবন্দি। দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকেও সরকার গ্রেপ্তার করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু তিনি ওই সময় অত্যন্ত সজাগ ছিলেন এবং বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়েছিলেন। প্রহসনের রাজনীতির ফাঁদে তিনি পা দেননি। তিনি অনেকটা পুলিশের সামনে দিয়ে তাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে অন্তরালে চলে যান। ওইদিন (৩০ নভেম্বর) স্বৈরাচারী এরশাদ বিবিসির সংবাদদাতা আতাউস সামাদকে দেখামাত্র গুলির নির্দেশ দেন। ফলে তিনিও আত্মগোপনে চলে যান। তবে আতাউস সামাদ আত্মগোপনে গেলেও খালেদা জিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখেন এবং জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিসিসিকে খবর সরবরাহ করতেন। আর এ কারণে নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থান এবং এরশাদের পতনের ইতিহাসের সঙ্গে যুক্ত হয়ে আছে অকুতোভয় সাংবাদিক আতাউস সামাদের নাম।
দেশনেত্রী খালেদা জিয়া আত্মগোপনে থেকে জনগণের উদ্দেশে ‘আমি খালেদা জিয়া বলছি’ শীর্ষক বাণীতে বলেন, ‘দীর্ঘ আট বছর ধরে আমরা অবৈধ এরশাদ সরকারের দুর্নীতি, জুলুম, নির্যাতন ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি। বর্তমানে আমাদের আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। আন্দোলনের চাপের মুখে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে দুর্নীতিবাজ এরশাদ গত কয়েকদিন ধরে বেপরোয়া হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে। অন্যদিকে ছাত্র, শ্রমিক, জনতা জীবন দিয়ে সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের আমি আমার সংগ্রামী অভিনন্দন জানাচ্ছি। শেষ অস্ত্র হিসেবে দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ও কারফিউ জারি করেছে। কিন্তু এতেও দুর্নীতিবাজের শেষ রক্ষা হবে না। ছাত্র, শ্রমিক, জনতা এরশাদ ঘোষিত জরুরি আইন, কারফিউ অমান্য করে জীবন পণ প্রতিজ্ঞা করে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। এরই মধ্যে এ সংগ্রামে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ডাক্তার মিলনসহ অনেকেই মৃত্যুবরণ করেছেন। তাদের এ আন্দোলন বৃথা যাবে না, যেতে পারে না। স্বৈরাচারী সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত আপনারা এ সংগ্রাম চালিয়ে যাবেন। এ সংগ্রামে আমি আপনাদের পাশেই রয়েছি এবং আপনারা সর্বদা আমাকে আপনাদের সঙ্গেই পাবেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সব সরকারি কর্মচারীকে আমি এরশাদ সরকারের বেআইনি ও অবৈধ আদেশ, গ্রেপ্তার, গুলি, নির্যাতন মান্য না করে জনগণের অধিকার আদায়ে যে সংগ্রামে আপনাদের ভাই, ছেলে, মা ও বোনেরা নিয়োজিত, তাদের সঙ্গে শরিক হওয়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি এবং জনতার বিজয় আসন্ন, স্বৈরাচারের পতন সুনিশ্চিত। আমি আপনাদের সবাইকে আন্তরিক ও সংগ্রামী অভিনন্দন জানাচ্ছি।” (সূত্র: ভয়েস অব আমেরিকা, ৩০ নভেম্বর ১৯৯০ )
খালেদা জিয়ার এই সম্প্রচার হওয়ার পর দেশব্যাপী ক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষুব্ধ জনতাকে শান্ত করতে এবং দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সামরিক স্বৈরাচারী হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ নব্বইয়ের ৩ ডিসেম্বর টেলিভিশন ও বেতারে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন। তিনি বলেন, দেশের অবস্থা দেখে তিনি ব্যথিত। দেশের রাজনৈতিক দলগুলো সন্ত্রাসবাদীদের হাতে জিম্মি হয়ে আছে। তিনি দেশে সর্বক্ষেত্রে তার সাফল্যের কথা বর্ণনা করেন এবং সমাজ জীবনে তার অর্জিত বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে ইসলামকে রাষ্ট্রীয় ধর্মে রূপান্তরিত করা। বর্তমান আন্দোলনের মূল লক্ষ্য সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। তিনি তার ভাষণে আরও বলেন, তিনি সব বিরোধিতা ও মতভেদের মূল দূর করতে চান। রাজনৈতিক জীবন থেকে পারস্পরিক অবিশ্বাস ও সংশয় দূর করতে চান তিনি। কিন্তু রাজনৈতিক দল নিরপেক্ষ নির্বাচনের রূপরেখা দিয়ে যে প্রস্তাব রেখেছে, তিনি সে বিষয়ে তাদের প্রস্তাবগুলো বিবেচনা করতে প্রস্তুত হয়েছেন। তবে প্রস্তাবিত অন্তর্বর্তী সরকার, সংবিধানসম্মত নয় বলে তিনি উল্লেখ করেন। দেশের সার্বিক স্বার্থকে সবচেয়ে উপরে স্থান দিতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন এ বিষয়ে। এখন সময় এসেছে দেশের বৃহত্তর স্বার্থকে সর্বোচ্চে স্থান দেওয়ার। তিনি বেতার ভাষণে আরও বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ১৫ দিন আগে একজন নিরপেক্ষ উপ-রাষ্ট্রপতির হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে পদত্যাগ করতে তিনি প্রস্তুত রয়েছেন, যাতে দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে। উপ-রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পর সংসদ বাতিল করবেন। তারপর সংসদীয় ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সব রাজনৈতিক দলকে বেতার ও টেলিভিশনে তাদের বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দেওয়া হবে।
আগামী ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশে জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার করা হবে বলে তিনি ঘোষণা দেন। নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার জন্যে তিনি একজন নিরপেক্ষ উপ-রাষ্ট্রপতি মনোনয়নের কথাও ঘোষণা করেন, যার কাছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সময় ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন। তিনি আমেরিকার সাবেক রাষ্ট্রপতি জিমি কার্টারকে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করার জন্য আহ্বান জানান এবং তিনি এ প্রস্তাব গ্রহণ করেন এবং ব্রিটিশ পার্লামেন্ট সদস্যদেরও এর জন্য আহ্বান করা হয়। প্রেসিডেন্ট এরশাদ জরুরি অবস্থা প্রত্যাহারের তারিখ ঘোষণা দিলেও তিনি নির্বাচনের কোনো নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করেননি।
এরশাদের এ প্রস্তাবের প্রতিক্রিয়ায় বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বেগম জিয়া বলেন, বিএনপির সাত দল আছে, এরপর আট দল, পাঁচ দল আরও অন্য সব রাজনৈতিক দল মিলে আমরা একটা রূপরেখা দিয়েছি। এ রূপরেখা অনুযায়ী সে বলেছে যে, সে ভাইস প্রেসিডেন্টের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করে পদত্যাগ করবে। কিন্তু সে জিনিসটা যেটা আমরা দিয়েছি সেটা হলে তো অবিলম্বে তাকে সেটা করতে হবে, ১৫ দিন আগে নয়। আমাদের দাবি, অবিলম্বে তা করতে হবে।
বিবিসি: আপনারা অন্তত জানেন যে তিনি কিছুটা হলেও আপনাদের দাবি মেনেছেন।
খালেদা জিয়া: জনগণের আন্দোলনের কাছে নতি স্বীকার করতে হবে, সে যদি দেশের ভালো চায়, জনগণের ভালো চায়, তাহলে অবশ্যই আমরা মনে করি যে, ১৫ দিন পরে নয়, এক্ষুনি করা উচিত। এক্ষুনি পদত্যাগ করে দাবির কাছে নতি স্বীকার করলে দেশে একটা সুষ্ঠু অবস্থা ফিরে আসতে পারে। সে যদি মনে করে, গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে।
বিবিসি: তাহলে ১৫ দিনের কথা উনি বলছেন, এটাতে আপনারা রাজি নন?
খালেদা জিয়া: না, ১৫ দিন নয়, এক্ষুনি, অবিলম্বে। আমাদের দাবি তো এটাই যে, অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে এবং নিরপেক্ষ একজন ভাইস প্রেসিডেন্টের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। আমরা যে রূপরেখা দিয়েছে সেটা অবিলম্বে কার্যকর করতে হবে—১৫ দিন আগে নয়। (বিবিসি, ৩ ডিসেম্বর ১৯৯০)
প্রেসিডেন্ট এরশাদের প্রস্তাব এবং খালেদা জিয়ার প্রতিক্রিয়া নিয়ে নব্বইয়ের ৪ ডিসেম্বর ভয়েস অব আমেরিকা একটি প্রতিবেদন সম্প্রচার করে। প্রতিবেদনটি হুবহু তুলে ধরা হলো—
প্রেসিডেন্ট এরশাদের প্রস্তাব সম্পর্কে বিরোধী জোটগুলোর মতামত জানতে চাওয়া হলে সাত দলীয় জোটনেত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপি প্রধান খালেদা জিয়া বলেন, তারা এ প্রস্তাব সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন। বেগম জিয়া বলেন, এটা সরকারের আরেকটা চাল। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট এরশাদ দেশবাসী ও বিদেশি সাহায্যদাতাদের ধোঁকা দেওয়ার উদ্দেশ্যেই এ প্রস্তাব দিয়েছেন। বেগম জিয়া বলেন, প্রেসিডেন্ট এরশাদের সরকারের পদত্যাগের দাবিতে তাদের আন্দোলন চলতেই থাকবে। তিনি বলেন, জনসাধারণের আন্দোলনের চাপে প্রেসিডেন্ট এরশাদ দিশেহারা হয়ে পড়েছেন এবং তার পতন আসন্ন। তিনি বলেন, সরকার একদিকে ক্ষমতা হস্তান্তরের কথা বলছে, অন্যদিকে ধরপাকড় এখনো অব্যাহত রাখা হয়েছে।
ভয়েস অব আমেরিকার সাংবাদিক জিয়াউর রহমানের সঙ্গে এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে বেগম জিয়া এ অভিমত প্রকাশ করেন।
ভয়েস অব আমেরিকা: বেগম জিয়া, আপনি বলুন এই যে প্রেসিডেন্ট এরশাদ যে প্রস্তাব দিয়েছেন, নির্বাচনের দুসপ্তাহ আগে তিনি বিরোধী দলের পক্ষে গ্রহণযোগ্য একজন ভাইস প্রেসিডেন্টকে ক্ষমতা প্রদান করবেন এ সম্পর্কে আপনাদের কী প্রতিক্রিয়া, আপনাদের কী বক্তব্য?
খালেদা জিয়া: আমি খুব সংক্ষেপে বলতে চাই যে, আমরা জানি এরশাদ জনগণকে এটা সম্পূর্ণরূপে ধোঁকা দিয়েছে এবং আমরা তার এ প্রস্তাব সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করছি এবং আমাদের যে কর্মসূচি আছে, আমরা যে কর্মসূচি দিয়েছি প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত হরতাল, লাগাতার হরতাল এবং ১০, ১১ ও ১২ যে আমাদের অবরোধ কর্মসূচি আছে, সেই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। আমাদের এখন দাবি হচ্ছে যে, তাকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে এবং নিরপেক্ষ সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে যেভাবে আমরা আমাদের রূপরেখা দিয়েছি।
ভয়েস অব আমেরিকা: এ মুহূর্তে পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আপনারা কোনো রকম প্রস্তাবে রাজি না?
খালেদা জিয়া: আমাদের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। আন্দোলন চালিয়ে যাব, সেটা আমি সকলের কাছে আহ্বান করছি। দেশে এবং বিদেশে প্রবাসী বাংলাদেশি যারা আছেন তাদের আমরা আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি যে, তারা দেশের গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্যে অবৈধ স্বৈরাচারী এরশাদকে পদত্যাগের জন্যে যে বিদেশে আন্দোলন করছে তার জন্যে আমার এবং দলের সর্বোপরি সকলের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি এবং তাদের আহ্বান করব যে, এরশাদ সাহেব পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আমাদের এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। সেইসঙ্গে তারাও তাদের সেই কর্মসূচিগুলো অব্যাহত রাখবে।
ভয়েস অব আমেরিকা: আচ্ছা, এ জরুরি অবস্থা জারির পর থেকে আজ পর্যন্ত যেসব বিরোধী নেতৃবর্গকে আটক করা হয়েছে, গ্রেপ্তার করা ছাত্রনেতাদের ধরা হয়েছে, তাদের কি কাউকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বা হবে কিছু বলেছেন?
খালেদা জিয়া: না। এখন পর্যন্ত এই জরুরি অবস্থার আগেও আমাদের অনেক নেতাকর্মী, ছাত্র অনেককে আটক করেছে, তাদের কাউকে মুক্তি দেওয়া হয়নি। অন্য যারা আছে তাদের নির্যাতন করছে, তাদের বাসায় যেয়ে অত্যাচার করছে, তাদের টেলিফোন লাইন বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হচ্ছে। আমাকে যেহেতু ধরতে পারেনি, আমি বাসা থেকে বেরিয়ে এসেছি, কিন্তু আমার বাসার টেলিফোন লাইন এখনো বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
ভয়েস অব আমেরিকা: তাহলে এই যে তারা বলছেন, একদিকে ক্ষমতা ছেড়ে দেবেন আবার আরেক দিকে তাদের এসব আটক, গ্রেপ্তার অব্যাহত রয়েছে এই থেকে আপনার কী মনে হয়?
খালেদা জিয়া: আমি আগেই বলেছি যে, এরশাদশাহী এই আট-নয় বছর ধরে জনগণকে শুধু ধোঁকা দিচ্ছে আর মিথ্যে কথা বলছে। এগুলো সমস্ত তার নিজস্ব যেহেতু জনগণের আন্দোলনে সে এখন দিশেহারা, তার পতন অত্যাসন্ন।
লেখক: সাংবাদিক ও গবেষক