

ইরানের সঙ্গে সম্পৃক্ত ১৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির ট্রেজারি বিভাগ জানিয়েছে, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এবং ইরানের শীর্ষ নেতাদের আর্থিক নেটওয়ার্ক পরিচালনার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল দপ্তর (ওএফএসি) জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে আন্তর্জাতিক নৌযানের ওপর ইরানের নতুন হামলার পর এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছেন আলি আনসারি। যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি এবং দেশটির শাসকগোষ্ঠীর আর্থিক সম্পদ পরিচালনার একটি বৈশ্বিক নেটওয়ার্ক তদারকি করতেন। শেল কোম্পানি ও বিদেশি বিনিয়োগের মাধ্যমে তিনি ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যে বিপুল পরিমাণ অর্থ রিয়েল এস্টেট ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক খাতে সরিয়ে নিয়েছেন বলেও দাবি ওয়াশিংটনের।
এছাড়া বিলুপ্ত আয়ানদেহ ব্যাংকের মাধ্যমে কয়েকশ কোটি ডলার আত্মসাতের অভিযোগও আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।
নিষেধাজ্ঞার আওতায় এসেছে ইরানের তিনটি মানি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠান, তাদের শীর্ষ কর্মকর্তারা এবং হংকং ও সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক কয়েকটি কোম্পানিও। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এসব প্রতিষ্ঠান শেল কোম্পানির মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা ইরানি ব্যাংকগুলোর অর্থ লেনদেন গোপন করতে সহায়তা করত।
এর আগে ৮ জুলাই হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলার জেরে ইরানের তেল বিক্রির অনুমতি দেওয়া একটি সাধারণ লাইসেন্স বাতিল করে যুক্তরাষ্ট্র। তবে চলমান লেনদেন শেষ করার জন্য ১৭ জুলাই পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। একই সময়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি শেষ হয়েছে বলে ঘোষণা দিলেও, তেহরানের অনুরোধে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার কথাও জানান।