কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫৪ পিএম
আপডেট : ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৭:০৫ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

সহকারী শিক্ষক পদে ৪৬ হাজার পরীক্ষার্থীর ফল পুনরায় প্রকাশের নির্দেশ

সহকারী শিক্ষক পদের পরীক্ষার্থীরা। পুরোনো ছবি
সহকারী শিক্ষক পদের পরীক্ষার্থীরা। পুরোনো ছবি

ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে ২০২৩ সালে কোটার ভিত্তিতে পরীক্ষা নেওয়া সরকারী শিক্ষক পদে ৪৬ হাজার ১৯৯ জন পরীক্ষার্থীর ফল মেধার ভিত্তিতে পুনরায় প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে ১৫১ জন রিট পিটিশনারকে সহকারী শিক্ষক পদে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে নিয়োগ দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে করা আবেদনের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই রায় দেন।

আদালতে রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, প্রাইমারি স্কুলের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ব্যাপারে ২০২৩ সালে একটি সার্কুলার হয়েছিল। সেই সার্কুলার অনুযায়ী তখনকার সময়ে বিদ্যমান যে কোটা পদ্ধতি ছিল, সেখানে ৮৪ শতাংশ কোটার ভিত্তিতে নিয়োগ হয়েছিল। সেটাকে চ্যালেঞ্জ করে ১৫১ জন রিট পিটিশনার হাইকোর্ট ডিভিশনে মামলা করেছিলেন যে, জুলাই বিপ্লবের পরে সুপ্রিম কোর্টের যেহেতু একটা জাজমেন্ট হয়েছে যে, সেখানে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগটা হবে এবং মেধা হবে ৯৩ শতাংশ, তার ভিত্তিতে নিয়োগ হওয়া উচিত।

এই মামলার ভিত্তিতে হাইকোর্ট ডিভিশন ওই নিয়োগটাকে অবৈধ ঘোষণা করে ১৫১ জনকে নিয়োগ দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সরকার আপিল দায়ের করেছিলেন। সেই আপিলটা আজকে শুনানি অন্তে চূড়ান্ত রায় হয়েছে। আপিল ডিভিশন সেই রায়ে তিনটি অবজারভেশন দিয়ে আপিলটিকে নিষ্পত্তি করেছেন।

আদালতের আদেশ হচ্ছে, যে ১৫১ জন রিট পিটিশনার যারা ছিলেন, তাদেরকে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে নিয়োগ দেওয়ার জন্য সুপ্রিম কোর্ট সরকারের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন।

দ্বিতীয় যে নির্দেশনাটা দিয়েছেন, যে ৪৬ হাজার ১৯৯ জন পরীক্ষার্থী সেই সময়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলেন, কিন্তু রেজাল্ট পাবলিশড হয়েছিল তখন বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি অনুযায়ী। সুপ্রিম কোর্ট আজকে রায় দিয়েছেন যে, পুনরায় এই ৪৬ হাজার ১৯৯ জনের রেজাল্ট সুপ্রিম কোর্টের কোটার বিরুদ্ধে যে রায়টা ছিল- অর্থাৎ সিপি নাম্বার ২৫১৬ অব ২০২৪-এ কোটাকে বাতিল করে যে রায়টা দিয়েছিল- সেই রায়ের আলোকে এই রেজাল্টটা পুনরায় প্রকাশ করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।

তৃতীয় আদেশ হচ্ছে, যে এই মামলা সুপ্রিম কোর্টে চলাকালীন সময় যারা এরই মধ্যে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন- ৬ হাজার ৫৩১ জন শিক্ষক, তাদের নিয়োগটা ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালত বহাল রাখতে বলেছেন।

এই রায়ের মাধ্যমে কোটা পদ্ধতির ব্যাপারে বাংলাদেশের আগের যে কোটা পদ্ধতি ছিল সেটা বাতিল হলো এবং নতুন করে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়ার জন্য সুপ্রিম কোর্টের আগের রায়টা পুনরায় বলবৎ করা হলো।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

স্থানীয় নির্বাচনে ভোটকক্ষে ভোটার বাড়াল ইসি, গেজেট জারি 

শিক্ষার্থীকে উড়ন্ত বিমানে রেখেই ঝাঁপ দিয়ে প্রশিক্ষক পাইলটের আত্মহত্যা

চেকপোস্টের সামনে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, জাপান ফেরা হলো না প্রবাসী পরিবারের

সুনামগঞ্জে আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা, জরুরি কন্ট্রোল রুম চালু

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে জাতীয় পরিবেশ পদক নিলেন ঢাবি প্রো ভিসি

মার্কিন হামলা উপেক্ষা করে খামেনির শেষ বিদায়ে লাখো মানুষের সমাগম

বসুন্ধরা শপিংমলে নিম্নমানের শিশুখাদ্য ও কসমেটিক বিক্রি, ২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

আ.লীগ আমলে ক্রসফায়ারে নিহতদের তথ্য প্রকাশে লিগ্যাল নোটিশ

ফিফার নতুন নিয়মে ফাইনালে ওঠার পথ সহজ আর্জেন্টিনাসহ ৪ দলের

যুগ্মসচিব হলেন আরও ৭ কর্মকর্তা

১০

সুনামগঞ্জে পর্যটক পরিবহনে সতর্কতা জারি

১১

ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতকে জরুরি তলব ইরানের

১২

সহকারী শিক্ষক পদে ৪৬ হাজার পরীক্ষার্থীর ফল পুনরায় প্রকাশের নির্দেশ

১৩

বিপুল ইয়াবাসহ মাদক চক্রের চার সদস্য গ্রেপ্তার

১৪

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পণ্য খালাস বন্ধ

১৫

সন্ধ্যা ৭টায় শপথ নেবেন চট্টগ্রাম-২ আসনের বিজয়ী প্রার্থী সারোয়ার আলমগীর

১৬

মৌলভীবাজারে পানিবন্দি ১৫ হাজার মানুষ

১৭

ইরানের হরমুজ তীরবর্তী বন্দরে একাধিক বিস্ফোরণ

১৮

বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল থেকে ছিটকে যেতে পারেন যারা

১৯

বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে ১১ মৃত্যু, হাইকোর্টে রিট

২০
X