

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বেশ কয়েকটি স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগে প্রতিবাদ জানিয়ে মোটরসাইকেল শোডাউন করেছে পৌর ছাত্রদল ও পৌর বিএনপির নেতাকর্মীরা।
তারা এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের শাস্তির দাবিতে স্লোগান দেন। যদিও এ বিস্ফোরণের ঘটনায় তেমন কোনো আলামতও পাওয়া যায়নি বলে দাবি করছে পুলিশ।
এ সময় পুরো দেওয়ানগঞ্জ শহরে থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে ছাত্রদলের উপর পাল্টা দায় চাপিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগও।
রোববার (৭ জুন) সন্ধ্যার পর দেওয়ানগঞ্জের স্টেশন এলাকা, গাবতলী ও কালীতলাসহ চারটি স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের শব্দ পায় স্থানীয়রা। এ ঘটনার প্রতিবাদে তাৎক্ষণিকভাবে দেওয়ানগঞ্জ শহরে মোটরসাইকেল শোডাউন করে পৌর ছাত্রদল ও পৌর বিএনপির নেতাকর্মীরা।
দেওয়ানগঞ্জ পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক ও পৌর বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মো. বিপ্লব মণ্ডল বলেন, দুই দিন আগে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা একটি মিছিল করার উদ্যোগ নিয়েছিল, কিন্তু তারা পরে মিছিলটি করতে পারেনি। দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানার নেতৃত্বে সন্ধ্যার পর চারটি স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটিয়েছে। তবে এতে কেউ আহত হয়নি।
তিনি আরও বলেন, এর প্রতিবাদে আমরা মোটরসাইকেল শোডাউন করি এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীর শাস্তির দাবি জানাই। মিছিলে পৌর বিএনপির নেতাকর্মীরাও অংশ নিয়েছেন।
যদিও অভিযোগ অস্বীকার করে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা মুঠোফোনে বলেন- ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এলাকায় নেই। ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে ককটেল বিস্ফোরণের মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। বিএনপির লোকজনই এসব ঘটনা ঘটিয়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে নতুন করে মিথ্যা মামলা দায়েরের পরিকল্পনা করছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাই।
জানতে চাইলে দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ককটেল বিস্ফোরণের কোন তথ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
যেসব স্থানে বিস্ফোরণ হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে সেখানে গিয়ে কোনো প্রত্যক্ষদর্শী পাওয়া যায়নি, এমনকি বিস্ফোরণের কোনো আলামতও পাওয়া যায়নি।