

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রে জলবদ্ধতায় পরীক্ষার্থীদের ভোগান্তিতে কেন্দ্র কর্তৃপক্ষের অবহেলা আছে কিনা খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আহসান পারভেজ।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাতে কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সম্মেলন কেন্দ্রে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।
পরীক্ষার্থীদের এমন ভোগান্তি হওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করে প্রফেসর আহসান পারভেজ বলেন, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের শুধু একটি কেন্দ্রে এমন পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তবে এ কেন্দ্রটিতে কেউই পরীক্ষায় অনুপস্থিত হননি। এ কেন্দ্রের পরীক্ষায় ৩০ মিনিট বেশি সময় দেওয়া হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, সোমবার ভারী বৃষ্টিপাতের সময় কেন্দ্র কর্তৃপক্ষকে বৈরী আবহাওয়া মোকাবিলার জন্য বলা হলেও তারা জানায় সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা নেওয়া হবে। তারপরও কেন এমন জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে ভোগান্তি তৈরি হলো এ বিষয়ে তদন্ত করে খতিয়ে দেখা হবে।
ভারী বৃষ্টিতে কুমিল্লা মহিলা কলেজ কেন্দ্রে জলাবদ্ধতা তৈরি হয় এমন জেনেও কেন পূর্ব প্রস্তুতি নেওয়া হয়নি এবং এ বিষয়ে কেন্দ্র কর্তৃপক্ষের অবহেলা দেখছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে বোর্ড চেয়ারম্যান বলেন, সোমবার পরীক্ষার আগে বৃষ্টি দেখে বোর্ড কর্তৃপক্ষকে কেন্দ্রের অবস্থা জানতে চাওয়া হয়েছিল। তাদের বিকল্প ব্যবস্থায় চলাচলের পথ তৈরি করার কথাও বলা হয়। তারপরও কেন এমন হলো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সচিব প্রফেসর জাহাঙ্গীর আলম, বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. শফিকুল ইসলাম, উপপরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ সালাউদ্দিনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
উল্লেখ্য, গত সোমবার সকালে কুমিল্লায় ভারী বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতার ভোগান্তিতে পড়ে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্রের প্রায় এক হাজার পরীক্ষার্থী। পরীক্ষা শুরু হলে পরীক্ষার্থীদের প্রায় কোমর সমান পানি ফেলে কেন্দ্রে যেতে হয়। পরীক্ষার্থীদের পারাপারের একটি ভিডিও ভাইরাল হলে দেশ জুড়ে আলোচনা সৃষ্টি হয়।
সে সময় কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রফেসর আব্দুল মালেক জানান, সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা নেওয়ার জন্য সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।