মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
এস আই শরীফ
প্রকাশ : ১৮ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম
আপডেট : ১৮ মে ২০২৬, ১১:৩০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
সাদামাটা কথা

শিক্ষকদের গায়ে রাজনীতির আবরণ কেন

প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

দেশের দশটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে আবারও পুরোনো বিতর্ক সামনে এসেছে। বলা হচ্ছে, যোগ্যতা, গবেষণা ও প্রশাসনিক দক্ষতার চেয়ে রাজনৈতিক পরিচয়কে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নিয়োগকৃতদের অতীত বিশ্লেষণ করলে অনেকের ক্ষেত্রে এর সত্যতা মেলে। অবশ্য আমাদের দেশে বিষয়টি একেবারেই নতুন নয়; দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় শিক্ষক রাজনীতি, দলীয় বিভাজন ও ক্ষমতার প্রভাব উচ্চশিক্ষার পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা কেন প্রকাশ্য দলীয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকবেন? একজন শিক্ষক কি প্রথমত জ্ঞানচর্চার মানুষ, নাকি রাজনৈতিক শক্তির অংশ? প্রশ্নটি শুধু নৈতিক বা প্রশাসনিক নয়; এটি দেশের উচ্চশিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন ও ভবিষ্যৎ অর্থনীতির সঙ্গেও গভীরভাবে সম্পর্কিত। দেশের উচ্চশিক্ষা নিয়ে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্যও আলোচনায় এসেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, ‘বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয় র্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের পিছিয়ে থাকার অন্যতম কারণ শিক্ষক নিয়োগে দলীয় বিবেচনা।’

দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো একসময় মুক্তবুদ্ধি ও জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল। কিন্তু ধীরে ধীরে সেখানে শিক্ষকদের মধ্যে দলীয় বিভাজন এতটাই গভীর হয়েছে যে অনেক ক্ষেত্রে নিয়োগ, পদোন্নতি, প্রশাসনিক দায়িত্ব; এমনকি গবেষণা অনুদানও রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়। ফলে মেধাবী কিন্তু অরাজনৈতিক শিক্ষকরা অনেক সময় পিছিয়ে পড়েন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে সৃষ্টি হয় ভয়ের সংস্কৃতি, পক্ষ-বিপক্ষের বিভাজন এবং পারস্পরিক অবিশ্বাস। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এ রাজনৈতিক সংস্কৃতি শিক্ষার্থীদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ে। শিক্ষকরা যখন প্রকাশ্যে রাজনৈতিক বলয়ে অবস্থান নেন, তখন শিক্ষার্থীরাও দলীয় আনুগত্যকে সাফল্যের সিঁড়ি হিসেবে দেখে। ফলে জ্ঞানচর্চার জায়গা দখল করে ক্ষমতার রাজনীতি। বিশ্ববিদ্যালয় ধীরে ধীরে গবেষণার কেন্দ্র না হয়ে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের অঙ্গনে পরিণত হয়। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় চোখ রাখলেই তা স্পষ্ট হয়।

বর্তমান বিশ্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল প্রতিযোগিতা গবেষণা, উদ্ভাবন ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিকে ঘিরে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিক্স, বায়োটেকনোলজি, সাইবার সিকিউরিটি কিংবা গ্রিন টেকনোলজির মতো খাতে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে না পারলে কোনো দেশ টিকে থাকতে পারবে না। অথচ বাংলাদেশের অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার পরিবেশ এখনো দুর্বল। আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা প্রকাশনা, পেটেন্ট, স্টার্টআপ কিংবা শিল্প-উদ্যোগের সঙ্গে সংযোগ খুবই সীমিত। এর অন্যতম কারণ হলো, শিক্ষকদের বড় একটি অংশ প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অতিমাত্রায় ব্যস্ত। শিক্ষকতার মূল কাজ পাঠদান, গবেষণা, শিক্ষার্থীকে পরামর্শ দেওয়া এবং নতুন জ্ঞান সৃষ্টি। এসবের চেয়ে রাজনৈতিক অবস্থান অনেক সময় বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মৌলিক চরিত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

বিশ্বের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর দিকে তাকালে ভিন্ন চিত্র দেখা যায়। যুক্তরাষ্ট্রের Harvard University, Massachusetts Institute of Technology বা Stanford University-এর শিক্ষকরা ব্যক্তিগতভাবে রাজনৈতিক মতাদর্শ ধারণ করতে পারেন, সামাজিক ও নীতিগত বিষয়ে মত প্রকাশও করেন; কিন্তু তারা দলীয় পদপদবি নিয়ে প্রকাশ্য রাজনৈতিক বলয়ের অংশ হয়ে ওঠেন না। তাদের মূল পরিচয় গবেষক ও শিক্ষক। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক নিয়োগেও গবেষণা, একাডেমিক নেতৃত্ব ও আন্তর্জাতিক অবদানকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। যুক্তরাজ্যের University of Oxford কিংবা University of Cambridge-এও একই চর্চা দেখা যায়। সেখানে শিক্ষকদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রয়েছে, কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা দলীয় আনুগত্যের ভিত্তিতে চলে না। প্রশাসনিক নেতৃত্ব নির্বাচনেও স্বচ্ছতা, একাডেমিক সুনাম ও ব্যবস্থাপনা দক্ষতা হয় মুখ্য বিষয়। এশিয়ার উদাহরণও গুরুত্বপূর্ণ। দক্ষিণ কোরিয়ার Seoul National University কিংবা সিঙ্গাপুরের National University of Singapore প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা তৈরিতে বিশ্বমানের অবস্থানে পৌঁছেছে। কারণ, এসব বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণাকে জাতীয় উন্নয়নের কেন্দ্রীয় উপাদান হিসেবে বিবেচনা করে। শিক্ষকরা শিল্প খাত, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক গবেষণা নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত থাকেন। রাজনৈতিক বিভাজনের চেয়ে একাডেমিক উৎকর্ষ সেখানে বেশি মূল্য পায়।

রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে শিক্ষকরা রাজনৈতিক মতাদর্শ ধারণ করবেন, এটি স্বাভাবিক। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সবারই আছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, একজন শিক্ষক প্রকাশ্যে দলীয় রাজনীতির সক্রিয় কর্মী বা সুবিধাভোগী হয়ে উঠলে তিনি কতটা নিরপেক্ষভাবে একাডেমিক দায়িত্ব পালন করতে পারবেন? যখন শিক্ষকরা রাজনৈতিক পরিচয়ে বিভক্ত হন, তখন শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন, নিয়োগ বোর্ড, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত—সবকিছু নিয়েই প্রশ্ন তৈরি হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি জনআস্থা কমে যায়।

এখন সময় এসেছে শিক্ষকদের রাজনৈতিক ভূমিকা নতুনভাবে ভাবার। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দলীয় পদপদবি গ্রহণ এবং সক্রিয় দলীয় কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ নিরুৎসাহিত করতে হবে। তারা নাগরিক হিসেবে রাজনৈতিক মত প্রকাশ করতে পারবেন, কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়কে কোনো দলের প্রভাব বলয়ে পরিণত করা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। ভিসি, প্রোভিসি, ট্রেজারারসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছ ও যোগ্যতাভিত্তিক প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে হবে। বিশ্বের বহু দেশে সার্চ কমিটি বা স্বাধীন বোর্ডের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ প্রশাসক নির্বাচন করা হয়। বাংলাদেশেও আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা, প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা, একাডেমিক নেতৃত্ব এবং নৈতিক গ্রহণযোগ্যতাকে প্রধান মানদণ্ড করতে হবে। শুধু রাজনৈতিক আনুগত্যের ভিত্তিতে নিয়োগ দিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষতি অনিবার্য।

গবেষণাভিত্তিক মূল্যায়ন ব্যবস্থা চালু করাও জরুরি। একজন শিক্ষক কয়টি গবেষণা করেছেন, আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশনা, পেটেন্ট, শিল্প খাতের সঙ্গে কাজ, শিক্ষার্থীদের গবেষণায় সম্পৃক্ততা—এসবকে পদোন্নতি ও মর্যাদার প্রধান সূচক করতে হবে। বর্তমানে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার চেয়ে প্রশাসনিক বা রাজনৈতিক যোগাযোগ বেশি কার্যকর বলে ধারণা তৈরি হয়েছে। এ সংস্কৃতি বদলানোর বিকল্প নেই। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। বিশ্বের উন্নত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শুধু ডিগ্রি দেয় না; তারা নতুন প্রযুক্তি, স্টার্টআপ ও শিল্প প্রতিষ্ঠান তৈরির ক্ষেত্রও তৈরি করে। গুগল-ফেসবুকের মতো অনেক প্রতিষ্ঠান বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক গবেষণা ও উদ্ভাবনের পরিবেশ থেকে উঠে এসেছে। বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও গবেষণা ল্যাব, স্টার্টআপ ইনকিউবেশন সেন্টার এবং শিল্প-একাডেমিয়া সহযোগিতা বাড়াতে হবে। শিক্ষকরা যদি রাজনৈতিক ব্যস্ততার বদলে গবেষণা ও উদ্ভাবনে মনোযোগ দেন, তাহলে শিক্ষার্থীরাও সৃজনশীল কাজে উৎসাহিত হবে।

এ ছাড়া শিক্ষকদের নৈতিক দায়বদ্ধতাও বাড়াতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শুধু একজন চাকরিজীবী নন; তিনি সমাজের বুদ্ধিবৃত্তিক পথপ্রদর্শক। তার আচরণ, বক্তব্য ও মূল্যবোধ শিক্ষার্থীদের গভীরভাবে প্রভাবিত করে। তাই শিক্ষকদের উচিত সংকীর্ণ দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জ্ঞান, যুক্তি ও মানবিকতার চর্চা করা। এক্ষেত্রে সরকারেরও বড় দায়িত্ব রয়েছে। উচ্চশিক্ষাকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখার জন্য দীর্ঘমেয়াদি নীতি প্রয়োজন। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে প্রশাসনিক ও একাডেমিক স্বায়ত্তশাসন দিতে হবে, তবে সেইসঙ্গে জবাবদিহিও নিশ্চিত করতে হবে। গবেষণায় বরাদ্দ বাড়ানো, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথ প্রকল্প চালু এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় বিনিয়োগ বাড়ানো জরুরি।

বিশ্ববিদ্যালয় কোনো রাজনৈতিক যুদ্ধক্ষেত্র নয়; এটি জাতির মেধা তৈরির কারখানা। প্রখ্যাত মার্কিন শিক্ষাবিদ ও ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রেসিডেন্ট ক্লার্ক কের আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে একটি ধারণা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় শুধু জ্ঞান বিতরণের জায়গা নয়; এটি গবেষণা, উদ্ভাবন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং সামাজিক পরিবর্তনের কেন্দ্র।’ তাই শিক্ষকরা যদি দলীয় পরিচয়ের চেয়ে জ্ঞানচর্চাকে বড় করে দেখেন, তাহলে শিক্ষার্থীরাও সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী মানসিকতায় গড়ে উঠবে। অন্যদিকে রাজনৈতিক আনুগত্য যদি একাডেমিক যোগ্যতার ওপর প্রাধান্য পেতে থাকে, তাহলে দেশের উচ্চশিক্ষা আরও পিছিয়ে পড়বে।

বাংলাদেশ এখন এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। তরুণ জনগোষ্ঠী, প্রযুক্তিগত সম্ভাবনা এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির পরিবর্তনের সুযোগ কাজে লাগাতে হলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে সত্যিকার অর্থে জ্ঞান, গবেষণা ও উদ্ভাবনের কেন্দ্রে পরিণত করতে হবে। আর সেই পরিবর্তনের শুরু হতে পারে একটি মৌলিক উপলব্ধি থেকে—শিক্ষকের সবচেয়ে বড় পরিচয় তিনি একজন শিক্ষক; রাজনৈতিক দলের কর্মী নন।

একটা কৌতুক দিয়ে লেখাটা শেষ করছি। জীববিজ্ঞানের ক্লাসে শিক্ষক সবাইকে ব্যাকটেরিয়ার ছবি আঁকতে বললেন। সবাই ছবি এঁকে খাতা জমা দিল, কিন্তু শাওন শুধু সাদা খাতা জমা দিল। তা দেখে শিক্ষক রেগে বললেন, ‘কিরে শাওন, খাতায় তো দেখি কিছুই আঁকিসনি তুই?’

শাওন শান্তভাবে বলল, ‘স্যার, আমি ব্যাকটেরিয়ার ছবি ঠিকই এঁকেছি। কিন্তু ব্যাকটেরিয়া তো খালি চোখে দেখা যায় না, তাই আপনিও দেখতে পাচ্ছেন না!’

লেখক: বার্তা সম্পাদক, দৈনিক কালবেলা

মেইল: [email protected]

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

পদত্যাগী মন্ত্রীর বাসায় খিচুড়ি, প্রতিমন্ত্রীর সভা শেষে বিরিয়ানি দিয়ে আপ্যায়ন

বাজেটে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে নতুনভাবে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে : মির্জা ফখরুল 

মৌচাকে থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বিল্লাল খুন

মহানগর যুবদল নেতা বহিষ্কার

নুরজাহান বেগমের মৃত্যু : সমাজের এক নির্মম আয়না

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বিএনপি নেতা সোহেল রানাকে স্থায়ী বহিষ্কার 

পবিপ্রবির নতুন উপাচার্য হলেন প্রফেসর ড. এস এম হেমায়েত জাহান

তনু হত্যা  / ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির নির্দেশ ২ আসামির বিরুদ্ধে 

নাগরিকসেবায় অবহেলা করলে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি ডিএসসিসি প্রশাসকের

হোয়াটসঅ্যাপে ইসরায়েলের সাইবার হামলা, মামলা করবে মেটা

১০

রাজধানীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

১১

আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক ট্রেনিং সেন্টার / ৬ দিনব্যাপী ফাউন্ডেশন কোর্সের দ্বিতীয় পর্ব শুরু

১২

এনসিপিতে যোগ দিলেন বিভিন্ন দলের শতাধিক নেতাকর্মী

১৩

বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া বাণিজ্য : হালাল পণ্যে বড় সম্ভাবনা

১৪

ছেলের সামনে বাবাকে গুলি করে হত্যা

১৫

মুক্তির আগেই সাফল্যের দুয়ারে ‘ককটেল ২’

১৬

ইসরায়েলে ছোড়া ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেনি যুক্তরাষ্ট্র

১৭

নারী-পুরুষের বৈষম্য কমিয়ে আনতে কাজ করছে সরকার : মঈন খান

১৮

অতিরিক্ত ফাউলের অভিনয় করলে বিশ্বকাপে দেখতে হবে হলুদ কার্ড

১৯

ছাত্রলীগ নেতা ডেবিট আটক

২০
X