মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ড. নাসির উদ্দিন আহাম্মেদ
প্রকাশ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম
আপডেট : ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩৩ পিএম
প্রিন্ট সংস্করণ

ইরান যুদ্ধে এআইয়ের দাপট

ইরান যুদ্ধে এআইয়ের দাপট

কিছুদিন আগেও বিশ্বের সবচেয়ে বিতর্কিত, নিষ্ঠুর ও যুদ্ধবাজ নেতা ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বাম হাতে ছয়টি আঙুল কি না—এমন বিতর্ক নিয়ে মেতে ছিল নেট দুনিয়া। এমন প্রশ্নকে সামনে এনেছে প্রথমে তার মৃত্যুকে নিয়ে ধূম্রজাল এবং পরবর্তী সময়ে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভিডিও মারফত তার বক্তব্য। এ বক্তব্য প্রদানের একপর্যায়ে খুবই অল্প সময়ের জন্য তার বাম হাতে ছয়টি আঙুলের দৃশ্য দেখা যায় বলে দাবি একদল পর্যবেক্ষকের। তারা মনে করেন, নেতানিয়াহুর আসলে মৃত্যু হয়েছে বা গুরুতর আহত কিংবা অসুস্থ অবস্থায় গোপন কোনো স্থানে আছেন ইসরায়েলি এ নেতা। আর দেশের মানুষ, লড়াইরত মার্কিন ও ইসরায়েলি সৈনিকদের মনোবলের কথা বিবেচনায় নিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ ভিডিও নির্মাণ করা হয়েছে। যে কারণে ক্ষণিকের জন্য হলেও মনে হয়েছে, যে তার হাতে ছয়টি আঙুল। এ বিতর্কের অবসান ঘটাতে আবারও এআই প্রযুক্তির শরণাপন্ন হয়েছেন কেউ কেউ। তবে যেটাই সত্য হোক না কেন—এ কথা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, এআই হয়ে উঠেছে বর্তমান ও ভবিষ্যতের যুদ্ধক্ষেত্রের ভাগ্যবিধাতা।

একটা সময় ছিল যখন আধিপত্য বিস্তার, জমি দখল কিংবা সম্পদ গ্রাস করার জন্য একদল মানুষের ওপর আরেক দল মানুষের চড়াও হওয়াকে যুদ্ধ বলে ধরা হতো। লাঠি নিয়ে যুদ্ধ করা সেনাদের বলা হতো লাঠিয়াল বাহিনী। এরপর পাথর নিক্ষেপের প্রচলন হলো। হাতে ছোট পাথর নিক্ষেপ, পাহাড়ের ওপর থেকে নিচে পাথর নিক্ষেপ, গুলতির সাহায্যে পাথর নিক্ষেপ এবং কপিকলের আদলে গাছের কাণ্ডের সাহায্যে বড় পাথর নিক্ষেপ ছিল যুদ্ধের কৌশল। লোহা ও আগুনের ব্যবহার নাটকীয় পরিবর্তন আনল যুদ্ধের ময়দানে। ধারালো পাথর নিক্ষেপ, লোহার ছুরি থেকে ঢাল-তলোয়ার তৈরি, বল্লম ও বর্ম নির্মাণ প্রভৃতি হয়ে উঠল যুদ্ধের নিয়ামক শক্তি। আর যুদ্ধের মরণঘাতী চরিত্ররূপে নতুন মাত্রা পেল বিস্ফোরক আবিষ্কার এবং ধাতব অস্ত্র ও বিস্ফোরকের যুগপৎ ব্যবহার। তার পরের ধাপে এলো যুদ্ধক্ষেত্রে আণবিক শক্তি, জীবাণু ও রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে শুধু শত্রু সৈন্যই নয়, সাধারণ মানুষের জীবন এমনকি প্রাণিকুল থেকে শুরু করে গাছগাছালি ও কীটপতঙ্গেরও নিষ্ঠুর মৃত্যু।

আরেক দল গবেষক যুদ্ধের এই ক্রমবিবর্তনকে মূলত চারটি ভাগে বিভক্ত করেছেন। প্রথম প্রজন্মের যুদ্ধে (১৬১৮-১৮৬০) সৈন্যরা সরাসরি একে অন্যের মুখোমুখি হয়ে সংঘর্ষ করত। দ্বিতীয় প্রজন্মে (১৮৬০-১৯৪৫) আগুন, সাঁজোয়া যান, ট্যাংক ও যুদ্ধবিমানের ব্যবহার শুরু হয়। এ সময় প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সংঘটিত হয়। এ পর্বের শেষ বছরে জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকি শহরে পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ মানব ইতিহাসের করুণতম অধ্যায়ের একটি অংশ। এরপর শুরু হয় তৃতীয় প্রজন্মের যুদ্ধ (১৯৪৫-২০০০)। এ সময় যুদ্ধে প্রযুক্তির প্রয়োগ, পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে গবেষণা ও উৎপাদন, স্নায়ুযুদ্ধ, মিসাইল আবিষ্কার ও ইলেকট্রনিক প্রযুক্তি যুদ্ধকে সর্বগ্রাসী করে তোলে। উপসাগরীয় যুদ্ধ (১৯৯০-৯১) এ সময় এক নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করে। ২০০১ সাল থেকে চলছে চতুর্থ প্রজন্মের যুদ্ধ, যার শুরুতেই ঘটে ৯/১১ বা আমেরিকার টুইন টাওয়ার ধ্বংসের ঘটনা। শুরু হয় বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ, বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার মদদে জঙ্গিবাদের উত্থান, প্রক্সি যুদ্ধ, জাতিগত সংঘাত, স্বর্ণ, তেল ও হীরার খনির আধিপত্য নিয়ে সংঘর্ষ প্রভৃতি। চতুর্থ প্রজন্মের বর্তমান প্রেক্ষাপটে নতুন সংযোজন যুদ্ধক্ষেত্রে ড্রোন ও আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যাপক প্রসার।

কিছুদিন আগেও কোনো পাইলট, নাবিক কিংবা ড্রাইভার ছাড়া আকাশ, সমুদ্র বা মাটিতে কোনো যানবাহন চালানোর কথা চিন্তাই করা যেত না। তবে এখন চালকবিহীন যান আর কল্পনার পর্যায়ে নেই। যুদ্ধক্ষেত্রে ড্রোন নামক মানুষ বিবর্জিত আকাশ যানে ক্ষেপণাস্ত্র বহন এবং তা সুনিপুণভাবে অতিদ্রুত সূক্ষ্ম লাখ লাখ বস্তুতে আঘাত হানার ঘটনাও বিষয়ের সৃষ্টি করে না। আর এসব কিছু সম্ভব হয়েছে যথাযথ এআই আবিষ্কার এবং এর সফল প্রয়োগের কারণে। এআই হলো এমন একটি প্রযুক্তি, যা কম্পিউটারকে মানুষের মতো চিন্তা করতে, নতুন কিছু আয়ত্ত করতে বা শিখতে সর্বোপরি প্রদত্ত তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিয়ে কাজ করতে ও ক্ষেত্রবিশেষে সমস্যার সমাধানের সক্ষমতা প্রদান করে। এআই যান্ত্রিক প্রযুক্তি শিক্ষা বা মেশিন লার্নিং, ডিপ লার্নিং, ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং ইত্যাদির মাধ্যমে কম্পিউটারের সংরক্ষিত তথ্য বিশ্লেষণ করে ও একটি প্যাটার্ন বা অবয়ব চিত্রিত করতে পারে এবং সে অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

২০২০ সালের ৩ জানুয়ারির ঘটনা। তখন ইরানের দ্বিতীয় ক্ষমতাধর নেতা ছিলেন এলিট ফোর্স নামে পরিচিত ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) বাহিনীর কুডস শাখার প্রধান সেনাপতি মেজর জেনারেল কাশেম সুলাইমানি। সিরিয়া ভ্রমণ শেষে তিনি পাশের দেশ ইরাকে যান সে দেশের প্রধানমন্ত্রী আদিল আব্দুল মাহাদির সঙ্গে সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে। অজানা কারণে তার বিমান বাগদাদে অবতরণ করে দুই ঘণ্টা বিলম্বে। দুপুর ১২টা ৪৭ মিনিটে বিমানবন্দর ত্যাগ করার সময় রাস্তায় মার্কিন বিমানবাহিনীর ‘এমকিউ-৯ রিপার’ নামক আকাশে থাকা ড্রোন থেকে নিক্ষেপ করা হয় বেশ কয়েকটি মিসাইল। ফলে ঘটনাস্থলেই নিহত হন কাসেম সুলাইমানি ও তার সঙ্গীরা।

সৌদি আরবভিত্তিক আরব নিউজ মোতাবেক মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশ কাতারে অবস্থিত আল উদেইদ মার্কিন বিমান ঘাঁটি থেকে নিক্ষেপ করা ‘এমকিউ-৯ রিপার’ ড্রোনটি নিয়ন্ত্রণ করা হয় যুক্তরাষ্ট্রের নিভাদায় অবস্থিত ক্রিক বিমান ঘাঁটি থেকে। তবে ড্রোন ও মিসাইলের চেয়ে তখন বেশি আলোচনায় আসে এআই প্রসঙ্গ, যা একটি মোবাইল ফোনের সুনির্দিষ্ট অবস্থানকে অনুসরণ করে এমন নিখুঁত আক্রমণ চালায়।

মূলত সেই সময় থেকেই বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে এআই প্রযুক্তির ব্যাপক সম্প্রসারণের ধারাবাহিকতায় যুদ্ধক্ষেত্রেও এআই প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার শুরু হয়। ২০২৪ থেকে ২০২৬ সালের সংঘাতগুলোয় একদিকে ইরান, অন্যদিকে ইরানের প্রতিপক্ষ বিশেষত ইসরায়েল ও আমেরিকা এআইর ওপর ক্রমান্বয়ে নির্ভরশীল হতে থাকে। চলমান ইরান বনাম ইসরায়েল ও আমেরিকা যুদ্ধে এআইর বহুমাত্রিক ব্যবহার এ যুদ্ধটিকে এআই যুদ্ধ নামে আখ্যায়িত করেছে। ইসরায়েলের এই যুদ্ধে এআইকে রণশক্তি বৃদ্ধি বা ফোর্স মাল্টিপ্লাইয়ার হিসেবে মূল্যায়ন করছে। বিশেষত লেভেন্ডার (Levender) এবং গোস্পেলের (Gospel) মতো এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে গোয়েন্দা পোর্ট বা গোপন তথ্য বিশ্লেষণ সাপেক্ষে দ্রুতগতিতে লক্ষ্যবস্তু (ব্যক্তি ও স্থাপনা) শনাক্ত করা হয়। পরবর্তী সময়ে সেই লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানছে নানা ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র বা বিস্ফোরকের গোলা। নিজেদের দেশ বিশেষত দেশের আকাশ প্রতিরক্ষায় ইসরায়েল প্রবর্তিত আয়রন ডোম (Iron Dome) এবং ডেভিডস স্লিং (Devid’s Sling) নামক মেশিন লার্নিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে শত্রুভূমি বা শত্রুর জঙ্গি বিমান বা যুদ্ধজাহাজ থেকে আগত ক্ষেপণাস্ত্রের উৎস, চলমান অবস্থান ও গতি শনাক্ত করা হয়। পরবর্তী সময়ে এআই কর্তৃক আহরণকৃত ছবি বা তথ্যের ভিত্তিতে দ্রুততার সঙ্গে আকাশেই শত্রুর নিক্ষেপ করা ধাবমান ক্ষেপণাস্ত্রকে ধ্বংস করা হয়। এ ছাড়া কয়েক লাখ স্যাটেলাইট ইমেজ (ছবি বা ভিডিও) বিশ্লেষণ করে মুহূর্তের মধ্যেই শত্রুর চলমান ক্ষেপণাস্ত্র, উৎক্ষেপণ প্রযুক্তি বা লাঞ্চারের প্রকৃত অবস্থান বা রিয়েল টাইম লোকেশন শনাক্ত করা হয় এবং পরে তা ধ্বংস করা হয়।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ বা সেন্ট্রাল কমান্ড (CENCOM) ব্যবহার করছে মাভেন স্মার্ট সিস্টেম (Maven Smart System) নামক এআই প্রযুক্তি। এ ধরনের এআই প্রযুক্তি নানা ধরনের উৎস থেকে প্রাপ্ত তথ্য অতিদ্রুত বিশ্লেষণ করে এবং স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে সেই তথ্যের ভিত্তিতে লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত ও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নির্বাচন করতে পারে। পরে ধাপে ধাপে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতেই সেই তথ্য অগ্রাধিকার ভিত্তিক লক্ষ্যবস্তুর তালিকা অনুমোদনের জন্য নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ বা ফোর্স কমান্ডারের কাছে প্রেরণ করা হয়। মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ আরও ব্যবহার করছে ক্লদ (Claude) নামক ‘লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল’ এআই ভিত্তিক প্রযুক্তি, যা নানা উৎসের গোয়েন্দা তথ্যকে সংরক্ষণ ও হালনাগাদ করে লক্ষ্যবস্তু ধ্বংসের অগ্রাধিকার নির্ধারণে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখে।

পক্ষান্তরে ইরান অনুধাবন করে যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার আরব মিত্রদেশগুলো সর্বোপরি ইরানের অন্যতম শত্রু ইসরায়েলের ব্যাপক সামরিক সক্ষমতার বিপরীতে তাদের নিজস্ব সামরিক সক্ষমতায় নানা ধরনের দুর্বলতা রয়েছে। তাই তারা এআইকে বেছে নিয়েছে অপ্রতিসম্ভ বা অ্যাসেমেট্রিক যুদ্ধের হাতিয়ার হিসেবে। এরই অংশ হিসেবে ইরান নিজস্ব ড্রোনে এমন এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করছে যে, এসব ড্রোন মানুষের নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত ও ধ্বংস করার সফল হচ্ছে। ইরানের সাইবার যোদ্ধারা এআই ব্যবহার করে অবিরত ও অগণিত ছবি ও ভিডিও নির্মাণ করছে, যার কোনটি সঠিক কিংবা কোনটি সঠিক নয়, তা নির্ণয় করা অত্যন্ত কঠিন। এর ফলে ইরানের শত্রুসেনারা প্রতিনিয়ত বিভ্রান্ত ও হতাশ হচ্ছে। সম্প্রতি কাতারে মার্কিন ঘাঁটি ও সাগরে রণতরী বা যুদ্ধজাহাজ ধ্বংসের ইআই নির্মিত মিথ্যা বা ফেক (Fake) ছবি ও ভিডিও তোলপাড় ছড়িয়েছে খোদ ইসরায়েল ও মার্কিন মুল্লুকে। এ ছাড়া মার্কিনিদের সাইবার আক্রমণ ঠেকাতে এআইভিত্তিক সাইবার প্রতিরক্ষা গড়ার ক্ষেত্রে ইরানের সাফল্যও চোখে পড়ার মতো। বলা হয়, ইসরায়েলের গোয়েন্দা বাহিনী ‘মোসাদ’ ইরানের টেলিফোন টাওয়ার, ট্রাফিক সিগন্যাল সিস্টেম, বিভিন্ন মোবাইল ফোন ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রে (যেমন—কম্পিউটার, ল্যাপটপ ঋণ, ট্যাব প্রভৃতিতে) এমন কিছু প্রযুক্তি সংযোজন করেছে, যার ফলে ইসরায়েল সহজেই সুনির্দিষ্ট ব্যক্তির অবস্থান, তাদের গাড়ির অবস্থান, তাদের চলাচলের রাস্তা, সর্বোপরি একটি সমাবেশ স্থল বা কক্ষে কে কে উপস্থিত আছেন, তা তেলআবিবে বসেই পর্যবেক্ষণ করতে পারে। এসব সম্ভব হয়েছে এআই প্রযুক্তির কারণে। ইআইকে ঠেকাতে উত্তর কোরিয়া শুরু থেকেই মার্কিনি ও ইসরায়েলিদের সব ইলেকট্রনিক পণ্য সে দেশে প্রবেশের পথ রুদ্ধ করে দিয়েছে। চীন নিজস্ব প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে মার্কিনি ও ইসরায়েলিদের এআই প্রভাব থেকে মুক্ত হওয়ার সংগ্রামে লিপ্ত। রাশিয়াও চেষ্টা করছে এআই সমৃদ্ধ মার্কিন ও ইসরায়েলি সব ইলেকট্রনিক পণ্য থেকে বেরিয়ে আসার। ভবিষ্যতের যুদ্ধ ময়দানে এআই সর্বেসর্বা হয়ে উঠবে কি না, তার অনেকটাই প্রমাণ হয়ে যাবে চলমান ইরান বনাম ইসরায়েল ও আমেরিকার যুদ্ধের ফলের মধ্য দিয়ে।

লেখক: অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা, ভূরাজনীতি ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক, গবেষক, বিশ্লেষক ও কলামিস্ট

ইমেইল: [email protected]

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

অভিষেক ম্যাচেই ৪৭ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন ভারতীয় ক্রিকেটার 

হার্ট ভালো রাখতে প্রতিদিন খাবেন যে পাঁচ খাবার

৩৪ তলার ফ্ল্যাট কেনার পর জানতে পারলেন ভবনটিই ৩২ তলা

চাকরিনির্ভরতা থেকে উদ্যোক্তা: আত্মকর্মসংস্থানে আনসারের ‘সঞ্জীবন’ প্রকল্প

পদত্যাগী মন্ত্রীর বাসায় খিচুড়ি, প্রতিমন্ত্রীর সভা শেষে বিরিয়ানি দিয়ে আপ্যায়ন

বাজেটে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে নতুনভাবে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে : মির্জা ফখরুল 

মৌচাকে থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বিল্লাল খুন

মহানগর যুবদল নেতা বহিষ্কার

নুরজাহান বেগমের মৃত্যু : সমাজের এক নির্মম আয়না

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বিএনপি নেতা সোহেল রানাকে স্থায়ী বহিষ্কার 

১০

পবিপ্রবির নতুন উপাচার্য হলেন প্রফেসর ড. এস এম হেমায়েত জাহান

১১

তনু হত্যা  / ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির নির্দেশ ২ আসামির বিরুদ্ধে 

১২

নাগরিকসেবায় অবহেলা করলে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি ডিএসসিসি প্রশাসকের

১৩

হোয়াটসঅ্যাপে ইসরায়েলের সাইবার হামলা, মামলা করবে মেটা

১৪

রাজধানীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

১৫

আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক ট্রেনিং সেন্টার / ৬ দিনব্যাপী ফাউন্ডেশন কোর্সের দ্বিতীয় পর্ব শুরু

১৬

এনসিপিতে যোগ দিলেন বিভিন্ন দলের শতাধিক নেতাকর্মী

১৭

বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া বাণিজ্য : হালাল পণ্যে বড় সম্ভাবনা

১৮

ছেলের সামনে বাবাকে গুলি করে হত্যা

১৯

মুক্তির আগেই সাফল্যের দুয়ারে ‘ককটেল ২’

২০
X