

ঐতিহাসিক এক নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত দেশের গণতন্ত্রেরই জয় হলো। সব জল্পনা-কল্পনা আর রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মেঘ কাটিয়ে শেষ হলো বহুল কাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ ও সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে গণভোট। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হয়ে বিরতিহীনভাবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলে এই মহাযজ্ঞ। বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই ২৯৯টি সংসদীয় আসনে দেশের ৪২ হাজারেরও বেশি কেন্দ্রে একযোগে ভোট দিয়েছেন ভোটাররা। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, দুই-তৃতীয়াংশ আসন নিয়ে সরকার গঠনের দিকে এগিয়ে রয়েছে বিএনপি জোট। অন্যদিকে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটও ইতিহাস সৃষ্টি করে শক্তিশালী বিরোধী দলের আসনের পথে রয়েছে।
এবারের ভোটকে দেশের ইতিহাসে অন্যতম শান্তিপূর্ণ ভোট হিসেবে দেখছেন নির্বাচন ও রাজনীতি বিশ্লেষকরা। অন্তর্বর্তী সরকার এবং নির্বাচন কমিশনও ভোটের শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সন্তোষ প্রকাশ করেছে। দুপুর ২টায় ৩৬ হাজার ভোটকেন্দ্রে ভোটের হার প্রায় ৪৮ শতাংশ থাকলেও দিন শেষে তা কমবেশি ৬০ শতাংশ হয়েছে বলে ধারণা করছে নির্বাচন কমিশন। এর মধ্য দিয়ে হারানো গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পক্ষে রায় দিয়েছেন দেশের আপামর জনগণ। আর জুলাই সনদ বাস্তবায়নে ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়ের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদী শাসনকে ‘লাল কার্ড’ দেখিয়ে বিদায় করেন ভোটাররা।
নির্বাচনে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বিএনপি এককভাবে ২০৮ আসনে ও বিএনপির শরিকদের মধ্যে গণঅধিকার পরিষদ ১টি, গণসংহতি আন্দোলন ১টি এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ১টিতে বিজয়ী হয়েছে। এ ছাড়া স্বতন্ত্র ৭টি আসনে বিজয়ী হয়। জামায়াত জোটের মধ্যে দলটি এককভাবে ৭১টি, এনসিপি ৬টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২টি আসনে জয়ী হয়েছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১টি আসনে বিজয়ী হয়। খেলাফত মজলিস জয় পেয়েছে একটিতে।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস সকালে রাজধানীর গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিয়ে বলেছেন, বাংলাদেশের সবার জন্য মহা আনন্দের দিন, মুক্তির দিন; দুঃস্বপ্নের অবসান, নতুন স্বপ্নের শুরুর দিন। সবাইকে মোবারকবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ঈদ মোবারক’। বাংলাদেশ গণতন্ত্রায়ণের ট্রেনে উঠে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন সিইসি এ এম নাসির উদ্দীন। জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, নিরপেক্ষ ও বিতর্কমুক্ত ভোট হলে তার দল ফল মেনে নেবে। একইভাবে সরকার গঠনের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করে নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য হলে সেই ফল মেনে নেবেন বলে জানান জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছেন, তারা সরকার গঠনের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে।
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান তার দুটি আসনেই জয় পেয়েছেন। জয় পেয়েছেন জামায়াত আমিরও শফিকুর রহমান ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। এ ছাড়া দলটির নেতা আখতার হোসেন ও আব্দুল হান্নান মাসউদ জয়ী হয়েছেন। আরেক নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ বিপুল ভোট পেয়েছেন। অন্যদিকে, অল্প ভোটের ব্যবধানে হেরে গেছেন দলটির আরেক নেতা সারজিস আলম। জয়ী হয়েছেন জামায়াতের নুরুল ইসলাম বুলবুল ও শফিকুল ইসলাম মাসুদ। যুবদল সেক্রেটারি নুরুল ইসলাম নয়ন জয়ী হয়েছেন। আলোচিত স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। জয়ী হয়েছেন গণপরিষদের ভিপি নুরুল হক নুর। বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। এ ছাড়া আলোচিত দুই প্রার্থী বিএনপির মির্জা আব্বাস ও এনসিপির নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর শেষ পর্যন্ত মির্জা আব্বাস অল্প ভোটে জয়ী হন। হেরে গেছেন আলোচিত স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা। জামায়াতের হেভিওয়েট প্রার্থীদের মধ্যে পরাজিত হয়েছেন দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া মো. গোলাম পরওয়ার ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ। হেরে গেছেন নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কয়েক সপ্তাহ ধরে যে শঙ্কা ও টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছিল, ভোটের দিন সকালে তার উল্টোচিত্র দেখা গেছে। কেন্দ্রগুলোতে ভোটারের দীর্ঘ সারি এবং তরুণ ও নারী ভোটারদের সরব উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। সংখ্যালঘু ভোটাররাও বেশ উৎসাহ নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যান। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নজরদারি এবং নির্বাচন কমিশনের সমন্বিত প্রচেষ্টায় সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় ছিল ভোটের সারাটি দিন। বিচ্ছিন্ন কয়েকটি ঘটনা ছাড়া সার্বিকভাবে ভোট ছিল অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, র্যাব ও বিজিবির পাশাপাশি সেনাবাহিনীর ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়। নির্বাচন চলাকালে পৃথক ঘটনায় মোট সাত ব্যক্তির মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে, তবে তা সহিংসতায় নিহত নয়। নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর দিক থেকে বিচ্ছিন্নভাবে কিছু অভিযোগ এসেছে।
এবারের নির্বাচনটি ছিল গত কয়েক দশকের মধ্যে অন্যতম অন্তর্ভুক্তিমূলক। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দেড় বছর পর একটি নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ভোট দিয়েছেন দেশের ভোটাররা। প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নির্বাচনকে প্রতিযোগিতামূলক করে তুলেছে। নির্বাচনে ইসির নিবন্ধিত ৬০টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৫১টি দল অংশ নেয়। ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে পতন হওয়া আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত থাকায় দলটি নির্বাচনের বাইরে ছিল। তবে দলের নীতিনির্ধারকদের ভোট বর্জনের ডাকে সাড়া না দিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকদের ভোট দিতে দেখা গেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দেশের বড় একটি রাজনৈতিক দলের অনুপস্থিতির পরও ভোটারদের এই উচ্চ উপস্থিতি গণতন্ত্রের প্রতি সাধারণ মানুষের গভীর আস্থার প্রতিফলন।
এবারের ভোট নিয়ে ভোটারদের মাঝেও ছিল বাড়তি উচ্ছ্বাস। সে জন্য ভোট দিতে অনেকেই শহর থেকে গ্রামে ছুটে গেছেন। ফলে অনেকটাই ফাঁকা রাজধানী ঢাকা যেন এক অচেনা শহরে রূপ নিয়েছে। এর আগে দেশে তিনবার গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে এবারই প্রথম একই দিনে সংসদ ও গণভোট হলো। এবার গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ও রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধিমালায়ও আনা হয়েছে বেশকিছু পরিবর্তন। সব মিলিয়ে অন্যরকম এক ভোটে মেতেছিল দেশ।
৭ ব্যক্তির মৃত্যু: ভোটে বড় ধরনের কোনো সহিংসতার ঘটনা না ঘটলেও ভোট চলাকালে পৃথক ঘটনায় সাত ব্যক্তির মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে কিশোরগঞ্জের ভৈরবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তাড়া খেয়ে রাজ্জাক মিয়া (৫৫) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যুর অভিযোগ ওঠে। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার আগানগর ইউনিয়নের আগানগর দক্ষিণপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
চট্টগ্রামে ভোট দিতে গিয়ে কেন্দ্রে অসুস্থ হয়ে এক ভোটারের মৃত্যু হয়েছে। তার নাম মো. মনু মিয়া (৫৭)। সকাল ৭টা ৩৫ মিনিটে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে তাকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।
খুলনায় ভোটকেন্দ্রে গিয়ে বিএনপির নেতা মহিবুজ্জামান কচি (৬০) মারা গেছেন। সকাল ৯টার দিকে খুলনা আলিয়া মাদ্রাসার ভোটকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। মহিবুজ্জামান খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক ছিলেন। বিএনপির অভিযোগ, মহিবুজ্জামান সকালে ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে গিয়েছিলেন। কেন্দ্রের ভেতরে ভোট চাওয়ার বিরোধিতা করলে প্রতিপক্ষ জামায়াতের লোকজন তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন। এতে তিনি পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পান। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
সরাইলে ভোটকেন্দ্রে পোলিং অফিসার অজ্ঞান, হাসপাতালে মৃত ঘোষণা:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলা সদরের কাচারিপাড়া এলাকায় সৈয়দ সিরাজুল ইসলাম মিলনায়তন ভোটকেন্দ্রে সকাল ৮টার দিকে জ্ঞান হারিয়ে হেলে পড়েন ২ নম্বর বুথের পোলিং অফিসার মো. মুজাহিদুল ইসলাম (৪৮)। পরে লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইসলামী ফাউন্ডেশনের শিক্ষক ছিলেন।
প্রার্থী ও ভোটারের চিত্র:
সারা দেশের ৩০০ সংসদীয় আসনের মধ্যে শেরপুর-৩ আসনে এক প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ভোট স্থগিত থাকায় এবার ২৯৯টি আসনে ভোটগ্রহণ করা হয়। এবার নির্বাচনে ৫১টি রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলিয়ে মোট ২ হাজার ২৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে দলীয় প্রার্থী ১ হাজার ৭৫৫, স্বতন্ত্র ২৭৩ এবং ৮৩ জন নারী প্রার্থী ছিলেন। এবার ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে মোট ভোটার ছিল ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১, নারী ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ এবং ১ হাজার ২৩২ জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন। পুলিশ, সেনাবাহিনী, র্যাবসহ ভোটের নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন প্রায় ১০ লাখ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য।
নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। দলটির প্রতীক ‘ধানের শীষ’ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২৯১ জন প্রার্থী। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৫৮ জন প্রার্থী ‘হাতপাখা’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জামায়াতের ২২৪ জন প্রার্থী ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এ ছাড়া জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেছেন ১৯৮ জন প্রার্থী। আর ৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা তরুণদের রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেন ৩২ জন প্রার্থী। গণঅধিকার পরিষদের (নূর) ৯০ এবং কমিউনিস্ট পার্টির ৬৫ প্রার্থী মাঠে ছিলেন। ২৭৩ স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে ৭৬ জন ‘ফুটবল’ প্রতীক নিয়ে মাঠে ছিলেন। এ ছাড়া অন্যান্য দলের ৫৯৭ প্রার্থী নির্বাচনে ছিলেন।
ঢাকা বিভাগ: ঢাকা-১ আসনে জয়ী বিএনপির খোন্দকার আবু আশফাক; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম। ঢাকা-২ আসনে জয়ী বিএনপির আমানউল্লাহ আমান; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রতীকে কর্নেল (অব.) আব্দুল হক। ঢাকা-৩ আসনে জয়ী বিএনপির গয়েশ্বর চন্দ্র রায়; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. শাহীনুর ইসলাম। ঢাকা-৪ আসনে জয়ী জামায়াতের সৈয়দ জয়নুল আবেদীন; বিএনপির তানভীর আহমেদ। ঢাকা-৫ আসনে জয়ী জামায়াতের মোহাম্মদ কামাল হোসেন; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. নবী উল্লা। ঢাকা-৬ আসনে জয়ী বিএনপির ইশরাক হোসেন; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আব্দুল মান্নান। ঢাকা-৭ জয়ী বিএনপির হামিদুর রহমান। ঢাকা-৮ আসনে জয়ী বিএনপির মির্জা আব্বাস; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। ঢাকা-৯ আসনে জয়ী বিএনপির হাবিবুর রশিদ। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলনের শাহ ইফতেখার আহসান। ঢাকা-১০ আসনে জয়ী বিএনপির প্রার্থী শেখ রবিউল আলম; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. জসীম উদ্দীন সরকার। ঢাকা-১১ আসনে জয়ী এনসিপির মো. নাহিদ ইসলাম; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এম এ কাইয়ুম। ঢাকা-১২-এ জয়ী জামায়াতের সাইফুল আলম মিলন; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আম জনতার দলের মো. তারেক রহমান। ঢাকা-১৩ আসনে জয় পেয়েছেন বিএনপির ববি হাজ্জাজ; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিসের মো. মামুনুল হক। ঢাকা-১৪-এ জয়ী জামায়াতের মীর আহমাদ বিন কাসেম; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সানজিদা ইসলাম। ঢাকা-১৫ আসনে জয়ী হয়েছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শফিকুল ইসলাম খান। ঢাকা-১৬ আসনে জয়ী জামায়াতের আব্দুল বাতেন; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. আমিনুল হক। আলোচনার শীর্ষে থাকা ঢাকা-১৭ আসনে জয়ী বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের স ম খালিদুজ্জামান। ঢাকা-১৮-এ জয়ী বিএনপির এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির আরিফুল ইসলাম আদীব। ঢাকা-১৯-এ জয় পেয়েছেন বিএনপির দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলনের মুহাম্মাদ ফারুক খান। ঢাকা-২০ আসনে জয়ী বিএনপির মো. তাজিম উদ্দিন; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির নাবিলা তাসনিদ।
শরীয়তপুর-১ আসনে জয়ী বিএনপির সাঈদ আহমেদ আসলাম; তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা জালালুদ্দিন আহমেদ। শরীয়তপুর-২ আসনে জয়ী বিএনপির শফিকুর রহমান কিরণ; তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মাহমুদ হোসেন। শরীয়তপুর-৩ আসনে জয়ী বিএনপির মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু; তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মুহাম্মদ আজাহারুল ইসলাম।
কিশোরগঞ্জ-১ আসনে জয়ী বিএনপির মাজহারুল ইসলাম; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মুফতি হেদায়েত উল্লাহ হাদী। কিশোরগঞ্জ-২ আসনে জয়ী বিএনপির অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দীন; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের শফিকুল ইসলাম মোড়ল। কিশোরগঞ্জ-৩ আসনে জয়ী বিএনপির ওসমান ফারুক। কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে জয়ী বিএনপির অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের রোকন রেজা শেখ। কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে জয়ী স্বতন্ত্র শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সৈয়দ এহসানুল হুদা। কিশোরগঞ্জ-৬ আসনে জয়ী বিএনপির শরীফুল আলম; তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আতাউল্লাহ আমীন।
মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে জয়ী বিএনপির শেখ মো. আব্দুল্লাহ; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের এ কে এম ফখরুদ্দিন রাজী। মুন্সীগঞ্জ-২ আসনে জয়ী বিএনপির আব্দুস সালাম আজাদ, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির মাজেদুল ইসলাম। মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে জয়ী বিএনপির মো. কামরুজ্জামান রতন; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র মো. মহিউদ্দিন।
নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে জয়ী বিএনপির মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আনোয়ার হোসেন মোল্লা। নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে জয়ী বিএনপির নজরুল ইসলাম আজাদ; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ইলিয়াস মোল্লা। নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে জয়ী বিএনপির আজহারুল ইসলাম মান্নান; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া। নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে জয়ী এনসিপির আব্দুল্লাহ আল আমিন; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জমিয়তে ওলামায়ে ইসলামের মনির হোসেন কাশেমী। নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে জয়ী বিএনপির অ্যাডভোকেট আবুল কামাল; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিসের সিরাজুল ইসলাম মামুন।
গাজীপুর-১ আসনে জয়ী বিএনপির মজিবুর রহমান; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের শাহ আলম বকশী। গাজীপুর-২ আসনে জয়ী বিএনপির এম মঞ্জুরুল করিম রনি, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির আলী নাসের খান। গাজীপুর-৩ আসনে জয়ী বিএনপির এস এম রফিকুল ইসলাম, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিসের এহসানুল হক। গাজীপুর-৪ আসনে জয়ী জামায়াতের সালাহ উদ্দিন আইউবী; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির রিয়াজুল হান্নান। গাজীপুর-৫ আসনে জয়ী এ কে এম ফজলুল হক মিলন; জামায়াতের মো. খায়রুল হাসান।
নরসিংদী-১ আসনে জয়ী বিএনপির খায়রুল কবির খোকন; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. ইব্রাহিম ভূঞা। নরসিংদী-২ আসনে জয়ী বিএনপির ড. আব্দুল মঈন খান; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আমজাদ হোসেন। নরসিংদী-৩ আসনে জয়ী বিএনপির মনজুর এলাহী; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র আরিফ-উল-ইসলাম মৃধা। নরসিংদী-৪ আসনে জয়ী বিএনপির সরদার শাখাওয়াত হোসেন বকুল; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. জাহাঙ্গীর আলম। নরসিংদী-৫ আসনে জয়ী বিএনপির মো. আশরাফ উদ্দিন বকুল; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিকশা প্রতীকের তাজুল ইসলাম।
রাজবাড়ী-১ আসনে জয়ী বিএনপির আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. নুরুল ইসলাম। রাজবাড়ী-২ আসনে জয়ী বিএনপির মো. হারুন অর রশীদ; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির জামিল হিজাযী।
গোপালগঞ্জ-১ আসনে জয়ী বিএনপির প্রার্থী সেলিমুজ্জামান সেলিম; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আব্দুল হামিদ; গোপালগঞ্জ-২ জয়ী বিএনপির ডা. কে এম বাবর; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এইচ খান মঞ্জু। গোপালগঞ্জ-৩ আসনে জয়ী বিএনপির এস এম জিলানী; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী গোবিন্দ প্রামাণিক।
মানিকগঞ্জ-১ আসনে জয়ী বিএনপির এস এ জিন্নাহ কবির; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র মো. তোজাম্মেল হক। মানিকগঞ্জ-২ আসনে জয়ী মঈনুল ইসলাম খান; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিসের মো. সালাউদ্দিন। মানিকগঞ্জ-৩ আসনে জয়ী বিএনপির আফরোজা খানম রিতা; নিকটতম বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মুহাম্মদ সাঈদ নুর।
মাদারীপুর-১ আসনে জয়ী খেলাফত মজলিসের সাইদ উদ্দিন হানজালা। মাদারীপুর-২ আসনে জয়ী বিএনপির জাহানদার আলী মিয়া; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মিল্টন বৈদ্য। মাদারীপুর-৩ আসনে জয়ী বিএনপির আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. রফিকুল ইসলাম।
টাঙ্গাইল-১ আসনে জয়ী বিএনপির ফকির মাহবুব আনাম; নিকটতম প্রতিদ্বন্দী জামায়াতের মুহাম্মদ আব্দুল্লাহেল কাফী। টাঙ্গাইল-২ আসনে জয়ী বিএনপির মো. আব্দুস সালাম পিন্টু; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. হুমায়ুন কবীর। টাঙ্গাইল-৩ আসনে জয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী লুৎফর রহমান খান আজাদ, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ওবায়দুল হক নাসির। টাঙ্গাইল-৪ আসনে জয়ী বিএনপির লুৎফর রহমান খান মতিন; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী। টাঙ্গাইল-৫ আসনে জয়ী বিএনপির সুলতান সালাউদ্দিন টুকু; নিকটতম প্রদিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আহসান হাবীব মাসুদ। টাঙ্গাইল-৬ আসনে জয়ী বিএনপির রবিউল আওয়াল লাভলু; নিকটতম প্রতিদ্বন্দী জামায়াতের আব্দুল হামিদ। টাঙ্গাইল-৭ আসনে জয়ী বিএনপির প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ সিদ্দীকি; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আব্দুল্লাহ তালুকদার। টাঙ্গাইল-৮ আসনে জয়ী বিএনপির আহম্মেদ আজম খান, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন রাসেল।
ময়মনসিংহ বিভাগ
শেরপুর-১ আসনে জয়ী জামায়াতের হাফেজ রাশেদুল ইসলাম; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা। শেরপুর-২ আসনে জয়ী বিএনপির ফাহিম চৌধুরী; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মু. গোলাম কিবরিয়া।
জামালপুর-১ আসনে জয়ী বিএনপির এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের নাজমুল হক সাঈদী। জামালপুর-২ আসনে জয়ী বিএনপির সুলতান মাহমুদ বাবু; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের সামিউল হক ফারুকী। জামালপুর-৩ আসনে জয়ী বিএনপির মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মজিবুর রহমান আজাদী। জামালপুর-৪ আসনে জয়ী বিএনপির ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মাওলানা আব্দুল আওয়াল। জামালপুর-৫ আসনে জয়ী নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ওয়ারেস আলী মামুন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুস সাত্তার।
নেত্রকোনা-১ আসনে জয়ী বিএনপির প্রার্থী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিসের গোলাম রব্বানী। নেত্রকোনা-২ আসনে জয়ী বিএনপির ডা. আনোয়ারুল হক; প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির প্রার্থী ফাহিম রহমান খান পাঠান। নেত্রকোনা-৩ আসনে জয়ী বিএনপির রফিকুল ইসলাম হিলালী; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া। নেত্রকোনা-৪ আসনে জয়ী বিএনপির মো. লুৎফুজ্জামান বাবর; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আল হেলাল তালুকদার। নেত্রকোনা-৫ আসনে জয়ী জামায়াতের মাছুম মোস্তফা; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আবু তাহের তালুকদার। ময়মনসিংহ-১ আসনে জয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমান ওমর রুবেল; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এমরান সালেহ প্রিন্স। ময়মনসিংহ-২ আসনে নির্বাচিত বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মুহাম্মাদুল্লাহ; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোতাহার হোসেন তালুকদার। ময়মনসিংহ-৩ আসনে জয়ী বিএনপির ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসেন; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আহাম্মদ তায়েবুর রহমান হিরণ। ময়মনসিংহ-৪ আসনে জয়ী বিএনপির আবু ওয়াহাব আকন্দ; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের কামরুল আহসান। ময়মনসিংহ-৫ আসনে জয়ী বিএনপির মোহাম্মদ জাকির হোসেন; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. মতিউর রহমান আকন্দ। ময়মনসিংহ-৬ আসনে জয়ী জামায়াতের কামরুল হাসান; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আখতার সুলতানা। ময়মনসিংহ-৭ আসনে জয়ী বিএনপির মাহবুবুর রহমান; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আসাদুজ্জামান সোহেল। ময়মনসিংহ-৮ আসনে জয়ী বিএনপির লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এলডিপির আওরঙ্গজেব বেলাল। ময়মনসিংহ-৯ আসনে জয়ী বিএনপির ইয়াসির খান চৌধুরী; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এলডিপির এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম। ময়মনসিংহ-১০ আসনে জয়ী বিএনপির প্রার্থী মো. আখতারুজ্জামান; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু বক্কর সিদ্দিকুর রহমান। ময়মনসিংহ-১১ আসনে জয়ী বিএনপির মো. ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম।
খুলনা বিভাগ
খুলনা-১ আসনে জয়ী বিএনপির আমির এজাজ খান; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের কৃষ্ণ নন্দী। খুলনা-২ আসনে জয়ী জামায়াতের জাহাঙ্গীর হোসেন হেলাল; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নজরুল ইসলাম মঞ্জু। খুলনা-৩ আসনে জয়ী বিএনপির রকিবুল ইসলাম বকুল; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. মাহফুজুর রহমান। খুলনা-৪ আসনে জয়ী বিএনপির আজিজুল বারী হেলাল; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিসের মাওলানা সাখাওয়াত হোসেন। খুলনা-৫ আসনে জয়ী বিএনপির আলী আসগর লবী, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মিয়া গোলাম পরওয়ার। খুলনা-৬ আসনে জয়ী জামায়াতের আবুল কালাম আজাদ, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মনিরুল হাসান। ঝিনাইদহ-১ আসনে জয়ী বিএনপির মো. আসাদুজ্জামান, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আবু সালেহ মো. মতিউর রহমান। ঝিনাইদহ-২ আসনে জয়ী জামায়াতের আলী আজম মো. আবু বকর; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. আব্দুল মজিদ। ঝিনাইদহ-৩ আসনে জয়ী জামায়াতের মো. মতিয়ার রহমান; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোহাম্মদ মেহেদী হাসান। ঝিনাইদহ-৪ আসনে জয়ী জামায়াতের মাওলানা আবু তালিব; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজ।
সাতক্ষীরা-১ আসনে জয়ী জামায়াতের ইজ্জত উল্যাহ; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির হাবিবুর রহমান। সাতক্ষীরা-২ আসনে জয়ী জামায়াতের মুহাদ্দিস আবদুল খালেদ; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আব্দুর রউফ। সাতক্ষীরা-৩ আসনে জয়ী জামায়াতের রবিউল বাশার; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্রর ডা. শহিদুল আলম। সাতক্ষীরা-৪ আসনে জয়ী জামায়াতের গাজী নজরুল ইসলাম, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ড. মনিরুজ্জামান। মেহেরপুর-১ আসনে জয়ী জামায়াতের মাওলানা তাজ উদ্দীন খান, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মাসুদ অরুণ। মেহেরপুর-২ আসনে জয়ী জামায়াতের মো. নাজমুল হুদা; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. আমজাদ হোসেন।
যশোর-১ আসনে জয়ী জামায়াতের মুহাম্মাদ আজীজুর রহমান; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. নুরুজ্জামান লিটন। যশোর-২ আসনে জয়ী জামায়াতের মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোছা. সাবিরা ইসলাম। যশোর-৩ আসনে জয়ী বিএনপির অনিন্দ্য ইসলাম অমিত; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. আব্দুল কাদের। যশোর-৪ আসনে জয়ী জামায়াতের মো. গোলাম রসুল; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মতিয়ার রহমান ফরাজি। যশোর-৫ আসনে জয়ী জামায়াতের গাজী এনামুল হক; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির রশীদ আহমাদ। যশোর-৬ আসনে জয়ী জামায়াতের মোক্তার আলী, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. আবুল হোসেন আজাদ।
মাগুরা-১ আসনে জয়ী বিএনপির মনোয়ার হোসেন খান; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মাওলানা আব্দুল মতিন। মাগুরা-২ আসনে জয়ী বিএনপির অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের অধ্যাপক এম বি বাকের।
কুষ্টিয়া-১ আসনে জয়ী বিএনপির রেজা আহমেদ বাচ্চু; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মাওলানা বেলাল উদ্দিন। কুষ্টিয়া-২ আসনে জয়ী জামায়াতের মো. আব্দুল গফুর; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির রাগীব রউফ চৌধুরী। কুষ্টিয়া-৩ আসনে জয়ী জামায়াতের আমির হামজা; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. জাকির হোসেন সরকার। কুষ্টিয়া-৪ আসনে জয়ী জামায়াত প্রার্থী আফজাল হোসেন; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী।
চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে জয়ী জামায়াত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শরীফুজ্জামান শরীফ। চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে জয়ী জামায়াতের আমীর রুহুল আমীন; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মাহমুদ হাসান খান বাবু।
বাগেরহাট-১ আসনে জয়ী জামায়াতের মো. মশিউর রহমান খান; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির কপিল কৃষ্ণ মণ্ডল। বাগেরহাট-২ আসনে জয়ী জামায়াতের শেখ মনজুরুল হক রাহাদ; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন। বাগেরহাট-৩ আসনে জয়ী বিএনপির ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের অ্যাডভোকেট শেখ আব্দুল ওয়াদুদ। বাগেরহাট-৪ আসনে জয়ী জামায়াতের অধ্যক্ষ মো. আব্দুল আলিম; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সোমনাথ দে।
নড়াইল-১ আসনে জয়ী বিএনপির বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মাওলানা ওবায়দুল্লাহ কায়সার। নড়াইল-২ আসনে জয়ী জামায়াতের অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান বাচ্চু; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মনিরুল ইসলাম।
বরিশাল বিভাগ
বরিশাল-১ আসনে জয়ী বিএনপির জহির উদ্দিন স্বপন; তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের কামরুল ইসলাম। বরিশাল-২ আসনে জয় পেয়েছেন বিএনপির সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু; তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আব্দুল মান্নান। বরিশাল-৩ আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপির জয়নুল আবেদীন; তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এবি পার্টির আসাদুজ্জামান ভূঁইয়া (ফুয়াদ)। বরিশাল-৪ আসনে জয় পেয়েছেন বিএনপির রাজীব আহসান; তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আবদুল জব্বার। বরিশাল-৫-এ জয়ী বিএনপির মজিবর রহমান সারোয়ার; তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলনের সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করীম। বরিশাল-৬-এ জয় পেয়েছেন বিএনপির আবুল হোসেন খান; তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মাহামুদুন্নবী তালুকদার।
ঝালকাঠি-১ আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির রফিকুল ইসলাম জামাল; তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ড. ফয়জুল হক। ঝালকাঠি-২-এ জয় পেয়েছেন বিএনপির ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো; তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের শেখ নেয়ামুল করিম।
পিরোজপুর-১ আসনে জয় পেয়েছেন জামায়াতের মাসুদ সাঈদী; তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন। পিরোজপুর-২-এ বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির আহম্মেদ সোহেল মঞ্জুর; তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের শামীম সাঈদী। পিরোজপুর-৩-এ জয়ী বিএনপির রুহুল আমিন দুলাল; তার নিকটতম দুই প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির ড. শামীম হামিদী আর ইসলামী আন্দোলনের ডা. রুস্তুম আলী ফরাজী।
বরগুনা-১ আসনে জয় পেয়েছেন ইসলামী আন্দোলনের অলিউল্লাহ অলি; তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নজরুল ইসলাম মোল্লা। বরগুনা-২-এ জয়ী বিএনপির নূরুল ইসলাম মনি; তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ডা. সুলতান আহমদ।
ভোলা-১-এ বিজয়ী বিএনপি জোটের ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ; তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম। ভোলা-২ আসনে জয়ী বিএনপির হাফিজ ইব্রাহিম; তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ফজলুল হক। ভোলা-৩-এ জয় পেয়েছেন বিএনপির মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ; তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের বিডিপির মহাসচিব নিজামুল হক নাইম। ভোলা-৪-এ জয়ী বিএনপির নুরুল ইসলাম নয়ন; তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মোস্তফা কামাল।
পটুয়াখালী-১ আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপির আলতাফ হোসেন চৌধুরী; তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলনের মো. ফিরোজ আলম। পটুয়াখালী-২-এ জয় পেয়েছেন জামায়াতের ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ; তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শহিদুল আলম তালুকদার। পটুয়াখালী-৩ আসনে জয়ী বিএনপি সমর্থিত গণঅধিকার পরিষদের নুরুল হক নুর; তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন। আর পটুয়াখালী-৪-এ জয়ী হয়েছেন বিএনপির এ বি এম মোশাররফ হোসেন; তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলনের মোস্তাফিজুর রহমান।
সিলেট বিভাগ
সিলেট জেলার ছয়টি আসনের মধ্যে পাঁচটিতে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী। এর মধ্যে সিলেট-১ আসনে বিজয়ী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমান; সিলেট-২ আসনে বিজয়ী তাহসিনা রুশদীর লুনা, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মুহা. মুনতাসির আলী; সিলেট-৩ আসনে বিজয়ী বিএনপির মোহাম্মদ আব্দুল মালিক, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মুফতি রাজু; সিলেট-৪ আসনে বিজয়ী আরিফুল হক চৌধুরী, তার নিকতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী জয়নাল আবেদীন ও সিলেট-৬ আসনে বিজয়ী এমরান আহমদ চৌধুরী, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মো. সেলিম উদ্দিন। এ ছাড়া সিলেট-৫ আসনে ১১ দলীয় জোটের শরিক খেলাফত মজলিসের মুফতি আবুল হাসান বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোটের শরিক জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের উবায়দুল্লাহ ফারুক।
সুনামগঞ্জ জেলার ৫টি সংসদীয় আসনের সবকটিতে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে বিএনপি। সুনামগঞ্জ-১ আসনে বিজয়ী কামরুজ্জামান কামরুল, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী তোফায়েল আহমদ; সুনামগঞ্জ-২ আসনে বিজয়ী নাসির উদ্দিন চৌধুরী, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের শিশির মনির; সুনামগঞ্জ-৩ আসনে বিজয়ী মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র মো. আনোয়ার হোসেন; সুনামগঞ্জ-৪ আসনে বিজয়ী নুরুল ইসলাম নুরুল, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের শামস উদ্দিন ও সুনামগঞ্জ-৫ আসনে বিজয়ী কলিম উদ্দিন মিলন, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আবু তাহির মুহাম্মদ আব্দুস সালাম।
মৌলভীবাজারেরও সবকটি আসনে বিজয়ী হয়েছে বিএনপি। মৌলভীবাজার-১ আসনে বিজয়ী নাসির উদ্দিন আহমদ মিঠু, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত আমিনুল ইসলাম; মৌলভীবাজার-২ আসনে বিজয়ী শওকতুল ইসলাম শকু, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. সাহেদ আলী; মৌলভীবাজার-৩ আসনে এম. নাসের রহমান, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী আব্দুল মান্নান ও মৌলভীবাজার-৪ আসনে বিজয়ী হাজি মুজিবুর রহমান চৌধুরী, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শেখ নূরে আলম হামিদী।
হবিগঞ্জ জেলার ৪টি সংসদীয় আসনের সবকটিতে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা। হবিগঞ্জ-১ আসনে বিজয়ী ড. রেজা কিবরিয়া, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা সিরাজুল ইসলাম; হবিগঞ্জ-২ আসনে বিজয়ী ডা. সাখাওয়াত হাসান জীবন, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিসের আব্দুল বাছিত আজাদ; হবিগঞ্জ-৩ আসনে বিজয়ী জি কে গউছ, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের কাজী মহসিন আহমদ ও হবিগঞ্জ-৪ আসনে বিজয়ী এসএম ফয়সল, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মো. গিয়াস উদ্দিন।
রংপুর বিভাগ
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে জয়ী বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের দেলাওয়ার হোসেন। ঠাকুরগাঁও-২ আসনে জয়ী বিএনপির ডা. আব্দুস সালাম। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আব্দুল হাকিম। ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে জয়ী বিএনপির জাহেদুর রহমান। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মিজানুর রহমান।
নীলফামারী-১ আসনে জয়ী জামায়াতের আব্দুস সাত্তার। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মাওলানা মো. মনজুরুল ইসলাম আফেন্দি। নীলফামারী-২ আসনে জয় পেয়েছেন জামায়াতের আল ফারুক আব্দুল লতিফ। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শাহরিন ইসলাম তুহিন। নীলফামারী-৩ আসনে জয়ী জামায়াতের ওবায়দুল্লাহ সালাফী। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সৈয়দ আলী। নীলফামারী-৪ আসনে জয়ী জামায়াতের আব্দুল মুনতাকিম। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আব্দুল গফুর সরকার।
রংপুর-১ আসনে জয় পেয়েছেন জামায়াতের মো. রায়হান সিরাজী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোকাররম হোসেন সুজন। রংপুর-২ আসনে জয়ী জামায়াতের এটিএম আজহারুল ইসলাম। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোহাম্মদ আলী সরকার। রংপুর-৩ আসনে জয়ী জামায়াতের মাহবুবুর রহমান বেলাল। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সামসুজ্জামান সামু। রংপুর-৪ আসনে জয়ী এনসিপির আখতার হোসেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এমদাদুল হক ভরসা। রংপুর-৫ আসনে জয়ী জামায়াতের গোলাম রব্বানী। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির গোলাম রব্বানী। রংপুর-৬ আসনে জয়ী জামায়াতের নুরুল আমিন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সাইফুল ইসলাম।
গাইবান্ধা-১ আসনে জয়ী জামায়াতের মাজেদুর রহমান। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির খন্দকার জিয়াউল ইসলাম মোহাম্মদ আলী। গাইবান্ধা-২ আসনে জয়ী জামায়াতের মাওলানা আব্দুল করিম। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আনিসুজ্জামান খান বাবু। গাইবান্ধা-৩ আসনে জয়ী জামায়াতের আবুল কাওছার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক। গাইবান্ধা-৫ আসনে জয়ী জামায়াতের আব্দুল ওয়ারেছ। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ফারুক আলম সরকার।
রাজশাহী বিভাগ
রাজশাহী-১ আসনে জয়ী জামায়াতের অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বিজয়ী হয়েছেন; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মেজর জেনারেল শরিফ উদ্দিন। রাজশাহী-২ আসনে বিএনপির মিজানুর রহমান মিনু; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর। রাজশাহী-৩ আসনে জয়ী বিএনপির অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ। রাজশাহী-৪ আসনে জয়ী জামায়াতে ইসলামীর ডা. আব্দুল বারী সরদার; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ডি এম জিয়া। রাজশাহী-৫ আসনে জয়ী বিএনপির অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম মণ্ডল; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মাওলানা মনজুর রহমান। রাজশাহী-৬ আসনে জয়ী বিএনপির প্রার্থী আবু সাঈদ চাঁদ; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামের নাজমুল হক।
বগুড়া-১ আসনে জয়ী বিএনপির কাজী রফিকুল ইসলাম; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. শাহাবুদ্দিন, বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে জয়ী বিএনপির মীর শাহে আলম জয়ী; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আবুল কালাম আজাদ মো. শাহাদুজ্জামান, বগুড়া-৩ আসনে জয়ী বিএনপির আবদুল মুহিত তালুকদার; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের নূর মোহাম্মদ। বগুড়া-৪ আসনে জয়ী বিএনপির মোশারফ হোসেন; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. মোস্তফা ফয়সাল, বগুড়া-৫ আসনে জয়ী বিএনপির গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. দবিবুর রহমান। বগুড়া-৬ আসনে জয়ী বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আবিদুর রহমান সোহেল। বগুড়া-৭ আসনে জয়ী বিএনপির মোরশেদ মিল্টন; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. গোলাম রব্বানী। পাবনা-১ আসনে জয়ী জামায়াতের ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ভিপি শামসুর রহমান। পাবনা-২ আসনে জয়ী বিএনপির একেএম সেলিম রেজা হাবিব; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের কেএম হেসাব উদ্দিন। পাবনা-৩ আসনে জয়ী জামায়াতের মাওলানা আলী আছগার; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির হাসান জাফির তুহিন। পাবনা-৪ আসনে জয়ী জামায়াতের অধ্যাপক আবু তালেব মণ্ডল; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির হাবিবুর রহমান হাবিব। পাবনা-৫ আসনে জয়ী বিএনপির অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা জামায়াতের ইকবাল হোসাইন।
সিরাজগঞ্জ-১ আসনে জয়ী বিএনপির সেলিম রেজা; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মাওলানা শাহীনুর আলম। সিরাজগঞ্জ-২ আসনে জয়ী বিএনপির ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম। সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে জয়ী বিএনপির আইনুল হক; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিকশা প্রতীকের মুহাম্মদ আব্দুর রউফ সরকার। সিরাজগঞ্জ-৪ আসনে জয়ী জামায়াতের রফিকুল ইসলাম খান; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এম আকবর আলী। সিরাজগঞ্জ-৫ আসনে জয়ী বিএনপির আমিরুল ইসলাম খান আলীম; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আলী আলম। সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে জয়ী বিএনপির এম এ মুহিত; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির এস এম সাইফ মোস্তাফিজ। জয়পুরহাট-১ আসনে জয়ী জামায়াতের ফজলুর রহমান সাঈদ; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মাসুদ রানা প্রধান। জয়পুরহাট-২ আসনে জয়ী বিএনপির আব্দুল বারী জয়ী; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের রাশেদুল আলম সবুজ।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনে জয়ী জামায়াতের ড. কেরামত আলী; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শাহজাহান মিঞা। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে জয়ী জামায়াতের ড. মিজানুর রহমান; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আমিনুল ইসলাম। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে জয়ী জামায়াতের নূরুল ইসলাম বুলবুল; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির হারুনুর রশীদ। নওগাঁ-১ আসনে জয়ী বিএনপির মোস্তাফিজুর রহমান; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের অধ্যক্ষ মাহবুবুল আলম। নওগাঁ-২ আসনে জয়ী জামায়াতের এনামুল হক; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সামসুজ্জোহা খান। নওগাঁ-৩ আসনে জয়ী বিএনপির ফজলে হুদা বাবুল; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মাহফুজুর রহমান। নওগাঁ-৪ আসনে জয়ী বিএনপির ইকরামুল বারী টিপু; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আব্দুর রাকিব। নওগাঁ-৫ আসনে জয়ী বিএনপির জাহিদুল ইসলাম ধলু; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আবু সাদাত মো. সায়েম। নওগাঁ-৬ আসনে জয়ী বিএনপির শেখ রেজাউল ইসলাম রেজু; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের খবিরুল ইসলাম। নাটোর-১ আসনে জয়ী বিএনপির ফারজানা শারমিন পুতুল; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মাওলানা আবুল কালাম আজাদ। নাটোর-২ আসনে জয়ী বিএনপির রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের অধ্যাপক ইউনুস আলী। নাটোর-৩ আসনে জয়ী বিএনপির আনোয়ারুল ইসলাম আনু; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী দাউদার মাহমুদ। নাটোর-৪ আসনে জয়ী বিএনপির আব্দুল আজিজ; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মাওলানা আব্দুল হাকিম।
চট্টগ্রামে বিভাগ: চট্টগ্রাম-১ আসনে জয়ী বিএনপির নুরুল আমিন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান। চট্টগ্রাম-২ আসনে জয়ী বিএনপির সারোয়ার আলমগীর। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মোহাম্মদ নুরুল আমিন। চট্টগ্রাম-৩ আসনে জয়ী বিএনপির মোস্তাফা কামাল পাশা। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আলাউদ্দিন। চট্টগ্রাম-৪ আসনে জয়ী বিএনপির মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. আনোয়ার ছিদ্দিক। চট্টগ্রাম-৫ আসনে জয়ী বিএনপির মীর মো. হেলাল উদ্দিন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. নাসির উদ্দিন। চট্টগ্রাম-৬ আসনে জয়ী বিএনপির গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. শাহজাহান মঞ্জু। চট্টগ্রাম-৭ আসনে জয়ী বিএনপির হুম্মাম কাদের চৌধুরী। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ডা. এটিএম রেজাউল করিম। চট্টগ্রাম-৮ আসনে জয়ী বিএনপির এরশাদ উল্লাহ। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সৈয়দ মুহাম্মদ হাসান। চট্টগ্রাম-৯ আসনে জয়ী বিএনপির মো. আবু সুফিয়ান। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ডা. এ কে এম ফজলুল হক। চট্টগ্রাম-১০ আসনে জয়ী বিএনপির সাঈদ আল নোমান। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের শামসুজ্জামান হেলালী। চট্টগ্রাম-১১ আসনে জয়ী বিএনপির আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মুহাম্মদ শফিউল আলম। চট্টগ্রাম-১২ আসনে জয়ী বিএনপির মোহাম্মদ এনামুল হক। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সৈয়দ এয়ার মুহাম্মদ পেয়ারু। চট্টগ্রাম-১৩ আসনে জয়ী বিএনপির সরওয়ার জামাল নিজাম। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এস এম শাহজাহান। চট্টগ্রাম-১৪ আসনে জয়ী বিএনপির জসিম উদ্দিন আহমেদ। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এলডিপির ওমর ফারুক। চট্টগ্রাম-১৫ আসনে জয়ী জামায়াতের শাহজাহান চৌধুরী। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নাজমুল মোস্তফা আমিন। চট্টগ্রাম-১৬ আসনে জয়ী জামায়াতের মাওলানা জহিরুল ইসলাম। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী।
কক্সবাজার-১ আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ ব্যাপক ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আবদুল্লাহ আল ফারুক। কক্সবাজার-২ আসনে জয়ী বিএনপির আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ ফরিদ। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের হামিদুর রহমান আজাদ। কক্সবাজার-৩ আসনে জয়ী বিএনপির লুৎফর রহমান কাজল। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের শহীদুল আলম বাহাদুর। কক্সবাজার-৪ আসনে জয়ী বিএনপির শাহজাহান চৌধুরী। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের নুর আহমেদ আনোয়ারী।
তিনটি পার্বত্য জেলার তিনটিতে বিএনপি প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। রাঙামাটিতে বিএনপির প্রার্থী দীপেন দেওয়ান জয় পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ আবু বকর ছিদ্দিক। খাগড়াছড়ি আসনে বিএনপির প্রার্থী আবদুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া জিতেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ধর্ম জ্যোতি চাকমা। বান্দরবানে বিএনপি প্রার্থী রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির এস এম সুজাউদ্দীন।
ব্রাহ্মাণবাড়িয়া-১ আসনে জয়ী বিএনপির এম এ হান্নান। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র এ কে এম কামরুজ্জামান। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে জয়ী আলোচিত বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের জুনায়েদ আল হাবীব। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে জয়ী বিএনপির খালেদ হোসেন মাহবুব। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির মো. আতাউল্লাহ। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনে জয়ী বিএনপির মুশফিকুর রহমান। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আতাউড় রহমান। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনে জয়ী বিএনপির এম এ মান্নান। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র কাজী নাজমুল হোসেন তাপস। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ জয়ী গণসংহতি আন্দোলনের মো. জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. মহসীন।
কুমিল্লা-১ আসনে বিএনপির ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, কুমিল্লা-২ আসনে বিএনপির সেলিম ভূঁইয়া, কুমিল্লা-৩ আসনে বিএনপির শাহ মোফাজ্জল কায়কোবাদ, কুমিল্লা-৪ আসনে এনসিপির হাসনাত আব্দুল্লাহ, কুমিল্লা-৫ আসনে বিএনপির জসিম উদ্দিন, কুমিল্লা-৬ আসনে বিএনপির মনিরুল হক চৌধুরী, কুমিল্লা-৭ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আতিকুল আলম শাওন, কুমিল্লা-৮ আসনে বিএনপির জাকারিয়া তাহের সুমন, কুমিল্লা-৯ আসনে বিএনপির আবুল কালাম, কুমিল্লা-১০ আসনে বিএনপির মোবাশ্বের আলম, কুমিল্লা-১১ আসনে জামায়াতের ডা. আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বিজয়ী হয়েছেন।
চাঁদপুর-১ আসনে জয়ী বিএনপির আ ন ম এহসানুল হক মিলন; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আবু নসর মো. মুকবুল হোসেন। চাঁদপুর-২ আসনে জয়ী বিএনপির জালাল উদ্দিন; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এলডিপির বিল্লাল হোসেন। চাঁদপুর-৩ আসনে জয়ী বিএনপির শেখ ফরিদ আহমেদ; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের শাহজাহান মিয়া। চাঁদপুর-৪ আসনে জয়ী স্বতন্ত্র এম এ হান্নান; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র হারুন অর রশিদ। চাঁদপুর-৫ আসনে জয়ী বিএনপির ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এলডিপির নিয়ামুল বশির।
ফেনী-১ আসনে জয়ী বিএনপির রফিকুল আলম মজনু; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের অ্যাডভোকেট এসএম কামাল উদ্দিন। ফেনী-২ আসনে জয়ী বিএনপির জয়নাল আবদীন (ভিপি জয়নাল); নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এবি পার্টির মোহাম্মদ মজিবুর রহমান ভূঁইয়া মঞ্জু। ফেনী-৩ আসনে জয়ী বিএনপির আব্দুল আউয়াল মিন্টু; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন ওরফে মানিক।
লক্ষ্মীপুর-১ আসনে জয়ী বিএনপির শাহাদাত হোসেন; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির মাহবুব আলম। লক্ষ্মীপুর-২ আসনে জয়ী বিএনপির আবুল খায়ের ভূঁইয়া; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের রুহুল আমিন ভূঁইয়া। লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে জয়ী বিএনপির শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. রেজাউল করিম। লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে জয়ী বিএনপির এ বি এম আশরাফ উদ্দিন (নিজান); নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আশরাফুর রহমান হাফিজউল্যা।
নোয়াখালী-১ আসনে জয়ী বিএনপির এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ছাইফ উল্লাহ। নোয়াখালী-২ আসনে জয়ী জয়নুল আবদিন ফারুক; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া মজুমদার। নোয়াখালী-৩ আসনে বিএনপির বরকত উল্লাহ বুলু; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. বোরহান উদ্দিন। নোয়াখালী-৪ আসনে জয়ী বিএনপির মো. শাহজাহান; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ইসহাক খন্দকার। নোয়াখালী-৫ আসনে জয়ী বিএনপির মো. ফখরুল ইসলাম; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের বেলায়েত হোসেন। নোয়াখালী-৬ আসনে জয়ী এনসিপির আবদুল হান্নান মাসউদ; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মাহবুবে রহমান।