শফিকুল ইসলাম
প্রকাশ : ১৫ নভেম্বর ২০২৫, ১২:০০ এএম
আপডেট : ১৫ নভেম্বর ২০২৫, ০৭:২২ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

বেশি পেল কারা, কম পাওয়ার পাল্লা ভারী কোন দিকে

জুলাই সনদ আদেশ বিতর্ক
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

দীর্ঘ আলোচনার পর জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি করা হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস গত বৃহস্পতিবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে বহুল আলোচিত ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’-এর মাধ্যমে সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নের পদ্ধতি ঘোষণা করেন। একই দিনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আদেশটি জারি করেন এবং পরে আইন মন্ত্রণালয় আদেশের গেজেট প্রকাশ করে। তবে এ আদেশ জারির আগে সনদ প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) বিভিন্ন দলের মধ্যে মতভিন্নতা ছিল। রাজনৈতিক দলগুলোকে মতভিন্নতা কাটিয়ে সমন্বিত প্রস্তাব দিতে সরকার সাত দিন সময় দিলেও দলগুলোর মধ্যে কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি। এমন অনৈক্যের মধ্যেই আদেশ জারি হয়েছে। এখনো বিপরীত মেরুতেই আছে দলগুলো। ফলে আলোচনা হচ্ছে—জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ ও গণভোট নিয়ে কোন দলের আপত্তির কতটুকু বিবেচনায় নিল সরকার। বিশ্লেষকরা বিষয়টিকে একটু অন্যভাবে দেখার চেষ্টা করছেন। তারা মনে করছেন, এ আদেশের মধ্য দিয়ে বেশি পেল কারা, কম পাওয়ার পাল্লা ভারী কোন দিকে তা ভেবে দেখার প্রয়োজন আছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারের এ পদক্ষেপ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ফলে সৃষ্ট রাষ্ট্রীয় সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা পূরণের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। কিন্তু সনদ বাস্তবায়নের আদেশ জারির পরও রাজনৈতিক বিভাজনের নিরসন হলো না। বরং নতুন করে কয়েকটি বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। এ অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে যে, সরকার তার পদক্ষেপের মাধ্যমে প্রকৃতপক্ষে কোন কুল রক্ষা করল? রাজনৈতিক দলগুলো তাদের ভিন্ন ভিন্ন অবস্থানেই রয়ে গেছে। এর মধ্যে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। তবে কিছু বিষয়ে তাদের আপত্তিও রয়েছে। আবার এনসিপি বলছে, জুলাই সনদের সবকিছু রাজনৈতিক দলের, জনগণ কিছুই পায়নি।

জামায়াতে ইসলামী হতাশা ব্যক্ত করে গণভোটের তারিখ বদলানোর দাবি জানিয়েছে। বেশিরভাগ দল মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, সরকার সবাইকে খুশি রাখার চেষ্টা করলেও মূলত নিজেরা যা চেয়েছে সেটিকেই প্রাধান্য দিয়েছে। ফলে এখানে কোনো কুল রক্ষার বিষয় নয়। অন্তর্বর্তী সরকার সাংবিধানিক সংস্কারের প্রক্রিয়াটি শুরু করে একটি প্রাতিষ্ঠানিক কুল রক্ষা করেছে, কিন্তু রাজনৈতিক কুল রক্ষা করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। সরকার জনগণের সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান জানিয়ে গণভোটের মাধ্যমে জনগণের কাছে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ছেড়ে দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করে সরকার এই দ্বিমুখী চ্যালেঞ্জ সফলভাবে মোকাবিলা করতে পারে কি না?

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে তিন দিন পর শান্তিতে নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেয়। এরপর জোরালো হয় সংস্কারের দাবি। অন্তর্বর্তী সরকার ১১টি সংস্কার কমিশন গঠন করে। এর মধ্যে সংবিধান, নির্বাচন ব্যবস্থা, বিচার বিভাগ, দুর্নীতি দমন কমিশন সংস্কার, পুলিশ ও জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রধানদের নিয়ে গত ১২ ফেব্রুয়ারি গঠিত হয় জাতীয় ঐকমত্য কমিশন, যার সভাপতি ড. ইউনূস নিজেই। ঐকমত্য কমিশন প্রায় নয় মাস ধরে ৩০টি রাজনৈতিক দল ও জোটের সঙ্গে আলোচনা করে।

৩৩টি দল ও জোটের সঙ্গে আলোচনা করে সংবিধানসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে সংস্কারের সুপারিশসহ ৮৪টি প্রস্তাব নিয়ে জুলাই জাতীয় সনদ তৈরি করা হয়। গত ১৭ অক্টোবর সংসদ ভবন চত্বরে জুলাই সনদে স্বাক্ষর অনুষ্ঠান হয়। এরই মধ্যে ২৫টি দল ও জোট জুলাই সনদে স্বাক্ষরের মাধ্যমে সংস্কার বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেছে। এখন পর্যন্ত এনসিপিসহ চারটি বাম রাজনৈতিক দল সনদে স্বাক্ষর করেনি। এমন রাজনৈতিক মতবিরোধের মধ্যেই সনদ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে গত ২৮ অক্টোবর অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে সুপারিশমালা জমা দেয় ঐকমত্য কমিশন। এতে বলা হয়, ৪৮টি প্রস্তাব বাস্তবায়নের জন্য সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজন হবে। আর গণভোট হবে একটি প্রশ্নে। তবে সুপারিশ জমা দেওয়ার পর আরও নতুন সমস্যা তৈরি হয়। বিশেষ করে দলগুলোর দেওয়া ‘নোট অব ডিসেন্ট’ গণভোটে না রাখার সুপারিশ নিয়ে। বিএনপি বিষয়টিকে রাজনৈতিক দল ও জাতির সঙ্গে প্রতারণা হিসেবে অভিহিত করে। এর পরও দলগুলোর মধ্যে ঐক্য না হওয়ায় গত ২ নভেম্বর দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্ত জানাতে সাত দিনের সময় নির্ধারণ করে দেয় সরকার, যা গত ৯ নভেম্বর শেষ হলেও দলগুলোর মধ্যে কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি। অবশেষ গত বৃহস্পতিবার সরকারের প্রধান উপদেষ্টা জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে সনদ বাস্তবায়নের রূপরেখা তুলে ধরেন। এখনো দলগুলো মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছে।

কোন দলের মতামতকে বিবেচনায় নিল সরকার: বিএনপিসহ কিছু দল অভিযোগ করেছে যে, সরকার জুলাই সনদে ঐকমত্য হওয়া বিষয়াবলির বাইরে গিয়ে কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছে বা ভুল ব্যাখ্যা করছে। তারা সরকারকে সনদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার জন্য সতর্ক করেছে। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীসহ সমমনা দলগুলো গণভোটের তারিখ বদলানোর দাবি জানিয়েছে।

জুলাই সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ জারির বিপক্ষে ছিল বিএনপি। তারা চেয়েছিল, প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে এটা হোক। দলটির যুক্তি, এ ধরনের আদেশ জারির এখতিয়ার অন্তর্বর্তী সরকারের নেই। যদিও জামায়াত সাংবিধানিক আদেশের পক্ষে ছিল। এ ছাড়া আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ভোট হবে বলে আগেই বলেছে সরকার। এক্ষেত্রে বিএনপি চেয়েছিল গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ একই দিনে হোক। জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আদেশে বিএনপির এ দাবি পূরণ হয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রে জামায়াতের এই দাবি পূরণ হয়নি। জামায়াত জাতীয় নির্বাচনের আগেই গণভোটের দাবি জানিয়ে আসছে। গতকালও সংবাদ সম্মেলনে গণভোটের তারিখ বদলানোর কথা বলেছে দলটি।

অন্যদিকে সংসদে উচ্চকক্ষ গঠন পিআর (সংখ্যানুপাতিক) পদ্ধতি নিয়ে বিএনপির আপত্তি ছিল। দলটির মতামত ছিল—উচ্চকক্ষে ১০০ আসন বণ্টন হোক নিম্নকক্ষের আসনের অনুপাতে। যেমন নিম্নকক্ষে একটি দল যদি ১৫০টি আসন পায়, তাহলে উচ্চকক্ষে তাদের আসন হবে ৫০টি। উচ্চকক্ষ নিয়ে বিএনপির এ ভিন্নমত আমলে নেওয়া হয়নি। এ ক্ষেত্রে জামায়াত ও এনসিপির দাবি পূরণ হয়েছে। অর্থাৎ সংসদ নির্বাচনে দলগুলো যে অনুপাতে ভোট পাবে, সে অনুপাতে আসন বণ্টন হবে উচ্চকক্ষে। যদি কোনো দল ১০ শতাংশ ভোট পায়, তাহলে উচ্চকক্ষে আসন পাবে ১০টি। সদস্যদের নাম দলগুলো ঠিক করবে। তা ছাড়া সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে উচ্চকক্ষেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা, অর্থাৎ ১০০ জনের মধ্যে অন্তত ৫১ জনের ভোট দরকার হবে। বিএনপি সংবিধান সংশোধনের বিষয়টি উচ্চকক্ষে নেওয়ার বিপক্ষে। এখানেও বিএনপির ভিন্নমত আমলে নেওয়া হয়নি। বিএনপি চেয়েছিল নোট অব ডিসেন্ট, অর্থাৎ ভিন্নমত অনুযায়ী জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ব্যবস্থা হোক। অর্থাৎ নির্বাচনে জয়ী হলে তারা রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ভিন্নমত থাকা প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়ন করবে। কিন্তু এ বিষয়ে বিএনপির দাবি আংশিক পূরণ হয়েছে। মূল বিষয়গুলোতে বিএনপির ভিন্নমত আমলে নেওয়া হয়নি। যেমন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি), মহাহিসাব নিরীক্ষক নিয়োগ ও ন্যায়পাল নিয়োগ। এ ছাড়া আরও বেশ কিছু বিষয়ে কোনো কোনো দলের মতামত আমলে না নেওয়ার কথা জানা গেছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, অন্তর্বর্তী সরকার মূলত দুই কুলের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার চেষ্টা করেছে, কিন্তু কোনো কুলই সম্পূর্ণরূপে রক্ষা করতে পারেনি। সরকার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রধান আকাঙ্ক্ষা তথা রাষ্ট্রীয় সংস্কার সাধনের প্রক্রিয়াটিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে। ‘বাস্তবায়ন আদেশ’ জারি এবং গণভোটের ব্যবস্থা করে সরকার দেখিয়েছে যে, তারা সংস্কারের অঙ্গীকার থেকে সরে আসেনি। একই দিনে নির্বাচন ও গণভোটের ঘোষণা দিয়ে সরকার নির্বাচন দ্রুত অনুষ্ঠানের (ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে) বিষয়ে তার অনমনীয় অবস্থান বজায় রেখেছে, যা রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা দূর করে একটি গণতান্ত্রিক উত্তরণের দিকে দেশকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা। তবে সরকারের সিদ্ধান্তের ফলে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়নি। সনদে স্বাক্ষরকারী দলগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াগত বিষয়ে (যেমন গণভোটের সময়) মতপার্থক্য প্রকাশ পাওয়ায় সরকারের প্রতি আস্থা ও সহযোগিতার অভাব স্পষ্ট হয়েছে। তা ছাড়া উচ্চকক্ষ গঠন এবং একই দিনে গণভোটের সিদ্ধান্ত নতুন বিতর্কের জন্ম দেওয়ায় রাজনৈতিক অঙ্গন আরও উত্তপ্ত হয়েছে, যা একটি অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরিবেশের জন্য অনুকূল নয়।

বিশ্লেষক অভিমত: জানতে চাইলে সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. সাহাবুল হক কালবেলাকে বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আদেশের মাধ্যমে সরকার নির্বাচনের জন্য আরেক ধাপ এগিয়ে গেল। এর মাধ্যমে আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের রাস্তাটি আরও পরিষ্কার হলো। নির্বাচনের ব্যাপারে যে অনিশ্চয়তা ছিল সেটি মোটামুটিভাবে কাটিয়ে উঠেছে। তবে এর মাধ্যমে কোনো রাজনৈতিক দলই এককভাবে জয়লাভ করেনি। বরং সরকার একটি ভারসাম্যমূলক এবং মধ্যবর্তী অবস্থান গ্রহণ করেছে। সরকার একদিকে জাতীয় নির্বাচনের দিন গণভোটের তারিখ নির্ধারণ করেছে। আবার উচ্চ কক্ষে পিআর পদ্ধতি প্রবর্তন করেছে। প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপতির মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য তৈরি হয়েছে। তবে দেশের গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ মূলত নির্ভর করছে রাজনৈতিক দলগুলো কত দ্রুত তাদের মতভেদ ও বিতর্ক নিরসন করে একটি সংঘবদ্ধ ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারে তার ওপর।

এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান কালবেলাকে বলেন, সরকার আসলে সরকারের কুল রক্ষা করেছে। সরকার যা চাইত সেগুলো মোটামুটি ইনকরপোরেট করেছে। সরকার যে সংস্কারের ব্যাপারে চিন্তা করেছিল প্রথম থেকে এবং সরকার সৃষ্ট জাতীয় ঐকমত্য কমিশন যে সুপারিশটা সামনে এনেছে সেই সুপারিশটাই আসলে প্রধান ভাষণে ফুটে উঠেছে। তিনি বলেন, ফেব্রুয়ারি নির্বাচন করতে হলে নির্বাচনের আগেই গণভোট করার মতো সামর্থ্য সরকার বা নির্বাচন কমিশনের নেই। এজন্যই সরকার গণভোট আর নির্বাচন একইদিনে করছে। আবার গণভোট আগে করতে গিয়ে সরকার মহাসমালোচনার সম্মুখীন হবে যদি কোনো কারণে ব্যর্থ হয়। সব মিলিয়ে সরকার কাকে সুবিধা দিতে হবে সেটাতেই প্রায়োরিটি দিয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার ভাষণ প্রসঙ্গে অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বলেন, ভালো-খারাপ লাগার কিছু নেই। সরকারের অবস্থান ঐকমত্য কমিশনের অবস্থানের পক্ষে। দলগুলোর অনৈক্য সত্ত্বেও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ কার্যকর করা নিয়ে আশাবাদী বলে তিনি জানান।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বাংলাদেশ সফর নিয়ে অবশেষে মুখ খুলল আইসিসি

জনগণের আস্থা বিনির্মাণ ও শাসনব্যবস্থা নিশ্চিতে কাজ করছে জাতীয় সংসদ : স্পিকার

শেফিল্ড ডকফেস্টে বাংলাদেশি ফিল্মমেকারদের ডেলিগেশন

‘বাংলাদেশের একটি হত্যাকাণ্ড’ নিয়ে সেই বক্তব্যের জেরে মমতার বিরুদ্ধে মামলা

৬ নবজাতকের মৃত্যুতে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

কাজিনদের মধ্যে বিয়ে কি নিরাপদ? গবেষণায় উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

বিশ্বকাপ নিয়ে গাভির ভবিষ্যদ্বাণী

নারায়ণগঞ্জে বিএনপি নেতাকে মারধর করলেন ছাত্রদল ও যুবদলের কর্মীরা

সনাতন ধর্মাবলম্বী ৩ প্রতিবন্ধী ভাইয়ের পাশে দাঁড়ালেন জামায়াতের এমপি

‘গণতন্ত্র ও সাংবিধানিক শাসনব্যবস্থা পুনরুদ্ধারে জিয়াউর রহমানের অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে’

১০

হাম ও উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

১১

লেবাননে ইসরায়েলি জেনারেলের গাড়িতে হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলা

১২

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভের ঘোষণা ককরোচ জনতা পার্টির

১৩

দক্ষিণ লেবাননে আবারও ইসরায়েলি হামলা, নিহত ১

১৪

ভারতে সূর্যাস্ত, বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ককে সরিয়ে দিল বিসিসিআই

১৫

পাঠ্যক্রমে খেলাধুলাকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে : শিক্ষামন্ত্রী

১৬

তাপপ্রবাহে পুড়ছে দেশ, থাকবে কদিন?

১৭

পশ্চিম তীরের বসতিতে কর ছাড়ের আইন পাস ইসরায়েলের

১৮

নানাবাড়িতে বেড়াতে এসে লাশ হলো মুনতাহা

১৯

শত্রুরা ইরানের জনগণের মনোবল ভাঙার চেষ্টা করছে : মোজতবা খামেনি

২০
X