

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে (ডিআর কঙ্গো) ইবোলার প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আফ্রিকা সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন। সংস্থাটির মহাপরিচালক জ্যাঁ কাসেয়া সতর্ক করেছেন, এখনই ভাইরাসের বিস্তার থামানো না গেলে এটি বিশ্বের ইতিহাসে নথিভুক্ত সবচেয়ে বড় ইবোলা প্রাদুর্ভাবে পরিণত হতে পারে।
মঙ্গলবার ডিআর কঙ্গোর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মে প্রাদুর্ভাব ঘোষণার পর গত ৬৫ দিনে দেশে নিশ্চিত ইবোলা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৪২৩ জনে। এর মধ্যে ৯৬৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে মৃত্যুহার ৩৯ দশমিক ৯ শতাংশ এবং সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের শনাক্তের হার ৮১ দশমিক ১ শতাংশ। খবর আনাদোলু এজেন্সির।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় জ্যাঁ কাসেয়া বলেন, ‘ইবোলার প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক গতিতে বাড়ছে। এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে। আজ যদি আমরা এটি থামাতে না পারি, তবে এটি বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় প্রাদুর্ভাব হয়ে উঠবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এটি দেরি করার সময় নয়। সব ধরনের সম্পদ কাজে লাগিয়ে মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে, যাতে আরও প্রাণহানি রোধ করা যায়।’
বর্তমানে দেশটির পাঁচটি প্রদেশ হাউট-উয়েলে, ইতুরি, নর্থ কিভু, সাউথ কিভু ও তশোপোতে ইবোলা ছড়িয়ে পড়েছে। এর মধ্যে বুন্ডিবুগিও ভাইরাস স্ট্রেইনের কারণে সৃষ্ট এই প্রাদুর্ভাবের কেন্দ্রস্থল হিসেবে ইতুরি প্রদেশকে চিহ্নিত করা হয়েছে।