সুশোভন অর্ক
প্রকাশ : ১৭ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম
আপডেট : ১৭ জুলাই ২০২৬, ১১:০৬ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

ধরা পড়ছে শুধু বাহক, মূল হোতারা অধরাই থাকছে

অনলাইনে জমজমাট মাদকের কারবার
ধরা পড়ছে শুধু বাহক, মূল হোতারা অধরাই থাকছে

দেশে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার ঠেকাতে সীমান্তে বাড়ছে কড়াকড়ি, দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে বসানো হচ্ছে তল্লাশি চৌকি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে প্রায় প্রতিদিনই উদ্ধার হচ্ছে গাঁজা, ইয়াবা, আইস, কোকেনসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য, গ্রেপ্তারও হচ্ছেন মাদক বহনকারী ও খুচরা বিক্রেতারা। কিন্তু এত কিছুর পরও কমছে না মাদকের উদ্বেগজনক বিস্তার। বরং সময়ের সঙ্গে বদলে যাচ্ছে মাদক কারবারের ধরন। সশরীরের চেয়ে অনলাইনে বেশি সক্রিয় কারবারিরা। এখন মাদক কারবারের বড় একটি অংশের অর্ডার হয়ে থাকে মোবাইল ফোনের এনক্রিপ্টেড অ্যাপে। মূল্য পরিশোধ হয় ক্রিপ্টোকারেন্সিতে, আর সরবরাহ হয় এমনভাবে যেখানে ক্রেতা-বিক্রেতার মুখোমুখি হওয়ার প্রয়োজনই পড়ে না।

সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দেশে মাদক কারবার ধীরে ধীরে প্রচলিত পাচার-পদ্ধতি থেকে প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধে রূপ নিচ্ছে। ডার্ক ওয়েব, টেলিগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুকের ক্লোজড গ্রুপ, ভার্চুয়াল নম্বর, এনক্রিপ্টেড ক্লাউড এবং ডিজিটাল পেমেন্টব্যবস্থা ব্যবহার করে গড়ে উঠছে নতুন প্রজন্মের মাদক নেটওয়ার্ক। এসব চক্রের হোতারা থাকে পর্দার আড়ালে। ফলে অভিযানে ধরা পড়ে মূলত বাহক বা ডেলিভারিম্যান কিংবা স্থানীয় খুচরা ক্রেতা-বিক্রেতারা। তবে এসব চক্রের অর্থদাতা, সমন্বয়কারী এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগ রক্ষাকারীরা রয়ে যায় ধরাছোঁয়ার বাইরে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি), আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক কর্মকর্তা, সাইবার নিরাপত্তা বিশ্লেষক এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রচলিত তদন্ত-পদ্ধতি দিয়ে প্রযুক্তিনির্ভর এ অপরাধ মোকাবিলা করা দিন দিন কঠিন হয়ে পড়ছে। কারণ এখন মাদক উদ্ধারের পাশাপাশি সমান গুরুত্ব পাচ্ছে এনক্রিপ্টেড চ্যাট, ডিজিটাল ওয়ালেট, আইপি ঠিকানা, ক্লাউড ডেটা, ব্লকচেইন লেনদেন ও ডার্ক ওয়েবের তথ্য বিশ্লেষণ। কিন্তু এসব ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের সক্ষমতা এখনো সীমিত।

ডিএনসি সূত্র জানায়, মাদক নির্মূলের জন্য বিশেষায়িত এই সংস্থাটিতে অনলাইনে মাদকের কারবার ঠেকাতে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং জনবল কোনোটাই নেই। এসব বিষয়ে কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণেরও অভাব রয়েছে। যারা কাজ করছেন তাদের বেশিরভাগ মাঠপর্যায়ে মাদক কারবার ঠেকাতেই ব্যস্ত থাকেন। এসব প্রযুক্তিগত দুর্বলতার কারণে মাদক কারবার ঠেকাতে না পারায় অনলাইনে লেনদেনে আগ্রহ বাড়ছে মাদক কারবারিদের।

এ বিষয়ে সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ তানভীর হাসান জোহা কালবেলাকে বলেন, বর্তমান বাস্তবতায় শুধু অভিযান চালিয়ে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের নিজস্ব সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ডিজিটাল ইনভেস্টিগেশন সেল গঠন করা জরুরি। সেখানে ডিজিটাল ফরেনসিক, ওপেন সোর্স ইন্টেলিজেন্স, ডার্ক ওয়েব মনিটরিং, ক্রিপ্টোকারেন্সি ট্র্যাকিং এবং সোশ্যাল মিডিয়া বিশ্লেষণে দক্ষ জনবল থাকতে হবে।

তিনি বলেন, একই সঙ্গে বাংলাদেশ পুলিশ, সিআইডি, সিটিটিসি, বিটিআরসি, বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) এবং মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রিয়েল-টাইম তথ্য আদান-প্রদানের ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। কারণ অনলাইনভিত্তিক মাদক চক্র ভাঙতে প্রযুক্তিনির্ভর গোয়েন্দা তথ্যই সবচেয়ে কার্যকর অস্ত্র।

সংশ্লিষ্টরা জানান, এক সময় মাদক ব্যবসার মূল কেন্দ্র ছিল সীমান্ত। আশপাশের দেশ থেকে ইয়াবা, ফেনসিডিল কিংবা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে কোকেন ও সিনথেটিক মাদক ঢোকার ঘটনাই ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। এখন সেই চিত্র দ্রুত বদলাচ্ছে। তদন্তকারীরা বলছেন, বর্তমানে মাদক কোথা থেকে এলো—তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে অর্ডারটি কোথা থেকে দেওয়া হলো, কীভাবে অর্থ পরিশোধ হলো এবং পুরো যোগাযোগ কোন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পরিচালিত হলো।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, বাংলাদেশে ডার্ক ওয়েব ও এনক্রিপ্টেড যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে মূলত এলএসডি, ক্রিস্টাল মেথ বা আইস, ডিওবি, কেটামিনসহ উচ্চমূল্যের সিনথেটিক মাদকের কারবার বাড়ছে। বিশেষ ব্রাউজারের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ডার্কনেট মার্কেটপ্লেসে প্রবেশ করে এসব মাদকের অর্ডার দেওয়া হয়। পরে বিটকয়েনসহ বিভিন্ন ক্রিপ্টোকারেন্সিতে মূল্য পরিশোধ করে আন্তর্জাতিক কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে সাধারণ চিঠিপত্র, বই কিংবা ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশের ভেতরে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে দেশে আনার চেষ্টা করা হয়। দেশে পৌঁছানোর পর ফেসবুক, টেলিগ্রাম, ইনস্টাগ্রাম কিংবা হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে নির্দিষ্ট ক্রেতার কাছে হোম ডেলিভারি বা গোপন স্থানে সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়।

প্রযুক্তিনির্ভর এ ধরনের একটি নেটওয়ার্কের সন্ধান মিলেছে সম্প্রতি রাজধানীর উত্তরায়। সেখানে অভিযান চালিয়ে একটি গোপন কেটামিন উৎপাদন ল্যাবের সন্ধান পায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। রাতভর অভিযানে ৬ কেজি ৩০০ গ্রাম কেটামিন, বিপুল পরিমাণ রাসায়নিক কাঁচামাল এবং ল্যাবরেটরির সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। এ সময় ইয়াং চুংসেন, ইউ জি ও লি বিন নামে তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ভাড়া বাসায় গড়ে তোলা ওই ল্যাবে দীর্ঘদিন ধরে গোপনে কেটামিন উৎপাদন করা হচ্ছিল। উৎপাদিত মাদক বিদেশি ক্রেতাদের কাছে সরবরাহের জন্য একটি নিজস্ব নেটওয়ার্কও তৈরি করেছিল চক্রটি। তদন্তে তাদের অনলাইন যোগাযোগ, আন্তর্জাতিক সংযোগ এবং ডার্ক ওয়েব বা অন্যান্য এনক্রিপ্টেড প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের বিষয়গুলোও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীদের ধারণা, এটি কেবল একটি বিচ্ছিন্ন ল্যাব নয়; বরং বৃহত্তর আন্তঃদেশীয় সিনথেটিক মাদক নেটওয়ার্কের অংশ হতে পারে। ডিএনসির আরেকটি তদন্তে উঠে এসেছে, নতুন ভয়ানক মাদক এমডিএমবি চক্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে কার্যত একটি ভার্চুয়াল মার্কেটপ্লেসে পরিণত করেছিল। ফেসবুকের ক্লোজড গ্রুপ, ভুয়া আইডি ও রিভিউ পেজে সাংকেতিক ভাষায় পোস্ট দিয়ে সম্ভাব্য ক্রেতাদের আকৃষ্ট করা হতো। সেখানে ‘ফ্লেভার’, ‘গেমিং টুল’ কিংবা ‘পোর্টেবল ডিভাইস’-এর মতো নিরীহ শব্দ ব্যবহার করা হলেও, প্রকৃতপক্ষে সেগুলো ছিল মাদকের সংকেত। আগ্রহী ক্রেতাদের ইনবক্স থেকে নিয়ে যাওয়া হতো এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপ্টেড হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে। সেখানে কোডওয়ার্ড, ইমোজি, লাইভ লোকেশন এবং পূর্বনির্ধারিত সংকেত ব্যবহার করে দরদাম ও সরবরাহের স্থান নির্ধারণ করা হতো। পুরো প্রক্রিয়াটি এমনভাবে পরিচালিত হতো যে, সাধারণ ব্যবহারকারীর কাছে এটি কোনো অপরাধ চক্রের কার্যক্রম বলে মনে হওয়ার সুযোগ ছিল না। তদন্তকারীরা জব্দ করা ডিজিটাল তথ্য বিশ্লেষণ করে এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে জড়িত আরও কয়েকজনকে শনাক্তের চেষ্টা করছেন।

ডিএনসির কর্মকর্তারা বলছেন, মাদক কারবারের ধরন দ্রুত বদলে যাওয়ায় তদন্তের ধরনও বদলাতে হচ্ছে। আগে যেখানে একটি চালান জব্দ করা বা একজন বাহককে গ্রেপ্তার করাই ছিল তদন্তের প্রধান লক্ষ্য, এখন তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ডিজিটাল যোগাযোগ, আর্থিক লেনদেন এবং আন্তর্জাতিক সংযোগের অনুসন্ধান। কিন্তু এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা গড়ে তোলা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। এ বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোস্তাক আহমেদ বলেন, অনলাইনভিত্তিক মাদক চক্র শনাক্ত করতে এখন শুধু একটি মোবাইল ফোন জব্দ করলেই হয় না। প্রয়োজন সেই ডিভাইসের ডিজিটাল ফরেনসিক বিশ্লেষণ, এনক্রিপ্টেড যোগাযোগের সূত্র উদ্ধার, ক্লাউডভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ, ডিজিটাল ওয়ালেটের লেনদেন বিশ্লেষণ এবং প্রয়োজনে বিদেশি সংস্থার সঙ্গে তথ্য বিনিময়। এসব ক্ষেত্রে এখনো বিভিন্ন সংস্থার ওপর নির্ভর করতে হয়, ফলে অনেক সময় তদন্তে বিলম্ব হয়।

তিনি বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর মাদক কারবার মোকাবিলায় এখন আন্তর্জাতিক মানের ডিজিটাল ফরেনসিক সক্ষমতা গড়ে তোলা জরুরি। মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, ক্লাউড অ্যাকাউন্ট ও এনক্রিপ্টেড তথ্য বিশ্লেষণের পূর্ণ সক্ষমতাসম্পন্ন ল্যাব প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি প্রয়োজন বিশেষায়িত সাইবার নারকোটিক্স ইউনিট, যেখানে তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, সাইবার তদন্তকারী এবং মাদকবিষয়ক গোয়েন্দারা একসঙ্গে কাজ করবেন। অপরাধ বিশ্লেষকদের মতে, ভবিষ্যতের মাদকবিরোধী অভিযান শুধু সীমান্তে টহল বা শহরে অভিযান পরিচালনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, একই সঙ্গে চলবে সাইবার স্পেসে নজরদারি, আর্থিক গোয়েন্দা কার্যক্রম এবং ডিজিটাল আলামত বিশ্লেষণ। এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক এবং অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হক কালবেলাকে বলেন, আগামী দিনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), স্বয়ংক্রিয় বট, এনক্রিপ্টেড যোগাযোগ এবং বিকেন্দ্রীভূত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের অপব্যবহার। প্রযুক্তি যত এগোবে, অপরাধীরাও তত নতুন কৌশল ব্যবহার করবে। তাই আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দক্ষতা ও প্রযুক্তিও সমান গতিতে উন্নত না হলে এই ব্যবধান আরও বাড়বে।

কালবেলা/এসওআর
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

স্বরুপে ফিরল টাইগাররা, সিরিজে এল সমতা

চট্টগ্রামে বন্যাদুর্গত খামারিদের মধ্যে ৪০০ বস্তা গোখাদ্য বিতরণ

ইরাকের এরবিলে ইরানের ছোড়া আট ড্রোন ধ্বংসের দাবি

ঢাকাস্থ যশোর সাংবাদিক ফোরামের ফল উৎসব অনুষ্ঠিত

পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ নিধন, অঝোরে কাঁদছেন চাষি রনি

এনএসইউতে বিশ্বকাপ কুইজ: স্কুল-কলেজের হাজারো শিক্ষার্থীর মিলনমেলা

‘থ্রি ইডিয়টস’ সোনম ওয়াংচুকের জীবনীর ওপর বানানো হয়নি: আমির খান

এবার রংপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে ২ নারীর মৃত্যু

দুই বছর কর্মস্থলে অনুপস্থিত থেকেও পদোন্নতি পেলেন আবু তৈয়ব

রাশিয়ার বিমানঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে টু-৯৫ বোমারু বিমান ধ্বংস করল ইউক্রেন

১০

সাংহাইতে ওয়ার্ল্ড এআই কনফারেন্সে তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী 

১১

তানিন ফার্নিচারের হাফ ইয়ারলি বিজনেস কনফারেন্স ও ই-কমার্স ওয়েবসাইটের উদ্বোধন

১২

মেডিকেল বর্জ্য সঠিকভাবে সংরক্ষণ-অপসারণের নির্দেশ ডিএনসিসি প্রশাসকের

১৩

২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি: সদরঘাটে কিরণের নেতৃত্বে সবুজ অভিযাত্রা

১৪

মহাবিপদের মুখে আর্জেন্টিনা, ফাইনাল ম্যাচে ৬ খেলোয়াড়কে নিষিদ্ধের দাবি!

১৫

নদীর ভাঙনে নির্ঘুম রাত কাটছে সত্তরোর্ধ্ব জবিরণ বেওয়ার

১৬

মাদকসেবীর ছুরিকাঘাতে এইচএসসি পরীক্ষার্থী নিহত

১৭

আবু সাঈদসহ সব শহীদের স্মরণে খেলাফত মজলিসের দোয়া মাহফিল

১৮

জাইমা রহমানের উচ্ছ্বাসে ভাসল স্টেডিয়াম

১৯

রাষ্ট্রকে ব্যক্তিগত সম্পত্তি ভাবলে বারবার ফিরবে জুলাই: মঞ্জু 

২০
X