কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০১:২৮ পিএম
আপডেট : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০১:৩৫ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ট্রাম্পের কটাক্ষের পরই বায়ুশক্তিতে ঝুঁকছে ইউরোপের ৯ দেশ

উত্তর সাগরে বায়ু টারবাইন। ছবি : সংগৃহীত
উত্তর সাগরে বায়ু টারবাইন। ছবি : সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত মাসে দাভোস-এ দেওয়া এক ভাষণে বায়ুশক্তিকে কটাক্ষ করে ‘উইন্ডমিলকে লুজার’ আখ্যা দেন এবং যারা এগুলো কেনে তাদের ‘বোকা মানুষ’ বলে মন্তব্য করেন। ট্রাম্পের এমন কটাক্ষের মাত্র পাঁচ দিন পরই ইউরোপের নয়টি দেশ উত্তর সাগরে একটি বিশাল অফশোর বায়ুশক্তি হাব নির্মাণে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

সিএনএনের খবরে বলা হয়, এই চুক্তি সরাসরি ট্রাম্পের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া নয়, তবে এটি ইউরোপের জন্য একটি বিশাল সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিচ্ছে। এর মাধ্যমে ইউরোপ তার জ্বালানি নিরাপত্তা বাড়াতে পারবে এবং এমন এক সময়ে মার্কিন তেল ও গ্যাসের ওপর নির্ভরতা কমাতে পারবে, যখন যুক্তরাষ্ট্রকে অনেকেই অনির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে দেখছে।

ইউরোপসহ অনেক জ্বালানি-আমদানিকারক অর্থনীতি এখন নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে জ্বালানি স্বাধীনতার সমার্থক হিসেবে দেখছে। ভারত দ্রুতগতিতে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন করছে, আর চীন ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে যত নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ চালু আছে তার চেয়েও বেশি পরিমাণে নতুন বায়ু ও সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন করেছে।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র জীবাশ্ম জ্বালানিতে জোর দিচ্ছে এবং বায়ু ও সৌর প্রকল্পগুলো বন্ধ করার চেষ্টা করছে। গেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক রাজনীতির সহযোগী অধ্যাপক থিজ ভ্যান ডি গ্রাফ-এর ভাষায়, জ্বালানি নীতিতে যুক্তরাষ্ট্র এখন ‘সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও রাশিয়ার মতো পেট্রোস্টেটগুলোর সঙ্গে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ।’

এই বৃহৎ অফশোর উইন্ড প্রকল্পকে যৌথ ঘোষণায় বিশ্বের বৃহত্তম পরিচ্ছন্ন জ্বালানি কেন্দ্র বলা হয়েছে। চুক্তিটি স্বাক্ষর করেছে বেলজিয়াম, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, জার্মানি, আয়ারল্যান্ড, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে ও যুক্তরাজ্য। এটি জার্মানিতে অনুষ্ঠিত নর্থ সি সামিট- এ স্বাক্ষরিত হয়।

প্রকল্পটি থেকে ১০০ গিগাওয়াট অফশোর বায়ু বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য ধরা হয়েছে, যা প্রায় ৫ কোটি বাড়িতে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য যথেষ্ট। উচ্চ-ভোল্টেজ সাবসি (সমুদ্রতলদেশীয়) কেবলের মাধ্যমে এই বিদ্যুৎ সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে যুক্ত হবে।

এটি জ্বালানি স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি, সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি কৌশল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

কালবেলা/এসএ/এমএসকেএম/এসওআর
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রোড রোলার প্রশিক্ষণে সুইডেন সফরের খবর ভিত্তিহীন: চসিক মেয়র

ফাহিমা হত্যা মামলার প্রধান আসামিকে ফের আদালত চত্বরে হামলার চেষ্টা

তদন্ত চলাকালেই বদলি চসিকের আলোচিত সেই প্রকৌশলী দম্পতি

রাতে স্টেডিয়ামে গাঁজা সেবন, ভ্রাম্যমাণ আদালতে যুবকের কারাদণ্ড

পরশুরামে শিক্ষিকার ফ্ল্যাট থেকে কিশোরী গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

বিডার উদ্যোগে বাস্তবায়নের পথে ৪০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ

কমনওয়েলথ গেমসে উড়ছে লাল-সবুজের পতাকা

রেল অবরোধে ৩৫ লাখ টাকার ক্ষতির দাবি, দুঃখ প্রকাশ পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের

১২ গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা, বোর্ড ও করপোরেশনে নতুন চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ

গ্যাস সংকটে সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ সারি, ভোগান্তিতে চালকরা

১০

জোড়াতালি দিয়ে চলছে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, নেই পর্যাপ্ত চিকিৎসা ব্যবস্থা

১১

চকরিয়ায় বন্যায় সড়ক বিধ্বস্ত, ক্ষতি প্রায় ৩২ কোটি টাকা

১২

চাকরি ফিরে পেলেন ‘টিপকাণ্ডে’ বহিষ্কৃত সেই পুলিশ সদস্য

১৩

ইরানের বিরুদ্ধে ‘বৃহৎ সামরিক হামলা’ বিবেচনায়: ট্রাম্প

১৪

লেবাননে প্যারামেডিকদের ওপর ইসরায়েলের ড্রোন হামলা

১৫

ওমরাহ পালনে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের নিহত ৩

১৬

নিরাপত্তার জেরে ইরান থেকে দূতাবাসকর্মীদের প্রত্যাহার করে নিল যুক্তরাজ্য

১৭

দেশে চাঁদাবাজি-দুর্নীতি আগের চেয়েও বেড়েছে: গাজী আতাউর

১৮

জলাবদ্ধ সড়কে হাঁস ছেড়ে ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ 

১৯

জাবি চিকিৎসা কেন্দ্র উন্নয়নে প্রশাসনের ৫ সিদ্ধান্ত

২০
X