

ইরানের সেনাবাহিনী কুয়েতের উত্তরাঞ্চলে ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর তেহরানের হামলা বৃদ্ধির মধ্যেই এ ঘটনা ঘটেছে। খবর সিএনএনের।
কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মেজর জেনারেল সৌদ আবদুলআজিজ এক বিবৃতিতে জানান, ইরাক সীমান্তসংলগ্ন আবদালি সীমান্ত ক্রসিংয়ে চালানো হামলায় কিছু অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে হামলায় কেউ নিহত বা আহত হয়নি বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দেশের সীমান্ত রক্ষায় কুয়েতের সশস্ত্র বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্কতা ও পূর্ণ প্রস্তুতি বজায় রেখেছে।
এর আগে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানায়, ‘অপারেশন নাসর-২’-এর ২৫তম ধাপে জর্ডানের কিং ফয়সাল ও প্রিন্স হাসান বিমানঘাঁটিতে চালানো হামলায় মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। খবর ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ইরনার।
আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ইয়া হাসান ইবনে আলী’ কোডনামে পরিচালিত এই অভিযান মিনাবের শাজারে তাইয়্যেবা বিদ্যালয়ের শহীদদের প্রতি উৎসর্গ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে দাবি করা হয়, আইআরজিসির মহাকাশ বাহিনী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মাধ্যমে কিং ফয়সাল ও প্রিন্স হাসান বিমানঘাঁটিতে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীর বিভিন্ন স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।
আইআরজিসির তথ্য অনুযায়ী, প্রথম দফার হামলায় এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের প্রস্তুতি হ্যাঙ্গারে আঘাত হানা হয়। পরবর্তী হামলায় ড্রোন সংরক্ষণাগারে থাকা সংযোজনের আগের অবস্থায় থাকা আটটি নতুন এমকিউ-৯ ড্রোন সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে এবং আরও দুটি ড্রোন গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছ।
হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান জোরদারের পর, এর জবাবে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে কুয়েত, কাতার ও জর্ডানসহ উপসাগরীয় অঞ্চলের যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি থাকা কয়েকটি দেশেও বারবার হামলা চালিয়েছে তেহরান।