শাহনেওয়াজ খান সুমন
প্রকাশ : ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:০০ এএম
আপডেট : ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৭:৫০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

গণমানুষের পাশে তারেক রহমান

গণমানুষের পাশে তারেক রহমান

২০০৩ সালের কোনো এক শুক্রবারের তপ্ত দুপুর। রাজধানীর বনানীর ১৩ নম্বর রোডে এক যুবক হঠাৎ গাড়ি থামিয়ে দাঁড়িয়ে গেলেন। পথের ধারে এক বৃদ্ধাকে অনবরত রক্ত বমি করা দেখে বেশ মর্মাহত হলেন। সঙ্গে সঙ্গে ওই বৃদ্ধাকে যথার্থ চিকিৎসা দিতে এক ছোট ভাইকে ডেকে নির্দেশনা দিলেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বৃদ্ধার চিকিৎসা হলো, পথ্যের ব্যবস্থাও করে দিলেন। ভিক্ষাবৃত্তি করা ওই বয়স্ক নারীর পুনর্বাসনে দিনাজপুরে তার এলাকায় একটি মুদি দোকান করে দিলেন। তিনি যতদিন বেঁচে ছিলেন সবসময় তার খোঁজখবর রেখেছেন। শুধু ওই বৃদ্ধা নন, এমন হাজারো বৃদ্ধ ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন সেই যুবক। তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলিতে নিহত হন আব্দুল্লাহ বিন জাহিদ। কিছুদিন পর তার একমাত্র ছোট ভাই জিসান (১৪) কোলন ক্যানসারে আক্রান্ত হয়। কিছুদিনের মধ্যে তাদের বাবাও চলে যান না ফেরার দেশে। এক ছেলেকে হারিয়ে পাগলপ্রায় মা ফাতেমা তুজ জোহরার জীবনে নেমে আসে অনিশ্চয়তার অন্ধকার। জীবনের এ কঠিন সময়ে তার পাশে দাঁড়ান তারেক রহমান। জিসানের পুরো চিকিৎসার দায়িত্ব নেন তিনি।

সংশ্লিষ্টরা জানান, তারেক রহমান বছরের পর বছর অনেকটা নীরবে, নিভৃতে দরিদ্র, অসহায়, বিপদগ্রস্ত, গুম-খুনের শিকার মানুষ ও তাদের পরিবারের পাশে বাড়িয়ে দিচ্ছেন সাহায্যের হাত। ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ ও ‘জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন’-এর মতো সংগঠনগুলোর মাধ্যমে তিনি আর্তমানবতার সেবা করে যাচ্ছেন।

ঝিনাইদহ পৌর যুবদলের সহসভাপতি মিরাজুল ইসলাম ওরফে মির্জাকে (২৬) ২০১৫ সালে গুলি করে হত্যা করে পুলিশ। এর সাত দিন আগে মিরাজুলকে সাদা পোশাকের পুলিশ পরিচয়ে কয়েকজন লোক তুলে নিয়ে যায়। সরকারবিরোধী রাজনীতি করার কারণে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়। একপর্যায়ে পুলিশের হাতে খুন হতে হয়। ছেলেকে হারিয়ে মিরাজুলের মা অন্যের বাড়িতে কাজ শুরু করেন। নিদারুণ কষ্টে দিন পার করা অসহায় বাবা-মায়ের দায়িত্ব নেন তারেক রহমান।

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার ভাগায় দুই বাকপ্রতিবন্ধী মেয়ে নিয়ে হতদরিদ্র দীপালি রানী শীল একটি ঝুপড়ি ঘরে বসবাস করেন। বৃষ্টির সময় ঝুপড়ি ঘরের চালার ফুটো দিয়ে পানি পড়ে সব একাকার হয়ে যায়। এমন অবস্থায় লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে তারেক রহমানের পক্ষ থেকে হতদরিদ্র এ হিন্দু পরিবারকে একটি নতুন টিনশেড ঘর তৈরি করে দেওয়া হয়। ঘরটি পেয়ে খুশি দীপালি রানী শীল জানান, ঝুপড়ি ঘর মেরামতে তার টাকা ছিল না। এ অবস্থায় তার পরিবারকে নতুন এ টিনশেড ঘর করে দেওয়ায় তিনি নিশ্চিন্তে বসবাস করতে পারছেন।

জাতীয় নারী ফুটবল দলের তারকা খেলোয়াড় ঋতুপর্ণা চাকমার বাবা বরজ বাঁশি চাকমা ২০১৫ সালে ক্যানসারে মারা যান। বাবার অনুপ্রেরণায় ঋতু খেলোয়াড় হিসেবে গড়ে ওঠেন। এ ফুটবল তারকা খেলোয়াড় যখন দেশের হয়ে একের পর এক সাফল্য এনে দিচ্ছেন, ঠিক তখনই তার মা ভূজোপতি চাকমা জীবন-মৃত্যুর লড়াইয়ে আক্রান্ত হন ব্রেস্ট ক্যানসারে। চিকিৎসা করানোর মতো আর্থিক সামর্থ্য নেই পরিবারের। ‘গোল্ডেন গার্ল’ খ্যাত ফুটবলার ঋতুপর্ণা চাকমার ক্যানসার আক্রান্ত মা ভূজোপতি চাকমার পাশে দাঁড়ান তারেক রহমান। তারেক রহমানের নির্দেশনায় রাঙামাটির কাউখালীর প্রত্যন্ত পাহাড়ি গ্রাম মগাছড়িতে ঋতুপর্ণার বাড়িতে যায় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ প্রতিনিধিদল। তার মায়ের জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া হয়।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ২০ জুলাই বিকেলে ঢাকার সাভারে গুলিতে নিহত হন বগুড়ার শিবগঞ্জের পঞ্চদাশ গ্রামের রিকশাচালক রনি প্রামাণিক। তিনি অসুস্থ ছেলের ওষুধ কিনতে বের হয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। মরদেহ বাড়িতে নেওয়ার মতো সামর্থ্য ছিল না। উপার্জনক্ষম ছেলেকে হারিয়ে কষ্টে দিন পার করছিলেন রনির মা। তার কষ্ট লাঘবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন তারেক রহমান। জুলাইযোদ্ধা শহীদ রনির মা সাহেনা বেওয়াকে নতুন বাড়ি উপহার দেন।

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জের উত্তর দুরাকুটি পাগলাটারি গ্রামের বাসিন্দা মোস্তাকিন আলী (৬৫)। সংসার খরচ, প্রতিবন্ধী সন্তানদের দেখভাল আর মেয়েদের বিয়ে দিতে গিয়ে রোজগারের সব টাকা খরচ করতে হয়েছে তাকে। তাই গরু কেনার সামর্থ্য কখনোই হয়ে ওঠেনি। বয়সের ভারে ন্যুব্জ শরীর নিয়ে টেনেছেন তেলের ঘানি। গণমাধ্যমে এ খবর প্রকাশিত হলে তাতে দৃষ্টি পড়ে তারেক রহমানের। বয়োবৃদ্ধ মোস্তাকিন আলী দম্পতির পাশে দাঁড়াতে নির্দেশনা দেন আমরা বিএনপি পরিবারকে।

বরগুনায় স্কুলপড়ুয়া মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেছিলেন বাবা। তার এক সপ্তাহের মাথায় বাড়ির পেছনেই মেলে বাদীর লাশ। সারা দেশে এ ঘটনা আলোচিত হয়। পরে তিনটি সন্তান নিয়ে বিপাকে পড়েন নিহতের স্ত্রী। ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা আর নিরাপত্তাহীনতায় পড়েন তারা। কারণ, পরিবারের একমাত্র উপার্জনের মানুষকেই যে হত্যা করা হয়েছে। এ অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়ান তারেক রহমান।

তারেক রহমান মোবাইলে ওই নারীর সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘আপনি চিন্তা করবেন না। আমরা সব ধরনের আইনি ও অন্য সব সহযোগিতা করব আপনাকে। আমাদের সিনিয়র নেতাকর্মীদের বলে দিয়েছি, তারা আপনার সঙ্গে দেখা করবে। আপনার যা প্রয়োজন হয়, তাদের জানাবেন। সামর্থ্য অনুযায়ী বিএনপি আপনার পাশে থাকবে।’

বিএনপির কয়েকজন নেতা জানান, বিএনপি নেতাকর্মীরা যখন স্বৈরাচার সরকারের ক্রসফায়ারে প্রাণ হারিয়েছেন, তখন তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন তারেক রহমান। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গুম, খুনের শিকার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাদের ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার পুরো দায়িত্ব নিয়েছেন।

তবে মানবিক এসব কাজকর্মের প্রতি তার ঝোঁক দীর্ঘদিনের। আজ থেকে ২৫ বছর আগে ২০০০ সালে তার মানবিক কাজের সঙ্গী ছিলেন আমরা বিএনপি পরিবারের আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন। তিনি কালবেলাকে বলেন, ‘তারেক রহমান অনেক বছর আগ থেকে জনহিতকর কাজ করে যাচ্ছেন, বলা চলে তার তরুণ বয়স থেকে। কিন্তু তিনি কখনো সেগুলো কাউকে জানতে দেননি।’

তিনি বলেন, ‘২০০০ সালের ঘটনা হবে। বগুড়ায় যুবদলের এক কর্মী বিদ্যুৎস্পর্শে মারা যান। তিনি বিদ্যুৎ অফিসেই কাজ করতেন। এ ঘটনা শোনার পর তারেক রহমান তার পরিবারের পাশে দাঁড়াতে ছুটে যান বাড়িতে।’

আতিকুর রহমান রুমন জানান, ২০০৭ সালে এক-এগারোর পটপরিবর্তনের পর গ্রেপ্তার হন তারেক রহমান। সে সময় তিনি ওয়াশরুমে পড়ে গেছেন—এমন একটি খবরে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে জনতা। বিক্ষোভের মধ্যে পুরান ঢাকার এক সিএনজিচালক সিলিন্ডার বিস্ফোরণে মারা যান। এ খবর শুনে খুবই মর্মাহত হন তারেক রহমান। বন্দিদশায় থেকেও তাৎক্ষণিক ওই চালকের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশনা দেন। এমনকি তিনি জেলখানার ভেতরে শীতার্ত কয়েকদিনের মধ্যে নিজের ব্যবহৃত মূল্যবান সব পোশাক দান করে দেন। পরে জেল থেকে বের হয়েও সেখানে পাঠিয়েছেন শীতবস্ত্র।

রুমন জানান, বগুড়ার গাবতলী উপজেলার লাঠিগঞ্জের তিন মাথার মোড়ে এতিমদের জন্য একটি মাদ্রাসা পরিচালিত হয়। এ মাদ্রাসায় পড়া প্রায় সব শিক্ষার্থীর দৃষ্টিশক্তি নেই বা আংশিক আছে। এই মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকও অন্ধ। ২০১১ সালের দিকে এ মাদ্রাসার তথ্য জানতে পারেন তারেক রহমান। তিনি খোঁজখবর নিয়ে মাদ্রাসা পরিচালনার দায়িত্ব নেন। সেই থেকে এখন পর্যন্ত ওই মাদ্রাসা চালাচ্ছেন।

২০১৭ সালের দিকে মাদ্রাসার একটি চক্ষু ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছিল সেখানে। তখন পরীক্ষায় দেখা যায়, কিছু শিক্ষার্থী চিকিৎসা পেলে সুস্থ হয়ে উঠবেন। পরে তাদের চিকিৎসা শুরুর নির্দেশনা দেন তারেক রহমান। চিকিৎসা পেয়ে তাদের সাতজন শিক্ষার্থী এখন চোখে দেখতে পান।

সিনিয়র এই সাংবাদিক বলেন, দীর্ঘ বছর ধরে ব্যক্তিগত উদ্যোগে নানা সেবামূলক কাজ করে যাচ্ছেন তারেক রহমান। দেশের মানুষের জন্য মানবিক কাজ করার তাগিদ থেকেই ২০২৪ সালের ২২ মার্চ গড়ে তোলেন আমরা বিএনপি পরিবার সংগঠনটি। এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক তারেক রহমান। তার নির্দেশনায় ২০১০ সাল থেকে আন-অফিসিয়ালি গোপনে দলের নির্যাতিত ও অসহায় মানুষের পাশে রয়েছেন আমরা বিএনপি পরিবারের সদস্যরা।

আতিকুর রহমান রুমন বলেন, আমরা বিএনপি পরিবার সংগঠনটি গঠনের পর দলমত নির্বিশেষে মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে। এখন পর্যন্ত চব্বিশের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ৪০টি জেলার শহীদ ও আহত মিলে প্রায় ৫৬০ জনকে আর্থিক সহায়তা করা হয়েছে। এ ছাড়া বিগত আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে গুম, খুন ও নির্যাতিত পরিবারের মধ্যে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়। ২০২৫ সালের রমজান মাসে গুম, খুন, পঙ্গু, নির্যাতিত ও চব্বিশের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত ১ হাজার ৭৪৫টি পরিবারের মধ্যে ঈদ উপহার পৌঁছে দেওয়া হয়। পাশাপাশি ২০০ পরিবারের মধ্যে মাসিক ভাতা ও মাসিক শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয়।

তিনি বলেন, পান্থপথের একটি হাসপাতালে ক্যানসার আক্রান্ত মা ও তার পঙ্গু ছেলের পাশে দাঁড়ানো, নেত্রকোনার রিকশাচালক, যার শিশুসন্তানকে হার্টের সমস্যায় চিকিৎসা সহায়তা করা হয়েছে। ঢাকার উত্তরায় মাইলস্টোনে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পাশে দাঁড়িয়েছে। ফেনী, নীলফামারী ও সাতক্ষীরায় অসহায় পরিবারকে বাড়ি নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে।

মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার জুলহাস মোল্লা। নিজের তৈরি বিমান আকাশে উড়িয়ে সারা দেশে আলোচনায় আসেন। মানুষ জুলহাসের বিমান দেখতে ভিড় জমায়। তাকে উৎসাহ জোগানোর জন্য তার পাশে দাঁড়ান তারেক রহমান।

শুধু মানুষের প্রতি মমত্ববোধেই থেমে থাকেননি এ নেতা, প্রাণিকূলের প্রতিও তার রয়েছে দরদ। মেয়ে জাইমা রহমানের বিড়ালকে ভালোবেসে টেনে নিয়েছেন কোলে। বিড়াল ‘জেবু’র প্রতি তার অগাধ মায়ার দৃশ্য অনেকবার ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। তারেক রহমানের সরাসরি নির্দেশনায় বিড়াল, কুকুর, সাপসহ নানা পথপ্রাণী ও বণ্যপ্রাণীর নিরাপদ আবাসে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (বাওয়া)। প্রাণীর নিরাপত্তায় গড়ে ওঠা এ সংগঠনের প্রধান পৃষ্ঠপোষকও তারেক রহমান।

অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আদনান আজাদ বলেন, তারেক রহমান শুধু দেশের নেতাই নন, তিনি অত্যন্ত উদার মনের মানুষ। ছোটবেলা থেকেই পশুপাখির প্রতি ছিল তার অগাধ ভালোবাসা। তার পরামর্শে অনেকে বিড়াল, কুকুরসহ অন্যান্য প্রাণী রক্ষায় নানা ধরনের কাজ করে যাচ্ছেন।

বিএনপির গণশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান কালবেলাকে বলেন, ‘তারেক রহমান ভিন্ন মত, ভিন্ন দলের ঊর্ধ্বে গিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তারেক রহমানের অর্থসহায়তায় গোপালগঞ্জের এক দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থী শিক্ষাজীবন শেষ করে সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন। ওই যুবক শেখ মুজিবের আদর্শে বিশ্বাসী, এখন মেজর র‌্যাংকে রয়েছেন। তিনি যখন লেফটেন্যান্ট হন তখন জানতে পারেন যে, তাকে তারেক রহমান অর্থ সহায়তা দিয়েছেন লেখাপড়ার জন্য। এমন অসংখ্য উদাহরণ রয়েছে।’

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এনসিপির ফল উৎসবে হামলা

সাড়ে ৯ ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে

মেহেদী অনুষ্ঠানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, কারাগারে দুই যুবক

বিএমডিসির নিবন্ধনবিহীন চিকিৎসকের পক্ষে মানববন্ধন, মামলা প্রত্যাহারের দাবি

ফেনী জেলা বিএনপির মিডিয়া সেলের কমিটি অনুমোদন

কালবেলায় সংবাদ প্রকাশের পর সংসদ সচিবালয়ের তদন্ত কমিটি

সাভার থানা ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা, সভাপতি মাশফি-সম্পাদক সামির

‘বাপের দোয়া’ থেকে ‘ক্রিকেটের দোয়া’ করতে চান তামিম

‘আমার বউ নিয়ে গেছে, তাই আমি ওর বউ নিয়ে এসেছি’

জঙ্গল সলিমপুরে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় উৎসাহ দিলেন এসপি মাসুদ আলম

১০

বিশ্বকাপ ফুটবল ঘিরে টিভির শোরুমে ক্রেতাদের ভিড়

১১

কোরআনে হাফেজার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

১২

ইরান চুক্তি না করলে আবারও যুদ্ধ শুরু হবে : ট্রাম্প

১৩

ভিসা মিলেছে কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে রাত কাটাতে বাধা ইরানি ফুটবলারদের

১৪

প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে আ.লীগ নেতার চিঠি

১৫

গ্রামে ১০-১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না, অভিযোগ রুমিন ফারহানার

১৬

৫৫ বছরে শহীদ জিয়া গবেষণা কেন্দ্র কেন হয়নি, প্রশ্ন মঈন খানের

১৭

আগামী ২০ বছর বিশ্ব ক্রিকেটকে শাসন করতে চান সূর্যবংশী

১৮

আল জাজিরা বিশ্লেষণ / ইরান যুদ্ধের ১০০তম দিন, কোথায় দাঁড়িয়ে মধ্যপ্রাচ্য?

১৯

কেন্দ্রীয় কমিটিকে অভিনন্দন জানিয়ে সাতক্ষীরায় জেলা যুবদলের শুভেচ্ছা মিছিল

২০
X