বরিশাল প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৬:০৬ এএম
আপডেট : ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৮:০০ এএম
অনলাইন সংস্করণ

ঈদ শেষেও চাপ নেই বরিশাল নদীবন্দরে

বরিশাল নদীবন্দর। ছবি : কালবেলা
বরিশাল নদীবন্দর। ছবি : কালবেলা

ঈদ শেষ হয়েছে পাঁচ দিন হলো। অথচ বরিশাল নদীবন্দরে এখনো বাড়েনি কর্মস্থলমুখী যাত্রীদের চাপ। বরং দিনদিন কমছে। এ কারণে কমানো হচ্ছে লঞ্চের সংখ্যাও। অথচ গত ঈদেও চিত্র ছিল কিছুটা ভিন্ন।

তবে ভিন্ন চিত্র বরিশাল নগরীর নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ডে। যেখানে যাত্রীদের চাপে দম ফেলার ফুরসত নেই পরিবহন শ্রমিকদের। প্রতি ১৫ থেকে ৩০ মিনিট পর পর ঢাকাসহ বিভিন্ন রুটে ছেড়ে যাচ্ছে একের পর এক বাস।

লঞ্চ মালিকদের দাবি— তুলনামূলক যাত্রী পাচ্ছেন না তারা। বিশেষ করে ডেকের যাত্রী কম। আর বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, বাসের তুলনায় লঞ্চে যাত্রী পরিবহন হচ্ছে বেশি।

বুধবার (২৫ মার্চ) রাতে সরেজমিনে বরিশাল নদীবন্দরে দেখা যায়, ঈদে বিশেষ সার্ভিস দিতে ছয়টি লঞ্চ টার্মিনালে বার্দিং করা রয়েছে। লঞ্চগুলোর কেবিন ব্লক ফাঁকা নেই। তবে নিচ থেকে দ্বিতল পর্যন্ত ডেকে যাত্রীদের চাপ নেই বললেই চলে। অনেকটা ফাঁকা অবস্থাতেই রাত সোয়া ৯টার পর লঞ্চগুলো একে একে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়।

সুন্দরবন নেভিগেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আকতার হোসেন আকেজ বলেন, ‘বছরজুড়ে লোকসান দিয়ে আমরা লঞ্চ মালিকরা দুটি ঈদের অপেক্ষায় থাকি। গত ঈদের এই সময় কিছুটা হলেও যাত্রী ছিল। কিন্তু এবার ঈদের পাঁচ দিন কেটে গেছে, কিন্তু যাত্রী খরা ক্রমশ বাড়ছে। আগামী ২৭ মার্চ যাত্রী চাপ কিছুটা বাড়তে পারে। না হলে লোকসান গুনতে হবে লঞ্চ মালিকদের।

বরিশাল নদীবন্দর নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘স্বজনদের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন শেষে গত ২৩ মার্চ থেকে কর্মস্থলমুখী মানুষের যাত্রা শুরু হয়। ওইদিন ৯টি লঞ্চ বরিশাল থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়।

তিনি বলেন, যাত্রী চাপ কম থাকায় ২৪ মার্চ ৬টি এবং বুধবার ২৫ মার্চ ভায়া একটিসহ মোট ৭টি লঞ্চ ঢাকার উদ্দেশে যাত্রী নিয়ে ছেড়ে যায়।

এই কর্মকর্তা বলেন, ঈদের ছুটি শেষ হলেও ২৬ মার্চ এবং শুক্র ও শনিবার সরকারি ছুটি রয়েছে। তাই ধারণা করা হচ্ছে ২৭ এবং ২৮ মার্চ সর্বোচ্চ যাত্রী বরিশাল ছাড়বে। বরিশাল-ঢাকা রুটে মোট ১৬টি লঞ্চ চলাচল করে। যাত্রীদের চাপ বেশি হলে বিশেষ সার্ভিসে লঞ্চের চাপও বাড়বে।

বাসের তুলনায় লঞ্চের যাত্রী কম নয় দাবি করে বন্দর নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘একটি বাসে সর্বোচ্চ ৪০-৫০ জন যাত্রী ওঠে। অথচ একটি লঞ্চে একসঙ্গে দুই থেকে আড়াই হাজার পর্যন্ত যাত্রী থাকে। সে হিসেবে বাসের তুলনায় লঞ্চে যাত্রী কম নয়। তা ছাড়া ঈদ পরবর্তী এখন পর্যন্ত প্রতিদিন ২৫ থেকে ৩০ হাজার করে যাত্রী লঞ্চযোগে বরিশাল ছেড়ে যান বলেন এই কর্মকর্তা।

কালবেলা/বিএইচ/এমএসকেএম
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নিউইয়র্ক বাংলা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে উদ্বোধনী সিনেমা ‘নয়া মানুষ’

টিফিনের রুটিতে ব্লেড, ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন

ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

‘প্রযোজকের বিনিয়োগের নিরাপত্তাই চলচ্চিত্র শিল্পকে বাঁচাতে পারে’

বিশ্বকাপের পর সবচেয়ে বেশি দাম বাড়ল ভোজিনহার

‘বাংলাদেশ জাতি রাষ্ট্র নয়, সবাইকে বাঙালি বানাতে গেলে ভুল হবে’

নৌবাহিনীর ১৮তম প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম

মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনায় ১০০ ডলার ছাড়াল অপরিশোধিত তেলের দাম

ঢালাই দেওয়ার পরই ধসে পড়ল ব্রিজের পাটাতন

যুক্তরাষ্ট্রের পর এবার ইরান সফরে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী

১০

আর্জেন্টিনা ও মেসিকে ফিফা সভাপতির বিশেষ বার্তা

১১

ধর্মমন্ত্রীর দ্রুত আরোগ্য ও পূর্ণ সুস্থতা কামনায় বিশেষ দোয়ার আয়োজন

১২

বিশ্বকাপে ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ / ফিফার বিরুদ্ধে অভিযোগ করবে নরওয়ে

১৩

১১ দলের কর্মসূচিতে নাম ব্যবহার করায় খেলাফত আন্দোলনের প্রতিবাদ

১৪

অভিনয়ের পাশাপাশি গান গাওয়া আমার ভীষণ পছন্দের: অপূর্ব

১৫

পদত্যাগের পর রাষ্ট্রপতির গ্রেপ্তার দাবি নাহিদ ইসলামের

১৬

ভাতিজার স্পর্শকাতর অঙ্গ কেটে চাচি উধাও

১৭

কুয়েত সীমান্তে ইরানের ড্রোন হামলা

১৮

কারাগারে অসুস্থ সাবেক এমপি 

১৯

কক্সবাজারের পর্যটন নিয়ে সরকারের মহাপরিকল্পনা

২০
X