

গত সপ্তাহে সুইজারল্যান্ডের ডাভোস শহরে অনুষ্ঠিত হলো বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের ৫৬তম অধিবেশন। সম্মেলন শেষে মনে হচ্ছে যেন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইউরোপের সম্পর্ক কিছুটা স্থিতিশীল হতে চলেছে। কিন্তু তাই বলে এটা ভুলে যাওয়ার কোনো অবকাশ নেই যে, মাত্র এক সপ্তাহ আগেও ইউরোপের ভূখণ্ডে বড় একটি অংশ গ্রিনল্যান্ডকে দখল করে নেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি তার এই আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বলপ্রয়োগ করতেও প্রস্তুত আছেন। সেটার সুযোগ না হলে, অর্থনৈতিকভাবে ইউরোপের শ্বাসরোধ করাটাকেও একটি কার্যকর কৌশল হিসেবে দেখেন তিনি।
এমন পরিস্থিতিতে তিনি যে আলোচনায় অংশ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, সেটাতে স্বস্তি বোধ করার বিশেষ সুযোগ নেই। আলোচনা সফল হলে পরিস্থিতি যে একদম স্বাভাবিক হয়ে আগের অবস্থায় ফিরে যাবে—এমনটা বিশ্বাস করা বোকামি। বিশ্বব্যবস্থা এবং গোটা পৃথিবীটাকে আমরা যেই রূপে এতদিন দেখে এসেছি, সেই রূপ পাল্টাতে শুরু করেছে। সবার মনে এখন একটাই প্রশ্ন—কেমন হবে এই নতুন রূপের পৃথিবী? তাই নিয়ে ভাবতে গিয়ে কেউ দেখতে পাচ্ছেন বিপদের ঘনঘটা, কেউ আভাস পাচ্ছেন বিস্ময়কর সব পরিবর্তনের, আবার কেউ কেউ কিঞ্চিৎ আশার আলোও দেখতে পাচ্ছেন।
ডোনাল্ড ট্রাম্প যে নিয়মমাফিক গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি দেওয়া থেকে সরে এসেছেন, তা থেকে মনে হচ্ছে যে তিনি অর্থনৈতিক অস্ত্রটিকে ফের কোমরে গুঁজে নেবেন। সেই অস্ত্রকে যুক্তরাজ্যসহ, তার বিরোধিতা করা প্রতিটি দেশের মাথায় ঠেকানোর পরিকল্পনা করছেন তিনি। ইউরোপের সবচেয়ে বড় মিত্রশক্তিই যে একদিন ইউরোপকে বিচ্ছিন্ন করার হুমকি দেবে কোনো ইউরোপীয় নেতাই—এমনটা কল্পনা করেননি। অবশ্য এটা আরও বহু আগেই স্পষ্ট হয়ে যাওয়া উচিত ছিল যে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনে যুক্তরাষ্ট্র আর নির্ভরযোগ্য মিত্র নয়। বরং কোনো কোনো ক্ষেত্রে ইউরোপের এই বন্ধু কার্যত এক শত্রু শক্তিতে পরিণত হয়েছে।
দুঃখজনক ব্যাপার হলো, এই পরিবর্তনের বার্তা এসেছে একযোগে অশোভন ও অপমানজনক ভাষায়। ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্যগুলো ক্ষুব্ধ করে তুলেছে ইউরোপবাসীকে। তিনি মন্তব্য করেছেন যে, আফগানিস্তান যুদ্ধে ন্যাটোর মিত্র শক্তিরা ফ্রন্টলাইনে ছিল না, যুক্তরাষ্ট্রের সৈনিকরা নাকি একাই ফ্রন্টলাইনে যুদ্ধ করেছে। অথচ এ যুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছেন ৪৫৭ জন ব্রিটিশ সেনা। বিশ বছরব্যাপী চলমান এ যুদ্ধে জীবন বিসর্জন দিয়েছেন প্রায় ১ হাজার ২০০ ইউরোপীয় সৈনিক। তাদের পরিবারগুলোর কাছে ট্রাম্পের এমন বক্তব্য ঘৃণ্য অবমাননা ছাড়া আর কিছুই নয়।
কিছুদিন আগে নরওয়ের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ট্রাম্প অভিযোগ করেছিলেন যে, তিনি অন্যায়ভাবে ট্রাম্পকে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়া থেকে বঞ্চিত করেছেন। সম্প্রতি তার সঙ্গে বৈঠক করতে গিয়ে ট্রাম্প বলেছেন যে, শান্তি প্রতিষ্ঠা করা নিয়ে সবার এত আগ্রহ দেখে বিরক্ত হয়ে যাচ্ছেন তিনি। বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধানের পক্ষে এমন বক্তব্য অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং ভীতি সঞ্চারক।
ট্রাম্পের ঔদ্ধত্যের একটা দৃষ্টান্ত দেখা গেল ডাভোসে তার নতুন প্রকল্পের ঘোষণার মধ্যে। ‘বোর্ড অব পিস’ নামে জাতিসংঘের একটি বিকল্প প্রতিষ্ঠান নির্মাণের পরিকল্পনা করছেন তিনি। রাজনৈতিক বিশ্লেষক অ্যাডাম সোয়ার্জ প্রতিষ্ঠানটির প্রতীকচিহ্ন দেখে রসিকতা করে বলেছেন যে, ‘দেখে মনে হচ্ছে জাতিসংঘের প্রতীক থেকে পৃথিবীর মানচিত্র সরিয়ে শুধু আমেরিকার মানচিত্র এঁটে দিয়েছে, তারপর পুরো জিনিসটাকে সোনালি রং করে চালিয়ে দিয়েছে।’
এই প্রতীকেই নিহিত রয়েছে প্রকল্পটির সারকথা। ‘বোর্ড অব পিস’ আসলে ১৯৪৫ সালের পর গড়ে ওঠা আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাকে প্রতিস্থাপন ও বাণিজ্যিকীকরণের একটি প্রচেষ্টা। জাতিসংঘের জায়গায় গড়ে তুলতে চাওয়া হচ্ছে মার-আ-লাগো ঘরানার একটি অভিজাত ক্লাব, যেখানে স্থায়ী আসনের মূল্য এক বিলিয়ন ডলার। সেখানে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত থাকবে ট্রাম্পের হাতে, এমনকি তার প্রেসিডেন্সির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সেখানে আমন্ত্রিত, অথচ যুক্তরাষ্ট্রের নিকটতম মিত্র রাষ্ট্র কানাডার প্রধানমস্ত্রী মার্ক কার্নি আমন্ত্রিত নন—এ তথ্যটুকুই প্রতিষ্ঠানটির প্রকৃত স্বরূপ বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।
একসময় যুক্তরাষ্ট্রের মিত্ররা নিজেদের প্রবোধ দিয়েছিল এই বলে যে, ট্রাম্প একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা; একদিন তিনি ক্ষমতা ছেড়ে চলে যাবেন, আর পুরোনো বিশ্বব্যবস্থা আবার ফিরে আসবে। সেই আত্মপ্রবঞ্চনাও এখন ভেঙে চুরমার হয়ে যাচ্ছে। গ্রিনল্যান্ডকে নিয়ে ট্রাম্প যখন তার হুমকি বাস্তবায়নে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হয়ে উঠেছিলেন, তখন যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে এমন কোনো শক্তির চিহ্ন দেখা যায়নি, যা তাকে থামাতে শক্ত আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে গত বারো মাসে ট্রাম্প দেখিয়ে দিয়েছেন যে, একজন মার্কিন প্রেসিডেন্টকে নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য যেসব প্রাতিষ্ঠানিক বাধা রয়েছে, সেগুলোকে কত সহজেই গুঁড়িয়ে দেওয়া যায়। আর একজন প্রেসিডেন্ট যদি এত সহজে বিনা বাধায় স্বৈরতান্ত্রিকভাবে অবাধ ক্ষমতা চর্চা করতে পারেন, তবে এরপর যারা ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হবেন, তাদের অনেকেই একইভাবে বলপ্রয়োগ করে রাজনীতি চর্চা করবেন। অর্থাৎ, সমস্যাটা শুধু ট্রাম্প নন। দুঃখজনক সত্য হলো, যুক্তরাষ্ট্র নিজেই এখন অনির্ভরযোগ্য।
এ পরিস্থিতি থেকে কিছু তাৎক্ষণিক শিক্ষা নেওয়া প্রয়োজন। তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হলো ট্রাম্পকে যতক্ষণ পর্যন্ত না থামানো হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত তিনি নিজ উদ্যোগে থামবেন না। তার সাবেক উপদেষ্টা স্টিভ ব্যানন এ সপ্তাহে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে বলেছেন যে, ট্রাম্প শিবিরের কৌশল সর্বত্রই ‘অতিমাত্রিক’Ñযতক্ষণ পর্যন্ত না কেউ বাধা দিচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত নিজ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে সক্রিয় থাকবেন তারা। গ্রিনল্যান্ডকে নিয়ে ট্রাম্পের পরিকল্পনা শেয়ারবাজারে ধস নামিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরেও তৈরি হয়েছিল ব্যাপক বিরোধিতা। ৮৬ শতাংশ আমেরিকানরা দ্বীপটি দখলের ক্ষেত্রে অসম্মতি জানিয়েছে। একই সঙ্গে ইউরোপের পক্ষ থেকে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান এবং কঠোর অর্থনৈতিক পাল্টা হুমকি দেখা দেওয়ায় ট্রাম্প পিছু হটার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এখান থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধুদের জন্য আরও গভীর ও মৌলিক একটি শিক্ষা স্পষ্ট হয়। হোক অর্থনৈতিক কিংবা সামরিক—তাদের এমন অবস্থানে থাকা চলবে না যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের দাবির কাছে মাথা নত করা ছাড়া আর কোনো উপায় না থাকে। এই সহজ অথচ নির্মম সত্যটি এত স্পষ্টভাবে উচ্চারণ করার জন্যই ডাভোসে মার্ক কার্নির বক্তব্যের পর দাঁড়িয়ে তাকে অভিবাদন জানায় সবাই। সেই ভাষণটি হয়তো এ সময়ের নির্ধারক দলিল হয়ে থাকবে। ‘পুরোনো শৃঙ্খলা আর ফিরছে না’ বলেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী, ‘আমাদের সেটির জন্য শোক করা উচিত নয়। অতীতকে আঁকড়ে ধরে পড়ে থাকলে আর চলবে না।’
কার্নির আহ্বানটা এখন সময়ের দাবি। প্রাতিষ্ঠানিক ও নিয়মতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার জায়গায় চলছে শক্তিমান নেতার বলপ্রয়োগ ও দরকষাকষির রাজনীতি। প্রয়োজন একটি নতুন ব্যবস্থার। যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে থাকা গণতান্ত্রিক পশ্চিমা বিশ্বের মধ্যম শক্তিগুলোকে যেন নীরবে স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থা মেনে নিতে না হয়। যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্যের কাছে সবচেয়ে অনুগত হওয়ার প্রতিযোগিতায় না নেমে, ওভাল অফিসের সম্রাটকে তোষামোদ না করে, তারা একত্রিত হয়ে কার্নির ভাষায় ‘তৃতীয় একটি পথ’ বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
এই পথের রূপ কী হতে পারে? সবচেয়ে বাস্তবসম্মত চিত্র হলো—ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য ও কানাডার সমন্বয়ে একটি নতুন পরিকল্পনা; অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী এবং সামরিকভাবে সক্ষম একটি জোট। শেষ পর্যন্ত এর লক্ষ্য হবে গত এক বছরে বারবার মাথাচাড়া দেওয়া প্রশ্নটির ইতিবাচক উত্তর দেওয়া যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া কি ইউরোপ ইউক্রেনকে এবং নিজেকে রক্ষা করতে পারবে? আজকের কঠিন বাস্তবতা হলো—না, সেটা সম্ভব নয়। ভলোদিমির জেলেনস্কি ভুল বলেননি। তিনি বলেছিলেন, ‘আজকের ইউরোপ কতগুলো ছোট ও মাঝারি শক্তির জোট। দেখতে সুন্দর হলেও, তার দাপট আর আগের মতো নেই। তাই দিশাহারা হয়ে বারবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে বোঝানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হচ্ছেন ইউরোপের নেতারা।’
যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে নতুন পশ্চিমা গণতান্ত্রিক প্রতিরক্ষা জোট গড়ে তোলার লক্ষ্যটা নিতান্তই সামান্য নয়। রাতারাতি এটা সম্ভব নয়; এক দশক বা তারও বেশি সময় লাগতে পারে। কিন্তু সাবেক ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেরেমি হান্ট যেমন বলেছিলেন ‘এখনই কাজ শুরু না করলে, সেটি হবে দায়িত্বে চরম অবহেলা।’
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হঠাৎ কোনো বিচ্ছেদ ঘটানোও সম্ভব নয়। যতদিন মিত্ররা মার্কিন সুরক্ষার ওপর নির্ভরশীল থাকবে, ততদিন কিয়ার স্টারমারের মতো নেতাদের ট্রাম্পের সঙ্গে হাত মেলানোর সময় মুচকি হাসি ধরে রাখতেই হবে। রাস্তায় গতিশীল রাখতে হবে ন্যাটোর গাড়িটিকে; এমনকি তার সবচেয়ে শক্তিশালী সদস্য যখন একের পর এক ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে, তখনো। কিন্তু এর আড়ালে, হয়তো ‘ন্যাটোর ইউরোপীয় শাখা’ নামে পরিচিত একটি নতুন কাঠামো ধীরে ধীরে শক্তি সঞ্চয় করবে।
এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অবধারিত চাবিকাঠি হলো প্রতিরক্ষা খাতে বিপুল পরিমাণে ব্যয় বৃদ্ধি। স্নায়ুযুদ্ধের পর থেকে শান্তির লভ্যাংশ ভোগ করে আসা দেশগুলো অস্ত্রের বদলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও বিভিন্ন কল্যাণমূলক খাতে বেশি ব্যয় করতে পেরেছিল। সেই অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতা আমূল বদলে যাবে। একই সঙ্গে এটি ইউরোপের সঙ্গে ব্রিটেনের সম্পর্ক নিয়ে কয়েক দশক ধরে চলা বিতর্ককে আবারও নতুন আলোয় তুলে ধরবে। উভয়পক্ষকেই নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসতে হবে। ব্রিটেনকে পরিত্যাগ করতে হবে ব্রেক্সিট-পরবর্তী বিভ্রম, আর ইউরোপীয় ইউনিয়নকে ব্রিটেনের জন্য আরও ঘনিষ্ঠ বাণিজ্যিক ব্যবস্থার দরজা খুলতে হবে। ইউরোপের প্রতিরক্ষায় নিশ্চয়ই যুক্তরাজ্যের তাৎপর্যপূর্ণ অবদান থাকবে।
পৃথিবীর যেই রূপটার সঙ্গে আমরা পরিচিত ছিলাম, সেটা যে আর থাকছে না—এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। গণতন্ত্রের কর্ণধার হিসেবে যার নেতৃত্ব দেওয়ার কথা, তিনি দিনকে দিন সম্রাটের মতো আচরণ করতে শুরু করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রে স্বৈরতান্ত্রিক শাসনকে প্রতিহত না করলে বিশ্বব্যাপী গণতন্ত্রের মৃত্যু ঘটবে। ডাভোসের সম্মেলনে কিছুটা আশার আলো দেখা গেছে বটে, কিন্তু আসন্ন নতুন বিশ্বব্যবস্থা এবং আগামীর পৃথিবীকে শান্তিপূর্ণ করে গড়ে তুলতে হলে যুদ্ধবাজদের প্রতিহত করে শান্তির কান্ডারিদের আরও হুঁশিয়ার হতে হবে।
লেখক: যুক্তরাজ্যভিত্তিক সাংবাদিক, লেখক ও বিবিসি উপস্থাপক। আন্তর্জাতিক সম্পর্কবিষয়ক বিশেষজ্ঞ এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষক। নিবন্ধটি ব্রিটিশ পত্রিকা ‘দ্য গার্ডিয়ান’-এর মতামত বিভাগ থেকে অনুবাদ করেছেন অ্যালেক্স শেখ
মন্তব্য করুন