কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৫ অক্টোবর ২০২৫, ০১:৪৫ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

দুদকের মামলায় খালাস পেলেন বিএনপি নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। ছবি : কালবেলা
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। ছবি : কালবেলা

১৬ বছর আগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

রোববার (৫ অক্টোবর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক মুহাম্মদ কামরুল হাসান খান এই রায় ঘোষণা করেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. বোরহান উদ্দিন এ তথ্য জানান।

এদিন গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আদালতে উপস্থিত হন। তার উপস্থিতিতে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। এর আগে গত ২৫ সেপ্টেম্বর যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য ৫ অক্টোবর দিন ধার্য করেন আদালত।

২০০৯ সালের ৫ জানুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশনের উপপরিচালক এস. এম. মফিদুল ইসলাম বাদী হয়ে রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, রায়ের বাজারে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের একটি ছয়তলা বাড়ি রয়েছে, যার নির্মাণ ব্যয় ৪০ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং কেরানীগঞ্জে পৈতৃক জমিতে তার বাড়ির নির্মাণ ব্যয় ১৫ লাখ ৪ হাজার টাকা উল্লেখ করা হয়। অথচ গণপূর্ত বিভাগ কর্তৃক ওই বাড়ি দুটির অতিরিক্ত নির্মাণ ব্যয় পাওয়া যায় ২৫ লাখ ৩৬ হাজার ৫০৫ টাকা, যা তার গোপন করা এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ হিসেবে চিহ্নিত হয়।

এ ছাড়া গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের বাসায় ব্যবহার্য ৫৮ হাজার ৬০০ টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী পাওয়া যায়, যা তার ঘোষণা ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ২০০৪-২০০৫ সালে ক্ষমতাসীন দলের নেতা হওয়ার সুবাদে অবৈধভাবে প্রভাব খাটিয়ে মেসার্স আব্দুল মোনেম লিমিটেড ও রেজা কন্সট্রাকশন লিমিটেড নামের দুটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান থেকে ২ কোটি ৬১ লাখ টাকা গ্রহণ করেন, যা তার অবৈধ অর্জন। তার বাড়ি নির্মাণ, ইলেকট্রনিক সামগ্রী এবং অবৈধভাবে অর্থ আদায়ের মাধ্যমে অর্জিত মোট সম্পদের পরিমাণ ২ কোটি ৮৬ লাখ ৯৫ হাজার ১০৫ টাকা। এসব অর্থ সম্পদ তিনি অবৈধভাবে অর্জন করেছেন মর্মে মামলায় অভিযোগ করা হয়। মামলাটি তদন্ত শেষে একই বছরের ৫ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন এস. এম. মফিদুল ইসলাম।

২০১০ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। মামলার বিচার চলাকালে ৪৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৯ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দেশে ফিরেছেন ৩৭৪৩৫ হাজি

দক্ষিণ লেবাননে দুই ইসরায়েলি সেনা নিহত

চার বছরেও শেষ হয়নি সড়কের কাজ, দুর্ভোগে এলাকাবাসী

রামিসা হত্যা মামলা / ৩ মাসের মধ্যে এ বিচার প্রক্রিয়া শেষ করা সম্ভব: আইনমন্ত্রী

গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে এবার আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর পালা : প্রধানমন্ত্রী

কফিনবন্দি হয়ে ফিরলেন লেবাননে নিহত সাতক্ষীরার দুই প্রবাসী

৬ কার্যদিবসের মধ্যে রামিসা হত্যা মামলার বিচার সম্পন্ন, ইতিহাসে প্রথম: আইনমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রে দুই বন্দুকধারীর মধ্যে গোলাগুলি, গুলিবিদ্ধ ১২

হাইকোর্টে নথি পৌঁছলে দ্রুত শুনানির উদ্যোগ নেয়া হবে: অ্যাটর্নি জেনারেল 

রামিসা হত্যা মামলা : আদালতের রায়কে স্বাগত জানাল জনতা

১০

নদীর চরে পড়ে ছিল জেলের মরদেহ 

১১

সিলেট সীমান্তজুড়ে বিজিবির টহল জোরদার

১২

রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ সেই শিশুর বাবার, দ্রুত কার্যকরের দাবি

১৩

ইসরায়েলি হামলায় লেবাননের জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তা নিহত

১৪

মধ্যস্থতার বার্তা নিয়ে তেহরানে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৫

নতুন বাজেটে পে-স্কেল নিয়ে বড় ধামাকা

১৬

পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলা / বড় অঙ্কের জরিমানাও দিতে হবে সোহেল-স্বপ্নাকে

১৭

 বাহরাইন-কুয়েতে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান

১৮

ঈদযাত্রায় প্রাণ হারালেন ৪৩৮ জন

১৯

নতুন উড়োজাহাজ কিনছে আমিরাতের ইতিহাদ এয়ারওয়েজ

২০
X