

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীতে নোঙর করে রাখা একটি ফিশিং ট্রলারে বিস্ফোরণের পর ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ছয়জন নাবিক ও প্রকৌশলী দগ্ধ হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুর ১টার দিকে বিকট শব্দে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পাশের আরেকটি জাহাজেও ছড়িয়ে পড়ে।
দগ্ধরা হলেন- ক্যাডেট ইঞ্জিনিয়ার আশিকুজ্জামান তামিম, গ্রিজার রুবেল, শাহ আলম, উইঞ্চ অপারেটর নিজাম উদ্দিন, ডুবুরি রাসেল এবং নাবিক ছিদ্দিক আহমেদ।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঘটনার সময় দুটি জাহাজে প্রায় ৮০ জন শ্রমিক-কর্মচারী অবস্থান করছিলেন। বিস্ফোরণ ও আগুনে পাঁচজন শ্রমিক এবং একজন ক্যাডেট ইঞ্জিনিয়ার দগ্ধ হন।
আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। পরে তাদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়েছে।
চমেক হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, গুরুতর আহতদের মধ্যে একজনের শরীরের প্রায় ৩৫ শতাংশ এবং অপর দুজনের ২০ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত দগ্ধ হয়েছে। বাকি তিনজন বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত রয়েছেন।
থানায় দায়ের করা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) সূত্রে জানা গেছে, ফিশিং ট্রলার ‘এফভি দেশ’ সাগরে মাছ শিকার শেষে গত ২৯ জুন দুপুর আড়াইটার দিকে কর্ণফুলী নদীতে নোঙর করে। মঙ্গলবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে ট্রলারটির ইঞ্জিন কক্ষে বিস্ফোরণের পর আগুনের সূত্রপাত হয়, যা দ্রুত পাশের আরেকটি জাহাজেও ছড়িয়ে পড়ে।
নৌ-পুলিশের সদরঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, বিস্ফোরণের পর আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। গুরুতর আহত তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়েছে। অপর তিনজন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।