ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশ : ২৩ জুন ২০২৬, ০২:৫৪ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

চেয়ারে বসে নামাজ আদায়কালে চেয়ারের পা কোথায় থাকবে?

ছবি : জেমিনি
ছবি : জেমিনি

বর্তমান সময়ে অসুস্থতা, বার্ধক্য কিংবা শারীরিক অক্ষমতার কারণে অনেক মুসল্লিকে চেয়ারে বসে নামাজ আদায় করতে দেখা যায়। তবে চেয়ারে নামাজ পড়ার ক্ষেত্রে একটি সাধারণ প্রশ্ন প্রায়ই সামনে আসে, কাতারে বসার সময় চেয়ারের কোন অংশকে ভিত্তি ধরে অবস্থান নির্ধারণ করতে হবে? অনেকেই চেয়ারের সামনের পা কাতার বরাবর রাখেন, আবার কেউ পেছনের পা মিলিয়ে বসেন। ফলে কাতারের শৃঙ্খলা ও সমতা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

ইসলামি ফিকহবিদরা এ বিষয়ে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।

দারুল উলুম দেওবন্দের ফতোয়াবিষয়ক ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি দাঁড়াতে সক্ষম না হন এবং শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো নামাজ চেয়ারে বসে আদায় করেন, তাহলে কাতারে দাঁড়িয়ে থাকা মুসল্লিদের পায়ের রেখা বরাবর চেয়ারের পেছনের দুই পা রাখতে হবে। অর্থাৎ, কাতারে তার অবস্থান নির্ধারিত হবে চেয়ারের পেছনের পা দ্বারা। এতে কাতারের সমতা বজায় থাকবে এবং তিনি কাতার থেকে সামনে এগিয়ে যাবেন না।

দাঁড়াতে সক্ষম হলেও রুকু-সেজদা বসে করলে

যদি কোনো ব্যক্তি ক্বিয়াম (দাঁড়ানো) করতে সক্ষম হন, কিন্তু রুকু ও সেজদা চেয়ারে বসে আদায় করতে হয়, তাহলে তিনি কাতারে থাকা মুসল্লিদের সঙ্গে সমানভাবে দাঁড়াবেন। এ ক্ষেত্রে চেয়ারটি কিছুটা পেছনে রাখবেন, যাতে দাঁড়ানো অবস্থায় তিনি কাতারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকেন। তবে চেয়ার পেছনে নেওয়ার কারণে যদি পেছনের কাতারের মুসল্লিদের চলাচল বা নামাজে বিঘ্ন ঘটে, তাহলে সে ক্ষেত্রে প্রথম পদ্ধতি অনুসরণ করবেন। অর্থাৎ কাতারের পা বরাবর চেয়ারের পেছনের পা রেখে নামাজ আদায় করবেন (ফতোয়া নম্বর: ১২৯৪-১১৬৯/এল=১১/১৪৪০)

করণীয়

চেয়ারে বসে নামাজ আদায়কারী মুসল্লিদের উচিত এমনভাবে অবস্থান নেওয়া, যাতে কাতারের শৃঙ্খলা অক্ষুণ্ন থাকে এবং অন্য মুসল্লিদের জন্য কোনো ধরনের অসুবিধা সৃষ্টি না হয়। শরিয়তের নির্দেশনা অনুযায়ী সঠিক অবস্থান বজায় রেখে নামাজ আদায় করলে ইবাদতের সৌন্দর্য ও জামাতের শৃঙ্খলা উভয়ই রক্ষা পায়।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

গোপালগঞ্জে পুলিশ-সেনার সতর্ক পাহারা, দেখা মেলেনি আ.লীগ নেতাকর্মীদের

ইউরোপে তীব্র তাপপ্রবাহে বিদ্যুৎ গ্রিডে চাপ, ব্ল্যাকআউট ও দাম বৃদ্ধির শঙ্কা

ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত সব রোগ প্রতিরোধে উচ্চপর্যায়ের ‘টাস্কফোর্স’ গঠন

মামলা জটে আটকে ৩২৫০০ প্রধান শিক্ষকের নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী

কেন পাকিস্তান সফরে গেলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট?

নিরাপদ খাদ্যের লড়াইয়ে গণমাধ্যম : এফওপিএল নিয়ে সাংবাদিক কর্মশালা

নারী মাদককারবারিকে পুলিশে দিল ছাত্রদল

চট্টগ্রামে ডেঙ্গু ঝুঁকিতে তিন স্কুলের দেড় হাজার শিক্ষার্থী

সংসদ সদস্যদের প্রতি স্পিকারের কড়া নির্দেশনা

ডেঙ্গু মোকাবিলায় শ্রীলঙ্কায় সেনা মোতায়েন

১০

মেসিকে বাড়তি সুবিধা দিচ্ছে ফিফা!

১১

পানি পান করে হাসপাতালে ৩২ শিক্ষার্থী

১২

হোয়াইট হাউসে হামলার ষড়যন্ত্র, এফবিআইয়ের জালে আরও দুজন

১৩

কাউকে গ্রেপ্তারের আগে সঠিকভাবে পরিচয় নিশ্চিত করুন : মেয়র শাহাদাত

১৪

সিএনএনের বিশ্লেষণ / তেলের দাম কি এখন চীনের ওপর নির্ভর করবে?

১৫

ময়মনসিংহে হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু

১৬

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে চট্টগ্রামে কড়া সতর্কতা

১৭

শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ দিতে না পারার কারণ জানালেন মন্ত্রী

১৮

বেলারুশকে রক্ষায় সব ধরনের ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত রাশিয়া

১৯

বিশ্বকাপের নকআউটে উঠেছে যেসব দল, বিদায় নিশ্চিত যাদের

২০
X