

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন ২০২৫-এর তারিখ পিছিয়ে আনায় ঘোষিত তপশিল নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আপ বাংলাদেশ। ঘোষিত তপশিল শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশার পরিপন্থি এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পূর্ব প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মন্তব্য করেছে তারা।
বুধবার (০৫ নভেম্বর) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা শহীদ রফিক ভবনের নিচে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির নেতারা এ প্রতিক্রিয়া জানান।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে দ্রুততম সময়ে নির্বাচন চেয়ে আসছে। কিন্তু কমিশন ঘোষিত তপশিলে নির্বাচন অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে পেছানো হয়েছে যা শিক্ষার্থীদের গণআকাঙ্ক্ষার প্রতি উপেক্ষা বলে মনে করে আপ বাংলাদেশ।
বক্তব্যে আরও বলা হয়, ক্যাম্পাসে এখন এক ধরনের অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। তপশিল পেছানো সেই অনিশ্চয়তাকে আরও ঘনীভূত করবে।
এ সময় সংগঠনটির পক্ষ থেকে তিন দফা দাবি জানানো হয়। তাদের দাবিগুলো হল- ১.ঘোষিত তপশিল পুনর্বিবেচনা করে দ্রুততম সময়ে নির্বাচন আয়োজন করতে হবে, ২.নির্বাচন কমিশনকে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পরামর্শ করে নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করতে হবে ও ৩.বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ অবস্থান নিশ্চিত করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে নেতারা বলেন, জকসু নির্বাচন শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক অধিকার ও প্রতিনিধিত্বের প্রতীক। এ অধিকারকে বিলম্বিত করার যে কোনো প্রয়াসের বিরুদ্ধে আমরা শান্তিপূর্ণভাবে কিন্তু দৃঢ় অবস্থানে থাকব।
সংবাদ সম্মেলনে আপ বাংলাদেশের সংগঠক মাসুদ রানা, তাওহীদুল ইসলাম সহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।