

ফেব্রুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহে শুরু হতে চলা রমজানের আগেই দেশে চলমান এলপিজি সংকট কেটে যাবে বলে জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খানকে আশ্বস্ত করেছেন দেশের এলপিজি আমদানিকারক ও অপারেটররা। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে রেলভবনে জ্বালানি উপদেষ্টার সঙ্গে জরুরি বৈঠকে এ আশ্বাস দেন খাত সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।
বৈঠকে উপস্থিত নির্ভরযোগ্য সূত্র কালবেলাকে এ তথ্য জানিয়েছে। সভায় জ্বালানি বিভাগের সচিব, বিইআরসির চেয়ারম্যানসহ অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র জানায়, বৈঠকে জ্বালানি উপদেষ্টার কাছে এলপিজি আমদানির মাসভিত্তিক তথ্য উত্থাপন করা হয়। সে হিসাব অনুযায়ী চলতি জানুয়ারি মাসে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৬০০ টন এবং ফেব্রুয়ারি মাসে ১ লাখ ৮৪ হাজার ১০০ টন এলপিজি আমদানি করা হবে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করবে মেঘনা ফ্রেস এলপিজি লিমিটেড। কোম্পানিটি চলতি মাসে এবং ফেব্রুয়ারি মাসে ৩০ হাজার টন এলপিজি আমদানি করবে। এরপরই রয়েছে ওমেরা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড। কোম্পানি চলতি ও আগামী মাসে ২৫ হাজার টন করে আমদানি করবে। এ ছাড়া বিএম এনার্জি (বিডি) লিমিটেড, পেট্রোম্যাক্সসহ মোট ১২টি কোম্পানি এলপিজি আমদানি করবে।
সভায় জ্বালানি উপদেষ্টা জাতীয় নির্বাচনের আগে এবং রমজানে যেন এলপিজির কোনো ঘাটতি না থাকে, সে লক্ষ্যে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানোর জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে অপারেটররা এলপিজি আমদানির যে কমিটমেন্ট করেছেন, তা যেন বাস্তবে প্রতিফলিত হয়। সে লক্ষ্য বাস্তবায়ন করতে সরকারের পক্ষ থেকেও সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে বলে উপদেষ্টা তাদের আশ্বস্ত করেন।
এ সময় পরিকল্পিতভাবে মূল্য বাড়ানোর অভিযোগ অস্বীকার করে অপারেটররা উপদেষ্টাকে জানান, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিরূপ পরিস্থিতির কারণে এলপিজি আমদানি বাধাগ্রস্ত হয়েছে। চলতি মাসে নির্ধারিত এলপিজি আমদানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হলে এ সংকট অনেকটা কেটে যাবে।
মন্তব্য করুন