কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:৩৪ এএম
অনলাইন সংস্করণ

কেন্দ্রে ভোটাররা যা করতে পারবেন, যা পারবেন না

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে এসেছে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এবারের নির্বাচনে একটি নয়, দিতে হবে দুটি ভোট। সংসদ সদস্য নির্বাচিত করার পাশাপাশি ভোটাররা দেবেন গণভোটও। নির্বাচনী ব্যালটে যেখানে বিভিন্ন দলের প্রতীক থাকে, সেখানে গণভোটে থাকবে দুটি অপশন। ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ ভোটের মাধ্যমে ভোটাররা তাদের মত জানাবেন।

এবারের নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯ জন ভোটার। ইসির তথ্য অনুযায়ী, মোট ভোটারের মধ্যে পুরুষ ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ১৫৪ জন, নারী ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৫ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ১ হাজার ২২০ জন।

ভোটের দিন প্রার্থী, পোলিং এজেন্টসহ সংশ্লিষ্ট সবার জন্যই কিছু বিধিনিষেধ থাকবে। ভোটাররাও এর বাইরে নন। ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের পর তাদের করণীয় এবং যেসব কাজ করা যাবে না, সেগুলো হলো—

১. ভোটারদের সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টার মধ্যে নির্ধারিত কেন্দ্রে উপস্থিত হতে হবে। বিকেল ৪টার আগে লাইনে দাঁড়াতে পারলে সময় শেষ হলেও ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকবে।

২. কেন্দ্রের ভেতরে পার্স ছাড়া অন্য কোনো ব্যাগ নেওয়া যাবে না।

৩. মোবাইল ফোন সঙ্গে নেওয়া যাবে এবং ছবি তোলাও সম্ভব, তবে গোপন কক্ষে (মার্কিং প্লেসে) মোবাইল ব্যবহার করা যাবে না।

৪. যে কোনো পোশাক পরে ভোট দিতে যাওয়া যাবে। তবে কেউ নেকাব পরলে পোলিং এজেন্টের অনুরোধে একবারের জন্য তা খুলে পরিচয় নিশ্চিত করতে হতে পারে।

৫. কোনো ধরনের দাহ্য পদার্থ বা অস্ত্র নিয়ে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

৬. এনআইডি সঙ্গে রাখা বাধ্যতামূলক নয়, তবে থাকলে পরিচয় নিশ্চিত করা সহজ হবে।

৭. ভোটারের নাম ও ক্রমিক নম্বর মিলিয়ে পোলিং অফিসার আঙুলে অমোচনীয় কালি দেবেন। এরপর প্রিসাইডিং বা পোলিং অফিসার দুটি ব্যালট পেপার দেবেন—একটি সংসদ নির্বাচনের জন্য, অন্যটি গণভোটের জন্য।

৮. ব্যালট পেপারের পেছনে অফিসিয়াল সিল ও প্রিসাইডিং অফিসারের স্বাক্ষর আছে কি না, তা অবশ্যই দেখে নিতে হবে। এরপর নির্ধারিত গোপন কক্ষে গিয়ে ভোট দিতে হবে।

৯. ভোটের গোপনীয়তা বজায় রাখতে এবং ভোট বাতিল এড়াতে ব্যালট সঠিকভাবে ভাঁজ করা জরুরি। পছন্দের প্রার্থীর প্রতীকের ওপর রাবার স্ট্যাম্প দিয়ে স্পষ্টভাবে সিল দিতে হবে।

১০. গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’—যেটি পছন্দ, আলাদা ব্যালটে সেটিতে সিল দিতে হবে। সিল দেওয়ার পর ব্যালট এমনভাবে ভাঁজ করতে হবে, যাতে কালি অন্য প্রতীকে না লাগে। সাধারণত লম্বালম্বি ভাঁজ করাই নিরাপদ। এরপর নির্ধারিত স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ব্যালট ফেলতে হবে। ভোট দেওয়া শেষ হলে দ্রুত কেন্দ্র ত্যাগ করতে হবে।

কালবেলা/এমএসকেএম
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বন্যা মোকাবিলায় নির্ভুল পূর্বাভাস ও পরিকল্পিত নগরায়ণের বিকল্প নেই

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রথম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

সাতক্ষীরা-৪ কি হাতছাড়া হচ্ছে জামায়াতের?

সংঘবদ্ধ সাইবার হয়রানির শিকার নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা

দুই দফা বাড়ার পর স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরি কত?

রয়টার্সের প্রতিবেদন / পদত্যাগের সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীকে আগেই জানিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি

নিজ বেতনের টাকায় জুলাই শহীদ পরিবারের পাশে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

‘জনা নায়াগান’ দেখতে গিয়ে নাজেহাল তৃষা কৃষ্ণান

ইরানে টানা ১৩তম রাতে হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র

কুষ্টিয়া সীমান্তে ৮ জনকে পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করল বিজিবি

১০

পরিত্যক্ত কাভার্ডভ্যানে মিলল সোয়া ৩ কোটি টাকার চোরাচালান পণ্য

১১

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ ইস্যু, দুপুরে দেশে ফিরছেন স্পিকার

১২

ব্যর্থতা মেনে নেওয়া যায়, কিন্তু প্রতারণা নয়: শিক্ষার্থী আন্দোলন নিয়ে শচীন

১৩

ফুটবলকে বিদায় জানালেন জনপ্রিয় আর্জেন্টাইন তারকা

১৪

গ্রাহকদের ৪০ লাখ টাকা নিয়ে উধাও ‘পল্লী বন্ধু উন্নয়ন সংস্থা’

১৫

বরিশাল বিসিকে কারখানা থেকে শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার

১৬

রয়টার্সের প্রতিবেদন / হাসিনাকে ঘিরে চাপ, শুক্রবারই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ

১৭

ছেলেকে মারধরের প্রতিবাদ করায় বাবাকে কুপিয়ে জখম

১৮

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে যে বার্তা দিলেন মোদি

১৯

বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে আজ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক কার্যকর

২০
X