

ঘরের মাঠ হোক কিংবা পরের মাঠ। লিভারপুলকে কিছুতেই হারাতে পারছিল না ম্যানচেস্টার সিটি। সেই ২০২১ সালে লিভারপুলের মাঠেই শেষবার জিতেছিল তারা। এরপর শুধু হার না হলে ড্র। এমন রেকর্ড নিয়ে পেপ গার্দিওলার কোচিং ক্যারিয়ারের হাজারতম ম্যাচে খেলতে নামলে কার না বুক দুরুদুরু করে। কিন্তু আর্লিং হলান্ডরা গুরু পেপের জন্য এমন এক উপহার এনে দিলেন, যাতে মুগ্ধ না হয়ে উপায় নেই। বিশেষ ম্যাচে অবিশ্বাস্য উপহার পেয়ে গার্দিওলাও যারপরনাই মুগ্ধ। কোচিংয়ের হাজারতম ম্যাচে লিভারপুলকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়ে খুশির কথা জানিয়েও দিয়েছেন তিনি।
সিটির কোচ হিসেবে ৯ বছর কেটেছে গার্দিওলার। যদি তাকে কঠিন প্রতিপক্ষ বেছে নিতে বলা হতো, নিশ্চিতভাবেই লিভারপুলের নাম বলতেন তিনি। রোববার ম্যাচের আগে ২৪ বারের দেখায় সিটির জয় ছিল ৭টি, লিভারপুলের ১০টি। শেষবার সিটি জিতেছিল ২০২১ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি। লিভারপুলের ঘরের মাঠে। সেই ম্যাচের ফল ছিল ৪-১। এরপর ৬ ম্যাচে আর জয় পায়নি সিটি। দুটি ম্যাচ ড্র হয়েছে। চারটিতে হেরেছে সিটি। ঘরের মাঠে খেলতে নামার আগে গার্দিওলা বলেন, ‘এই দেশে লিভারপুলই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী এবং সত্য বলতে, এর চেয়ে ভালো আর হতে পারত না।’ হলান্ড, নিকো গঞ্জালেস এবং জেরেমি ডকুর গোলে সিটির অবিশ্বাস্য জয়ের পর গার্দিওলা বলেছেন, ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে প্রতিপক্ষের সঙ্গে আমরা বহুবার খেলেছি এখানে, তাদের বিপক্ষে আমাকে অবিশ্বাস্য এক উপহার দেওয়ার জন্য ফুটবলার ও স্টাফদের ধন্যবাদ। তাদের বিপক্ষে খেলা সবসময়ই দারুণ এবং এত লড়াইয়ের পর ভার্জিল, রবার্টসন, মো. সালাহকে দেখতে পাওয়াটা চমৎকার। আমার বাচ্চারা ছিল এখানে। স্পেশাল এক রাত ছিল এটি।’ সিটির কোচ আরও বলেন, ‘আমার মনে হয়, আমরা ও লিভারপুল বলছিলাম যে, ‘ওহ, অবশেষে আর্সেনাল পয়েন্ট হারাল এবং দুটি গোল হজম করল।’ তবে দিনশেষে নিজেদের কাজটা করতে হয়। আমি ছেলেদের বলেছিলাম, ‘আর্সেনাল পয়েন্ট হারিয়েছে বলে নয়, নিজেদের জন্যই করতে হবে, কারণ আমরা নিজেদের ওপর বিশ্বাস রাখি যে, ইংল্যান্ডের চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে আমরা খেলতে পারি এবং তাদের দেখাতে চাই যে, এই মৌসুমে আমরা তাদের সঙ্গে লড়াই করছি।’