রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় ‘তোকে জুলাই ভরে দেওয়া হবে’ বলে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর হামলা করা হয় বলে জানিয়েছেন ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা।
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাতে ঢাক বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এ তথ্য জানান।
ঘটনার বর্ণনা জানিয়ে বিন ইয়ামিন মোল্লা বলেন, “‘তোকে জুলাই ভরে দেওয়া হবে’ বলে নুরের ওপর হামলা করা হয়। কারা জুলাইকে সহ্য করতে পারে না আপনারা জানেন না? যারা জুলাইকে সহ্য করতে পারে না তারা এ নৃশংস হামলা করেছে।”
তিনি আরও বলেন, ‘এই জাতীয় পার্টি (জাপা) ফ্যাসিবাদের দোসর, এতে কারও দ্বিমত নেই। যেভাবে আজকে নুরকে লাঠি ও বুট দিয়ে মারা হয়েছে তা থেকে বোঝা যায়, এটা একটা উদ্দেশ্যমূলক হামলা। যারা জুলাইকে সহ্য করতে পারছে না তারা তার ওপর এই নৃশংস হামলা চালিয়েছে।’
এদিকে নুরুল হক নুরের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়া হয়েছে। ৪৮ ঘণ্টা না গেলে তার বিষয়ে কিছু বলা যাবে না বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।
শুক্রবার রাত ১২টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ইমারজেন্সি সেন্টার (ওসিসি) থেকে আইসিইউতে নেওয়া হয় তাকে।
তথ্যটি নিশ্চিত করে ঢামেক হাসপাতালের ওসিসির এক চিকিৎসক গণমাধ্যমকে জানান, আহত নুরুল হক নুর ওসিসির এক নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তার নাকে ও চোখে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় আইসিইউতে রেফার করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি আইসিইউর ৯ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন। ৪৮ ঘণ্টা না গেলে তার বিষয়ে কিছু বলা যাবে না।
রাত ১১টার দিকে নুরুল হক নুরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ইমারজেন্সি সেন্টারে আনা হয়।
মন্তব্য করুন