

প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটার রিচার্জের পর ২২০ ডিজিটের দীর্ঘ টোকেন পেয়ে অনেক গ্রাহক উদ্বিগ্ন হলেও এতে আতঙ্কের কোনো কারণ নেই বলে জানিয়েছে নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসি (নেসকো)। বিদ্যুতের নতুন ট্যারিফ কার্যকর এবং মিটারের ইউনিট মূল্য হালনাগাদ করতেই রিচার্জ টোকেনের সঙ্গে অতিরিক্ত টোকেন পাঠানো হচ্ছে। ফলে টোকেনের দৈর্ঘ্য বেড়ে ২২০ ডিজিট পর্যন্ত হতে পারে।
জানা গেছে, আবাসিক প্রিপেইড মিটারগুলোতে বিদ্যুৎ বিল ছয়টি ধাপে হিসাব করা হয়। সরকারের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রায় প্রতিটি ধাপের ইউনিট মূল্য পরিবর্তন হয়েছে। ফলে মিটারে নতুন মূল্যহার কার্যকর করতে রিচার্জ টোকেনের সঙ্গে অতিরিক্ত টোকেন যুক্ত করা হচ্ছে। এ কারণেই টোকেনের দৈর্ঘ্য বেড়ে ২২০ ডিজিট পর্যন্ত হচ্ছে।
এক বার্তায় নেসকো জানিয়েছে, ২২০ ডিজিটের টোকেন পাওয়া মানেই মিটারে কোনো সমস্যা হয়েছে—এমন ধারণা সঠিক নয়। বরং এটি নতুন ট্যারিফ হালনাগাদের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।
টোকেন প্রবেশ করানোর ক্ষেত্রেও গ্রাহকদের বিশেষ নিয়ম অনুসরণ করতে হবে। এসএমএস বা সংশ্লিষ্ট পোর্টালে দেওয়া ২২০ ডিজিটের টোকেন প্রতি ২০ ডিজিট পরপর কমা (,) দিয়ে ভাগ করা থাকে। প্রথম ২০ ডিজিট মিটারে প্রবেশ করিয়ে সবুজ বাটন বা ‘এন্টার’ চাপতে হবে। এরপর একইভাবে পর্যায়ক্রমে পরবর্তী ২০ ডিজিটের অংশগুলো প্রবেশ করাতে হবে।
সবগুলো অংশ সফলভাবে প্রবেশ করানোর পর মিটারে ব্যালেন্স যোগ হবে এবং নতুন বিদ্যুৎ ট্যারিফ কার্যকর হবে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, টোকেন প্রবেশ করাতে কোনো ধরনের সমস্যা হলে গ্রাহকরা নিকটস্থ বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করতে পারবেন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট অভিযোগ কেন্দ্রেও ফোন করে প্রয়োজনীয় সহায়তা নেওয়া যাবে।