মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩
আলাউদ্দিন আরিফ
প্রকাশ : ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:০০ এএম
আপডেট : ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৮:৩৯ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

বসতবাড়ি ও স্বামী-সন্তানহারা এক নারী

ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

বাংলাদেশের রাজনীতিতে আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া রাজনীতি করতে গিয়ে অনেক কিছুই হারিয়েছেন। স্বামী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামে আততায়ীর গুলিতে শহীদ হওয়ার পর দেশের এক ভয়ানক ক্রান্তিকালে রাজনীতিতে নাম লেখান নিরেট গৃহবধূ বেগম খালেদা জিয়া। দেশকে তিনি আগলে রাখেন নিজ সন্তানের মতো করে। এজন্য রাজনীতির মাঠে তাকে দেওয়া হয় ‘দেশমাতা’ ও ‘দেশনেত্রী’ আপসহীন নেত্রীসহ বহু উপাধি। স্বামীহারা খালেদা জিয়া রাজনীতিতে নেমে দফায় দফায় বিপদে পড়েছেন। তাকে উচ্ছেদ করা হয়েছে স্বামী-সন্তানের স্মৃতিবিজড়িত চার দশকের বসতভিটা থেকে। হারিয়েছেন ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোকে। ২০০৭ সালের এক-এগারো পরবর্তী সময়ে তিনি গ্রেপ্তার হয়ে নির্জন কারাগারে একাই ছিলেন। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের মতো মিথ্যা মামলায় তাকে সর্বোচ্চ সাজা দেওয়ার পরও উচ্চ আদালতে সাজা বাড়িয়ে দ্বিগুণ করা হয়েছে, যা ইতিহাসেও নজিরবিহীন ঘটনা।

শুধু রাজনৈতিক কারণে খালেদা জিয়াকে চার দশকের বাসস্থান ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের শহীদ মঈনুল সড়কের বাড়িটিও ছাড়তে হয়েছে। ২০১০ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর প্রয়াত স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত বাড়িটি ছেড়ে আসার পর খালেদা জিয়া বলেছিলেন; ‘তাকে এক কাপড়ে বের করে দেওয়া হয়েছে।’ ২০০৯ সালে শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতায় আসার পর ফ্যাসিবাদী চক্র বেগম খালেদা জিয়াকে ক্যান্টনমেন্টের বাড়ি থেকে উচ্ছেদের নীলনকশা বাস্তবায়ন করে। ওই সময় কয়েকজন সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা আওয়ামী লীগ সরকারের ওই নীলনকশা বাস্তবায়ন করতে সর্বাত্মক শক্তি প্রয়োগ করে। সেনানিবাসের স্বামীর বসতভিটা ছেড়ে আসার পর খালেদা জিয়াকে অঝোরে কাঁদতে দেখেছিল দেশের মানুষ। নানা নাটকীয় ঘটনার পর অশ্রুসিক্ত নয়নে ওই বাড়ি ছেড়ে আসেন খালেদা জিয়া। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে জিয়াউর রহমান পরিবার নিয়ে শহীদ মঈনুল সড়কের ৬ নম্বর ওই বাড়িতে ওঠেন। পরে সেনাপ্রধান, উপসামরিক আইন প্রশাসক এবং রাষ্ট্রপতি হয়েও ওই বাড়িটিতে অবস্থান করেছিলেন জিয়াউর রহমান। ১৯৮১ সালের ৩০ মে রাষ্ট্রপতি শহীদ হওয়ার পর একই বছরের ১২ জুন তৎকালীন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি আবদুস সাত্তার সেনানিবাসের ওই বাড়িটি খালেদা জিয়ার নামে বরাদ্দ দেন। ইজারা দলিলের মাধ্যমে তাকে সরকারি ওই সম্পত্তি দেওয়া হয়। ওই বাড়িতেই বাস করছিলেন খালেদা জিয়া। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরও ক্যান্টনমেন্টের ওই বাড়িতেই থাকতেন তিনি।

ক্যান্টনমেন্টের বাড়ি ছেড়ে আসার দিনই সন্ধ্যায় গুলশানের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়া বলেন, ‘এক কাপড়ে জোর করে সেনানিবাসের বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। তাকে অপমান-অপদস্থ করা হয়েছে। যেভাবে বের করা হয়েছে, তাতে তিনি লজ্জিত।’ পুরোটা সময় তিনি রুমালে চোখ বুজে কাঁদছিলেন। সে সময় দলনেত্রীর পাশাপাশি বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা ও দেশের মানুষকেও কাঁদতে দেখা যায়। খালেদা জিয়া বলেছিলেন, তার বেডরুমের দরজা ভেঙে টেনেহিঁচড়ে শোয়ার কক্ষ থেকে বের করে দেওয়া হয়। সর্বোচ্চ আদালতে বিচারাধীন মামলা নিষ্পত্তির আগেই তাকে ‘জোর করে বাড়ি থেকে বের করে দিয়ে’ উচ্চ আদালতের সম্মানকেও আওয়ামী লীগ সরকার পদদলিত করেছিল বলেও মন্তব্য করেছিলেন খালেদা জিয়া। এরপর তিন মেয়াদে শেখ হাসিনার শাসনামলে আর সেনানিবাসে যাননি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। ক্ষমতার পালাবদলের পর গত বছর এবং চলতি বছরের নভেম্বরে সশস্ত্র বাহিনী দিবসে সেনাকুঞ্জে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন খালেদা জিয়া। অনুষ্ঠানে তার পাশে ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।

ছেলেহারা খালেদা জিয়া:

খালেদা জিয়ার দুই ছেলে। তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকো। ২০০৭ সালে ওয়ান ইলেভেন-পরবর্তী জরুরি অবস্থা জারির মাধ্যমে সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় বসে ওই বছরের ৩ সেপ্টেম্বর ভোরে সেনানিবাসের বাড়ি থেকে খালেদা জিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার সঙ্গে গ্রেপ্তার হন দুই ছেলে তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকো। প্রায় দেড় বছর কারাভোগ করে জামিনে মুক্তি পান কোকো। ২০০৮ সালের ১৮ জুলাই নির্মম নির্যাতনে আহত কোকো চিকিৎসার জন্য সপরিবারে থাইল্যান্ডের ব্যাংকক যান। চিকিৎসা শেষে মালয়েশিয়া চলে যান এবং সেখানেই সপরিবারে বসবাস করেন। ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মাত্র ৪৫ বছর বয়সে কুয়ালালামপুরে ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুর চার দিন পর ২৮ জানুয়ারি তার মরদেহ দেশে আনা হয়। ওইদিন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হয়। আরাফাত রহমান কোকো যখন মারা যান; তখন খালেদা জিয়া দেশের গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার রক্ষার আন্দোলন করতে গিয়ে গুলশানের কার্যালয়ে অবরুদ্ধ ছিলেন। সরকার তার বাসার সামনে বালুর ট্রাক দিয়ে এবং বাসার গেটে তালা লাগিয়ে রেখেছিল। ছেলের মৃত্যুর সংবাদে জ্ঞান হারান খালেদা জিয়া। বারবার মূর্ছা যান তিনি। বিদেশে ছয় বছরের বেশি সময় ধরে চিকিৎসার জন্য অবস্থান করলেও আদরের ছোট ছেলে এভাবে মারা যাবে—এমনটি খালেদা জিয়ার কল্পনায়ও ছিল না। পাশে থাকা পরিবারের স্বজনরা সান্ত্বনা দিতে গেলেও তাকে থামানো যায়নি। ছেলের মৃত্যুতেও তিনি জনগণের ভোটের অধিকার রক্ষায় আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছিলেন।

কোকো দেশ ছাড়ার পর ২০১২ সালে খালেদা জিয়া সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা করাতে গেলে সেখানে আরাফাত রহমান কোকোর সঙ্গে দেখা হয়। ২০১৩ সালের জুনে যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময়ে খালেদা জিয়া ব্যাংককে যাত্রাবিরতি দিয়ে ছোট ছেলেকে দেখতে গিয়েছিলেন। সেটাই ছিল মায়ের সঙ্গে আরাফাত রহমান কোকোর শেষ দেখা। সবশেষ ২০১৪ সালে সৌদি আরবে জিয়া পরিবার একত্রিত হলেও যেতে পারেননি আরাফাত রহমান কোকো।

বড় ছেলের সান্নিধ্য বঞ্চিত:

২০০৭ সালের ওয়ান ইলেভেন-পরবর্তী সরকার কথিত দুর্নীতির অভিযোগ এনে ওই বছরের ৩ সেপ্টেম্বর তারেক রহমানকে গ্রেপ্তার করে। দীর্ঘ ১৮ মাস কারাগারে থাকার পর ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর কিছু শর্তসাপেক্ষে মুক্তি পেয়েছিলেন তারেক রহমান। পরে ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর লন্ডনের উদ্দেশে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে দেশ ছাড়েন। ২০১৮ সালের ২৪ এপ্রিল বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রথমবারের মতো স্বীকার করেন যে, ২০১২ সালে তারেক রহমান ব্রিটেনে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেছিলেন এবং এক বছরের মধ্যেই সেটি গৃহীত হয়েছে। এখনো লন্ডনে রাজনৈতিক আশ্রয়েই দিন কাটছে তারেক রহমানের। মাঝে আওয়ামী লীগ সরকার অপরাধী হিসেবে শনাক্ত করে আন্তর্জাতিক পুলিশি সংস্থা ইন্টারপোলের মাধ্যমে তারেক রহমানকে দেশে ফেরাতে রেড নোটিশ জারি করে। কিন্তু ইন্টারপোলের তদন্তে বিষয়টি মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় আওয়ামী লীগ সরকারের অনুরোধ উপেক্ষা করে রেড নোটিশ প্রত্যাহার করে নেয় ইন্টারপোল। এ ছাড়া খালেদা জিয়াকে কারাবন্দি রাখা ও তাকে বিদেশে চিকিৎসার জন্য নেওয়া নিয়ে বহু নোংরা রাজনীতি দেখেছে দেশের মানুষ। চব্বিশের ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর চিকিৎসার জন্য লন্ডনে ছেলের সান্নিধ্য পান তিনি। পরে ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরে এভারকেয়ার হাসপাতালে মাকে শেষবারের জন্য দেখেন তারেক রহমান।

লন্ডনে পরিবারের সান্নিধ্য ও দেশে ফেরা

আওয়ামী লীগ আমলে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের কথিত দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিলেন নিম্ন আদালত। আপিল করার পর উচ্চ আদালত তা বাড়িয়ে ১০ বছর করেন। গ্রেপ্তার হওয়ার পর খালেদা জিয়া প্রথমে বকশীবাজারের পুরোনো কারাগারে বিশেষ ব্যবস্থায় ও পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। দুর্নীতির আরেকটি মামলাতেও তাকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পরে হাসপাতালে থাকা অবস্থাতেই নির্বাহী আদেশে বিশেষ শর্তে মুক্তি দেওয়া হয়। তিনি গুলশানের বাসায় ওঠেন। নিঃসঙ্গতার কারণে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার ব্যাপক অবনতি হয়। আওয়ামী লীগ সরকারের কাছে দফায় দফায় বিদেশ যাওয়ার আবেদন জানানো হয়। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার নানা টালবাহানা করে বছরের পর বছর খালেদা জিয়াকে নিজ বাসভবনেই বন্দি রাখে। তাকে বিদেশে চিকিৎসার জন্য যেতে দেয়নি। এ নিয়ে বহুদূর গড়ায় দেশের রাজনীতি। কিন্তু কোনোভাবেই আওয়ামী লীগ সরকার তাকে বিদেশে চিকিৎসার জন্য যেতে দেয়নি। আদালতে রিট করেও কোনো সুরাহা পাওয়া যায়নি। বরং তাকে নানা বঞ্চনা, লাঞ্ছনা ও যন্ত্রণার শিকার হতে হয়েছে।

২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে আগস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতির নির্বাহী আদেশে তাকে সব দণ্ড থেকে পুরোপুরি মুক্তি দেওয়া হয়।

নির্বাহী আদেশে সব দণ্ড থেকে মুক্তি পাওয়ার পর চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যের লন্ডনে যান বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। শারীরিক অসুস্থতার কথা জেনে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স দিয়েছিলেন। সেটিতেই তিনি লন্ডনে যান। কাতারের আমিরের দেওয়া এয়ার অ্যাম্বুলেন্সেই চার মাস পর ৬ মে আবার লন্ডন থেকে দেশে ফিরলেন খালেদা জিয়া। ওই সময় বড় ছেলে ও তার পরিবারের সদস্যদের সান্নিধ্য পান খালেদা জিয়া। তিনি লন্ডন ক্লিনিকের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক প্যাট্রিক কেনেডি ও অধ্যাপক জেনিফার ক্রসের তত্ত্বাবধায়নে চিকিৎসাধীন ছিলেন। টানা ১৭ দিন ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন থাকার পর ২৫ জানুয়ারি থেকে ছেলে তারেক রহমানের বাসায় ছিলেন তিনি। দেশে ফেরার পর থেকে তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা ছিল না খালেদা জিয়ার। ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমান বীরের বেশে দেশে ফেরার পর এভারকেয়ার হাসপাতালে মায়ের সঙ্গে শেষবারের মতো দেখা করেন। ৩০ ডিসেম্বর ভোর ৬টায় অনন্তের পথে পাড়ি জমান আপসহীন এই নারী।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

হবিগঞ্জে দুপক্ষের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৪০

রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী হাসপাতালে ভর্তি

স্থানীয় সরকার নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে : মির্জা ফখরুল

প্রথমার্ধে কেপ ভার্দের গোলকিপারের দৃঢ়তায় গোল পায়নি স্পেন

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ১০ কিলোমিটার যানজট

বিশ্বকাপে হাইড্রেশন ব্রেক : কারও কাছে আশীর্বাদ, কারও কাছে অভিশাপ

আইএটি-বুয়েটের ‘এআই যুগে শিক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন’ বিষয়ক সেমিনার

বিশ্বকাপ উপলক্ষে বিনামূল্যে স্পোর্টস মেডিসিন বোর্ড কনসালটেশন গঠন

শিক্ষা অফিসারদের গাফিলতিতে অনুদান থেকে বঞ্চিত মেধাবী শিক্ষার্থীরা

সমঝোতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেননি মোজতবা খামেনি, কী বলছে যুক্তরাষ্ট্র

১০

দাস বাণিজ্যের রুট থেকে বিশ্বকাপের মহামঞ্চে কেপ ভার্দের অভিষেক

১১

গ্রাহকদের জন্য সুখবর দিল ইসলামী ব্যাংক 

১২

‘ইসলামী ব্যাংককে আগের মর্যাদায় ফিরিয়ে আনতে কাজ করবে নতুন প্রতিনিধি’

১৩

৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা 

১৪

সংসদে নারীদের বোরকা-হিজাব নিয়ে মন্তব্য, হেফাজতের প্রতিবাদ

১৫

ইরানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছেন ট্রাম্প ও ভ্যান্স

১৬

৩ ঘণ্টা পর ময়মনসিংহ-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক

১৭

শর্ত মানলে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল পাবে ইরান : ভ্যান্স

১৮

গণমাধ্যমে সত্যকে সত্য হিসেবেই তুলে ধরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর 

১৯

সিএমপির ৫ থানায় নতুন ওসি, ৮ পরিদর্শক বদলি

২০
X