

ইরানে ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত দুই ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে হামেদ ভালিদি এবং মোহাম্মদ মাসুম শাহী নামের দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদসংস্থা তাসনিম নিউজ এই তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই ব্যক্তি বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছিলেন। এই প্রশিক্ষণের মধ্যে ছিল নিরাপদ যোগাযোগব্যবস্থা ব্যবহার, সংবেদনশীল স্থাপনা শনাক্তে সমন্বয় ও বিস্ফোরক প্রজেক্টাইল তৈরি।
খবরে আরও বলা হয়, এই দুই ব্যক্তি ইরানের সামরিক ও সরকারি স্থাপনায় অগ্নিসংযোগের পাশাপাশি নিজেদের কর্মকাণ্ডের ভিডিও তাদের নিয়ন্ত্রণকারীদের কাছে পাঠাতেন। এর বিনিময়ে তারা ক্রিপ্টোকারেন্সিতে পারিশ্রমিক গ্রহণ করতেন।
মামলার নথিপত্রের ভিত্তিতে জানা যায়, এই ব্যক্তিরা একটি গুপ্তচর নেটওয়ার্কের সদস্য ছিল, যারা ইন্টারনেট এবং ইরাকি কুর্দিস্তানে ভ্রমণের মাধ্যমে ইসরায়েলি গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করত। মোসাদ তাদেরকে তেহরানের দুটি সরকারি ও সামরিক কেন্দ্রে হামলা চালানোর জন্য একটি নতুন মিশন দেয়। সন্ত্রাসী হামলা ও অন্তর্ঘাত চালানোর প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর তারা দেশে ফিরে আসে।
উল্লেখ্য, ইরানে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার অনুপ্রবেশের মাত্রা নিয়ে উচ্চপর্যায়ের স্বীকারোক্তির মধ্যেই মৃত্যুদণ্ডের ঘটনা ঘটলো। ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের প্রধান ডেভিড বারনিয়া দাবি করেছেন, সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানের সময় তাদের এজেন্টরা তেহরানের কেন্দ্রস্থলে সক্রিয় ছিল।